বাস্তবতা-Reality

বাস্তবতা-Reality Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বাস্তবতা-Reality, Moulvi Bazar.

তারুণ্য
"ভিক্ষা নয় শিক্ষা চাই, অধিকারে এই লড়াই"



আমাদের কার্যক্রমঃ-
সচরাচর রাস্তাঘাটে চলাফেরা করার সময় অজস্র সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের আমাদের চোখে পড়ে, যাদের একটা বড় অংশ ভিক্ষাবৃত্তি, মাদকাসক্তিসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাদের সাথে জড়িত। এসব দেখে আমরা না দেখার ভান করে চলে যাই, নাক সিটকাই এবং মনে মনে বলে উঠি "ওদের দিয়ে কিছু হবে না" কিন্তু তাদের জন্য দায়িত্ব নিয়ে কেউ এগিয়ে আসিতে চাই না। এহেন পরিস্থিতিতে আম

রা এক ঝাঁক তরুন দেশের প্রতি সমাজের প্রতি ঋণ পরিশোধ করতে এই সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে দাঁড়াতে উদ্যোগী হয়েছি। আমরা এই সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ভিক্ষাবৃত্তি, মাদকাসক্তিসহ যাবতীয় অপরাধমূলক কর্মকান্ড থেকে নিবৃত করতে চচাই। তাদেরকে পড়ালেখা, খেলাধুলা,সংস্কৃতি চর্চাসহ সকল প্রকার সৃজনশীল কর্মকান্ডের সাথে যুক্ত করে তাদেরকে একটি উন্নত মানবিক জীবন প্রদান করতে চাই এই লক্ষে আমরা সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য সহযোগিতা করছি। বিদ্যালয়ে দৈনন্দিন পাঠদানের পরবর্তী সময়ে তাদের জন্য আলাদাভাবে পড়াশুনা,খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চার ব্যবস্থা করছি।তাদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ ও পোষাকের ব্যবস্থা করছি।

উপরোক্ত কাজগুলো আমরা একদল কলেজ শিক্ষার্থী সেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে এবং ব্যাক্তিগত টিউশনি করে উপার্জিত আয় থেকে খরচ সমূহ নির্বাহ করে যাচ্ছি।

আমাদের লক্ষ ও উদ্দেশ্য ঃ-
১। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মৌলিক অধিকার সমুহ নিশ্চিত করা।
২। তাদের অপরাদমূলক কর্মকান্ড থেকে বিরত করে রাষ্ট্রের সচেতন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।
৩। ভিক্ষাবৃত্তি ও শিশুশ্রম থেকে বিরত করে শিক্ষিত দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করা।
৪। সারাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা লক্ষ লক্ষ সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দেশের তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে উদ্বুদ্ধ করা।
৫। সর্বোপরি এই সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তোলে দেশের সার্বিক জীবন মানের উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Mš Sagor Ahmed, Shab Uddin, Milon Miazi, পুষ্পিকা তপু, Md...
06/12/2025

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Mš Sagor Ahmed, Shab Uddin, Milon Miazi, পুষ্পিকা তপু, Md Sujan, MD Bashar

25/11/2025

゚viralfbreelsfypシ゚viral ゚

25/11/2025

Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars – they help me earn money to keep making content that you love.

Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars.

25/11/2025

゚viralfbreelsfypシ゚viral ゚ Arman Chowdhury Shamim Reza

24/11/2025

゚ ゚viralfbreelsfypシ゚viral

ক্ষুধার যন্ত্রনা এতটাই প্রকট যেখানে কাঁদতে গেলেও চোখে পানি আসেনা_____!!!দুইবার ব্রাশিং করার পরও চিন্তা করা হয় দাতের কোনো...
17/11/2017

ক্ষুধার যন্ত্রনা এতটাই প্রকট যেখানে কাঁদতে গেলেও চোখে পানি আসেনা_____!!!
দুইবার ব্রাশিং করার পরও চিন্তা করা হয় দাতের কোনো অযত্ন হচ্ছে কিনা!
একবার শ্যাম্পু করার পর আবার কন্ডিশনার ব্যবহার করার জন্য উন্মাদনা!
নিজের শরীরে বার বার তাকিয়ে বের হওয়া কোনো দিকটা যেনো কমতি না হয়ে যায়!
জামাটা পরিস্কার হওয়া সত্যেও আবার আইরন করা!
কয়েকবার পারফিউম ব্যবহার করার পরও নিজের কোনো কমতি আছে কিনা তার জন্য ছটফট করা!
অথচ আমাদের আশেপাশেই কত শত অসহায় মানুষ রয়েছে যাদের চুলগুলো জট লেগে আছে কিন্তু একটি বারের জন্য ও পারেনা একটু ভালো করে গোসল দিয়ে চুলগুলো পরিস্কার করতে! হয়তো শরীরের গন্ধটাও ম্যাচ করে নিয়েছে না পাওয়ার আর্থনাতে!
একবার চিন্তা করে দেখুন তো? যাদের দু'বেলা খাবার খেতে দুচোখের পানি সুখিয়ে যায় কাঁদতে কাঁদতে তারা কতটা কষ্ট করে জীবন অতিবাহীত করে!!
জানিনা আমাদের দৃষ্টি কখন পড়বে অসহায় মানুষদের প্রতি_________?

অবহেলিত মানব জীবন*********************কানিজ ফাতেমা************ঠিকানাবিহীন মানবশিশু অবহেলায় পড়ে থাকে পথের ধারে আবর্জনার স...
22/05/2017

অবহেলিত মানব জীবন
*********************
কানিজ ফাতেমা
************

ঠিকানাবিহীন মানবশিশু অবহেলায় পড়ে থাকে পথের ধারে আবর্জনার স্তুপে।
পরিচয়হীন জীবন আঁধারের মাঝে অনিশ্চিত ভবিষ‍্যৎ নিয়ে জন্মায়।
বেড়ে উঠে উদ্বিগ্ন পরিবেশে পেটের জ্বালা নিয়ে আগামী মানব সম্পদ।
উদোম শিশুটির দেহ ঢাকা পড়ে অন্তরালে 'শপিংমলের' কাপড়ের ডাঁইয়ে।
জন্ম থেকে জোটে না মাতৃদুগ্ধ, ভেসে যায় মন্দির চাতাল দুধের সাগরে।
বাবার কোল অপার স্নেহ, মার আঁচলে মুখ লুকনোর স্বর্গীয় সুখ জোটেনি।
ভূমিষ্ট হ‌ওয়ার পর অনাদর, অবহেলা আর বঞ্চনার স্বীকার ধাপে ধাপে।
দিনে–রাতে রাস্তায় অবস্থান, রাত কাটে রাস্তা ও ফুটপাতে।
বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশনের এখানে সেখানে নোংড়া অপরিচ্ছন্ন স্থানে।
রাতের আঁধারে কন‍্যা পথশিশুদের তুলতুলে দেহটা ছিঁড়েখুড়ে রক্তাক্ত করে নরপিশাচের দল।
শৈশব হারায় অন্ধকারে মানবিক যাপনের সুযোগ।
সব‍্যসাচী মানুষের শারীরিক নির্যাতন, যৌন হয়রানী শিকার ওরা প্রতিনিয়ত।
চেয়ে থাকে করুণ অপলক দৃষ্টিতে স্কুলে যাওয়া সমবয়সীদের দিকে।
মৌলিক অধিকার বঞ্চিত, শিক্ষার সুযোগ মেলেনা ওদের কখনো।
বেঁচে থাকার আহারটুকু জোটে না, প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সহানুভূতি পায় না কখনো।
অবাধ স্বাধীন জীবন বিসর্জন দিয়ে দুমুঠো ভাতের জন‍্য পথে পথে ঘুরছে।
কম মজুরী বেশী কাজ করানোর লক্ষ‍্যে অনেকেই তাদের বেছে নিচ্ছে।
রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে একাগ্ৰচিত্তে আবর্জনার স্তুপ ঘাঁটে প্রতিদিন।
ছিন্নবস্ত্র–খালি গায়ে বেঁচে থাকার রসদ যোগাতে ঘুরে বেড়ায় দ্বারে দ্বারে।
ছিন্নমূল শিশুদের মিছিল প্রসারিত, সভ‍্যতার তিমিরে নিমজ্জিত ঝলসানো দগ্ধ ঘা।
সুযোগ নেয় নষ্ট ভ্রষ্ট রাজনৈতিক নেতারা ঠেলে দেয় অন্ধকার পৃথিবীর দিকে।
রাজনৈতিক সহিংসতার এরাই প্রধান সেনা, প্রধান অস্ত্র সন্ত্রাসবাদী কর্মকান্ডে।
মাদকপাচারের মাধ‍্যম ওরা, হয়ে উঠে মাদকাসক্ত,খুনের হোলী খেলে অবলীলায়।
'হিপোক্রেসির' অন্তরালে চলে অবাধ অনাথ শিশু বানিজ‍্য, পাচার হয় তারা বিদেশে।
রাষ্ট্র–সরকার চিরকাল উদাসীন, নেই সামাজিক পুনর্বাসন।
আলাপচারিতায়, বিজ্ঞাপনের নক্সায় গনতন্ত্রের 'জ‍্যামে' আটকে থাকে সামাজিকরণের প্রকৃয়াকরণ।
জন্ম থেকে মৃত‍্যু ওদের জীবনে প্রতিশ্রুতি শুধুই প্রতিশ্রুতি,নেই ভালোবাসা, আন্তরিকতা।
মিডিয়া কিংবা ফেসবুকে দেখি বিশেষ দিনে ওদের নিয়ে একদিনের ভালোবাসা প্রকাশে 'ফটোসেশন'।
গতিচিত্র, স্থিরচিত্র, রংচিত্র হয়, উপসংহারে তেপান্তরের মাঠ।

01/03/2017

বিখ্যাত কবি বা লেখক হতে আসিনি
এসেছি মানবতার মুক্তির কথা বলতে।
ভালবেসে বিশ্ব প্রেমিক হতে আসিনি
এসেছি ভালবাসার মূল্যবোধ জাগাতে।
তোমাদের মতো ধর্মান্ধ হতে আসিনি
এসেছি ধর্মান্ধতার গোড়ামী ভেঙ্গে দিতে।
আমি তোমাদের থেকে কিছু নিতে আসিনি
এসেছি আমার সবকিছু উজার করে দিতে।
আমি মিথ্যা বলতে বা মিথ্যাকে ভয় পেতে
আসিনি
এসেছি ফাঁসীর মঞ্চে দাড়িয়ে সত্য সুন্দরের
কথা বলতে।
আমি যোদ্ধা হয়ে অসহায় নারী শিশু হত্যা
করতে আসিনি
এসেছি বিদ্রেহের আগুনে সভ্যতার অসভ্যকে
জ্বলে-পুড়ে ছাড়-খার করে দিতে।
আমি অর্থ কামিয়ে অট্টালিকা গড়তে
অসিনি
এসেছি অনহারির মুখে আহার দিতে।
আমি মাথায় ঝকরা চুল রেখে বাউল হতে
আসিনি
এসেছি বাউলের কথার সারমর্ম বোঝাতে।
আমি প্রথা সমাজ নিয়ম নিতীকে তেল
মাখাতে আসিনি
এসেছি নিয়ম ভেঙ্গে নিয়ম গড়তে, উল্টো
পথে চলতে।
আমি সৃষ্টাকে খুজে-খুজে উন্মাত হতে
আসিনি
এসেছি সৃষ্টির রহস্য খুজে সেবা করতে।
আমি শাস্র পড়ে চোখ জলে ভাসাতে আসিনি
এসছি অসহায় মানুষের দূঃখ কষ্টে কাঁদতে।

মোঃ আব্দুল কালাম

20/05/2016

কিভাবে দ্রুত রক্তদাতা ব্যবস্থা করা যায়

টেকনিক- ১:- মোবাইল ব্লাড ব্যাংক--- রক্তের দরকার পরলে প্রথমেই নিজের আত্মীয়-স্বজন এবং পরিচিত মানুষদের সাথে যোগাযোগ করে জেনে নিন-কেউ রক্ত দিতে পারবে কিনা। পরিচিত রক্তদাতা হলে আপনি সুনিশ্চিত হতে পারছেন রক্তটি বিশুদ্ধ কিনা। অপরিচিত রক্তদাতা মাদকাসক্ত কিনা, হয়ত আপনি সহজেই সনাক্ত করতে পারবেননা। এজন্য নিজেই তৈরি করুন নিজের ব্লাডব্যাংক। আপনার পরিচিত সবার রক্তের গ্রুপ সংগ্রহ করে রাখুন। একটা টেকনিক মেনে চলতে পারেন। আপনার মোবাইলে Contact Number এর নামের সাথে রক্তের গ্রুপ এবং ঠিকানা লিখে Save করে রাখা। প্রথমে নাম, রক্তের গ্রুপ, তারপর ঠিকানা, পারলে শেষ রক্তদানের তারিখ।
যেমন: Soaib A+ Dhaka, Jony B+ Dhanmondi, Imam AB- CTG, Selim O+ Comilla এভাবে সব নাম্বার !!!
এই টেকনিকটির নাম দিয়েছি আমি- “মোবাইল ব্লাড ব্যাংক” আপনার “মোবাইল ব্লাড ব্যাংক” নিজের প্রয়োজনে যেমন লাগবে, তেমনি জরুরি মুহূর্তে বন্ধু-বান্ধবের সাহায্যেও আপনি এগিয়ে আসতে পারবেন।

টেকনিক- ২:- ধরুন, হসপিটালের ডাক্তার বললো- আপনার রোগীর জন্য ১ ঘন্টার মধ্যে বা এখনই রক্ত লাগবে। তখন আপনি কি করবেন ?
ক) প্রথমে রোগীর সাথে থাকা সকল রিলেটিভ আপনি সহ প্রয়োজনিয় রক্তের গ্রুপের সাথে কারো রক্তের গ্রুপ মিলে কিনা দেখুন, যদি মিলে যায় তাহলে আপনার রোগীকে আপনার রিলেটিভ অথবা আপনিই রক্ত দিতে পারবেন।
খ) আর যদি কারো সাথে না মিলে, তাহলে হসপিটালের ব্লাড ব্যাংকে গিয়ে জিজ্ঞেস করুন- যেকোন গ্রুপের রক্ত দিয়ে প্রয়োজনিয় গ্রুপের রক্ত নেয়া যাবে কিনা ? এই পদ্ধতির নাম হলো- Exchange ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থা হসপিটালের ব্লাড ব্যাংকে থাকলে তা করুন।
গ) আর যদি Exchange ব্যবস্থা না থাকে, তাহলে উপস্থিত বুদ্ধিকে কাজে লাগান। মানে- হসপিটালে প্রচুর রোগী আছে, রোগীর সাথে অসংখ্য রোগীর রিলেটিভ আছে। তাহলে, এতো মানুষ থাকতে আপনি কেন রক্ত রক্ত করে দুনিয়া একদিকে নিয়ে যাচ্ছেন ? উপস্থিত বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে অন্যান্য রোগীর রিলেটিভদের মধ্যে রক্তদাতা খুঁজুন, প্রয়োজনে আপনার রোগীকে দেখান। এই পদ্ধতিতে স্বেচ্ছায় রক্তদাতা খুঁজে পাওয়া খুবই কার্যকর।।।

টেকনিক- ৩:- মসজিদের ইমামের মাধ্যমে--
আপনি যদি মুসলামান হউন, তাহলে- নামাজের পূর্বে আপনার এলাকার অথবা হসপিটালের আশে-পাশের যেকোন মসজিদের ঈমাম সাহেবকে বলে দিন- আপনার রিলেটিভের রক্তের গ্রুপ, রোগীর সমস্যা এবং কোন হসপিটালে আছে, ওনাকে অনুরোধ করুন যেন নামাযের পূর্বে- মাইকে ঘোষণা দেয়, যেন আপনার রোগীকে কেউ রক্ত দেয়। দেখবেন- কেউ না কেউ রক্তদান করতে রেডি হয়ে যাবে। আর অন্য ধর্মাবলম্বীরা তাদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেও এই কাজটি করতে পারেন। এতে খুব সহজেই রক্তদাতা খুঁজে পাওয়া সম্ভব।।।

টেকনিক- ৪:- বাস স্ট্যান্ড/জ্যামের মধ্যে-- গত কিছুদিন আগে ঢাকাতে ১ জন অপারেশানের রোগীর জন্য ৩ ব্যাগ "এ নেগেটিভ" রক্তের প্রয়োজন ছিলো। আমি অফলাইনে ১ জন ডোনার মেনেজ করে দিয়েছি, আর ২ জন ডোনারের জন্য ফেসবুকে পোষ্ট করি। পোষ্ট দেখে ২ জন কল করেছে রোগীর রিলেটিভকে। তারা আশ্বাস দিলো- তারা সময়মতো এসে রক্তদান করবে। কিন্তু এদের থেকে ১ জন আসলো বাকি ১ জন নির্দিষ্ট সময়ের ১ ঘন্টা পূর্বে মোবাইলটি অফ করে দেয়। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেও ওনার মোবাইল নাম্বারটি অন না পেয়ে রোগীর রিলেটিভ আমাকে কল করলো, তাদের রোগী ঐ সময় OT তে। কিন্তু এখনো ১ জন রক্তদাতার অভাব!! তখন, আমি রোগীর রিলেটিভকে একটি টেকনিক শিখিয়ে দিলাম, আলহামদুলিল্লাহ্ সে টেকনিকের মাধ্যমে মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যে ডোনার মেনেজ হয়ে গিয়েছিলো। টেকনিকটি অনেকেই কাজে লাগাতে পারেন।
টেকনিকটি হলো- বাস স্ট্যান্ড/জ্যামের মধ্যে লোকাল বাসগুলোতে ওঠে যাত্রীদের মধ্যে রক্তদাতা খোঁজা। বলতে গেলে হকারের মতো। সর্বোচ্চ ৫-৬ টা বাসে খুঁজলে প্রয়োজনীয় গ্রুপের রক্তদাতা পাওয়া খুবই সহজ। এই টেকনিকটি খুব দ্রুত রক্তের প্রয়োজনের সময় কাজে লাগবে ইনশআল্লাহ্। যারা রক্তদিতে আশ্বাস দিয়েও রক্তদান করতে যায়না, তাদেরকে আল্লাহ্ হেদায়েত দান করুক সেই দোয়া করি।।

টেকনিক- ৫:- কলেজ / ভার্সিটির ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্য থেকে---
উপরের ৪ টি টেকনিকের মাধ্যমে যদি রক্তদাতা খুঁজে না পান, তাহলে হসপিটালে আশে-পাশে কোন কলেজ/ভার্সিটি থাকলে সেখানে চলে যান। যদি ক্লাস না চলে তাহলে কলেজের গেইটে/বারিন্দায় দাঁড়িয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে প্রয়োজনীয় গ্রুপের রক্তদাতা আছে কিনা খুঁজুন আশা করি পেয়ে যাবেন। আর যদি ক্লাস চলে তাহলে ক্লাস টিচারের অনুমতি নিয়ে ক্লাসরুমে ঢুকে টিচারকে বলুন- আপনার রোগীর জন্য রক্তের প্রয়োজন, রক্তের গ্রুপ, রোগীর সমস্যা এবং হসপিটালের নামসহ বিস্তারিত জানান। দেখবেন- স্যারেই ক্লাসরুমে বলে দিবে। আর এরফলে দ্রুত রক্তদাতা পেয়ে যাবেন।।।

টেকনিকগুলো ভালো লাগলে শেয়ার করুন অথবা নোট করুন যেন অন্যদের উপকার হয়
সংগ্রহীতঃগুরু সেলিম চৌধুরী।

Address

Moulvi Bazar
3200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাস্তবতা-Reality posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to বাস্তবতা-Reality:

Share