avasbangla.org

avasbangla.org মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে ইসলামী

https://shampratikdeshkal.com/banking-and-finance/news/211163000/%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%95%...
06/12/2021

https://shampratikdeshkal.com/banking-and-finance/news/211163000/%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%95-%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9C

সম্প্রতি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নতুন এই ফি এবং চার্জের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। এর মাধ্যমে ব্যাংকের গ্রাহকদের ব....

সালেহ আবদুল আজিজ আল রাজেহীশেখ সালেহ আবদুল আজিজ আল রাজেহী (১৯২১ – ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১১) ( আরবি: الشيخ صالح بن عبد العزيز ا...
14/11/2021

সালেহ আবদুল আজিজ আল রাজেহী

শেখ সালেহ আবদুল আজিজ আল রাজেহী (১৯২১ – ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১১) ( আরবি: الشيخ صالح بن عبد العزيز الراجحي‎‎ ) [১][২] সৌদি আরবের কিংডম থেকে একজন ব্যবসায়ী এবং সমাজসেবী ছিলেন। তিনি বৃহত্তম ইসলামী ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান আল-রাজেহী ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

সালেহ আব্দুল আজিজ।
আল রাজেহী পরিবারের সবচেয়ে বড় সন্তান হিসেবে তিনি নির্মাণ, রিয়েল এস্টেট এবং কৃষির মতো অন্যান্য সফল শিল্পেও নিযুক্ত ছিলেন। একজন বিশিষ্ট সৌদি ব্যবসায়ী হওয়ার পাশাপাশি তিনি কৃষক, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য পরিচিত একজন সমাজসেবীও ছিলেন। তাঁর পরবর্তী বছরগুলিতে, আল রাজি দাতব্য প্রতিষ্ঠানের প্রতি অবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করেছেন। দানের সাহায্যে পরিচালিত প্রতিষ্ঠান করার জন্য একটি ভিত্তি প্রতিষ্ঠার জন্য নির্দেশনা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যা তিনি জীবনে ক্রমাগত সমর্থন করেছিলেন। [৩][৪][৫]

প্রাথমিক জীবন সম্পাদনা

সালেহ বিন আবদুল আজিজ বিন সালেহ বিন সুলাইমান ইবনে মোহাম্মদ ইবনে নাসের আল রাজি বাকরিয়্যাহ কাসিম, সৌদি আরবের টহ মধ্যে ১৯২১ সালে জন্মগ্রহণ করেন । তাঁর পিতা শেখ আবদুল-আজিজ আল রাজি ছিলেন কৃষক এবং স্বল্প উপায়ে ব্যবসায়ী। উন্নত ব্যবসায়ের সম্ভাবনা পাওয়ার জন্য তার পিতার রিয়াদের পদক্ষেপের পরে, সালেহ শেখ মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিমের অধীনে লেখাপড়া শুরু করেন। তিনি ১৩ বছর বয়সে কুরআন ও অন্যান্য পড়াশোনা শেষ করেছেন। [৬]

কর্মজীবন সম্পাদনা

১৯৩০ এর দশকের গোড়ার দিকে, আল রাজি অর্থ উপার্জনের জন্য স্থানীয় বাজারে ব্যাতিক্রমী কাজ করেছিলেন। প্রথমদিকে তিনি পোর্টার হিসাবে কাজ করেছিলেন। কিছু অর্থ সাশ্রয়ের পরে আল রাজি স্ক্র্যাপ আইটেমগুলির ব্যবসায়ের জন্য কিছু মূলধন হিসাবে ব্যবহার করেছিলেন। তিনি চাবি, তালা এবং হবারডাসেরি আইটেমগুলি ক্রয় ও বিক্রয় করেছিলেন, জিনিসগুলি পাবলিক প্লেসে, বিশেষত বাজার ও মসজিদ সংলগ্ন ব্যস্ত অঞ্চলে হকার করে এমনটি করতেন।

১৯৩৭ সালে, আল রাজি ১৬ বছর বয়সে পরিণত হওয়ার সাথে সাথে তিনি বিক্রেতাদের মধ্যে একটি জায়গা দখল করতে সক্ষম হন এবং একটি "বাস্টাহ" স্থাপন করেন (যা ছানি স্থাপন করা হয় তার উপর একটি চাদর বা কাপড় দ্বারা সীমাবদ্ধ স্থলভাগে একটি ছোট ব্যবসায়ের জায়গা)। তিনি প্রথমে রিয়াদের গ্র্যান্ড মসজিদের সামনে সাফাতে অবস্থান করেন । এর মধ্যে রিয়ালকে পরিবর্তন ও গুচ্ছ ও হালালায় পরিণত করা জড়িত। এই জন্য তিনি একটি কমিশন অর্জন করেছেন ৫%।

তার ব্যবসা বাড়ার সাথে সাথে তিনি নিজের ব্যস্ততার জন্য বদলে ফেললেন। এটি তার অর্থ বিভিন্ন সংখ্যায় নিরাপদে রেখেছিল। ধীরে ধীরে তার গ্রাহকরা তার পরিবর্তনের জন্য বিভিন্ন মুদ্রা আনতে শুরু করেছিলেন। ব্যবসায়ী, তীর্থযাত্রীরা এবং ভ্রমণকারীরা ভারতীয় টাকার থেকে বিভিন্ন অর্থের বিনিময়ে সোনার বিনিময় করতেন। [৭]

মুদ্রা বিনিময় ব্যবসা সম্পাদনা

১৯৪৭ সালে, আল রাজি রিয়াদে একটি আনুষ্ঠানিক মুদ্রার দোকান খোলেন। তিনি তার ভাই মোহাম্মদ এবং সুলায়মানকে ব্যবসায়ের অংশ হওয়ার জন্য ডেকেছিলেন। সুলায়মান, যিনি পরে তাঁর ভাইয়ের পারিবারিক সংস্থার প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, তখন কিশোর ছিলেন, সেই দোকানের বিনিময় ডেলিভারি এবং মেসেঞ্জার চাকরির জন্য ১০ ডলার বেতনে ভাড়া নিয়েছিলেন। প্রবীণ আল রাজি তাদের প্রাপ্ত অর্থ এবং রেকর্ডিং, ব্যবসা এবং পরিচালনা করেছেন এমন সিস্টেম এবং পদ্ধতিগুলি পর্যায়ক্রমে বিকাশ হয়েছে। করেছে।

১৯৫০ এর দশকের দিকে, আল রাজী তার ভাই সুলায়মানকে মক্কায় প্রেরণ করেছিলেন এই অঞ্চলটিতে আসা তীর্থযাত্রীদের এবং ব্যবসায়ীদের বিনিময় ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য। সুলায়মান তার বড় ভাইয়ের আশীর্বাদে মক্কায় থেকে যান এবং আরও জেদ্দায় প্রসারিত হন যা সেই সময় অর্থনৈতিকভাবেও বৃদ্ধি পাচ্ছিল। ভাইয়েরা পরবর্তী ২৫ বছরের জন্য তিনটি শাখার মধ্যে তাদের মুদ্রার ব্যবসা পরিচালনা করেছিল, যা আল-রাজি ব্যাংকের সূচনা হিসাবে চিহ্নিত হয়েছিল।

আল রাজি ব্যাংক সম্পাদনা

১৯৫৭ সালে তার ভাইদের সাথে মিলে আনুষ্ঠানিকভাবে আল-রাজি ব্যাংকের সূচনা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আল রাজি বিভিন্ন ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশে ভ্রমণ করে। তিনি কুয়েতের সাথে প্রথম সোনার ব্যবসায়ও জড়িত ছিলেন। এ ছাড়াও আল রাজি খসড়া এবং অর্থ স্থানান্তরের একটি অনন্য ব্যবস্থাও প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। অবশেষে, তিনি মধ্য প্রাচ্যে তার প্রতিষ্ঠিত খ্যাতির মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকগুলির সাথে সংযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হন। ১৯৬০ এর দশকের মধ্যে, আল রাজিরা ইউরোপ এবং এশিয়া জুড়ে বেশিরভাগ প্রধান আর্থিক খাতে ব্যাংকিং অর্থায়ন করছিল।

কৃষি সম্পাদনা

আল বাটিন প্রকল্প সম্পাদনা
১৯৯৩ সালে আল রাজি কাসিম অঞ্চলের বুরেদা সিটিতে একটি কৃষি প্রকল্প শুরু করেন। এটি গম, যব, তরমুজ এবং সবজি চাষের উপর মনোনিবেশ করেছে যাতে ৫,৪৬৬ হেক্টর জমির উপর খেজুরের আন্তঃফল রয়েছে।

১৯৯৫ সালে আল রাজির নির্দেশে বৃক্ষরোপণটি তার অবস্থান ঘুরিয়ে দেয় এবং প্রধানত খেজুরের দিকে মনোনিবেশ করে ২ লাখ গাছ লাগানো লক্ষ্যে ৪৫ জাতের ৬৩,০০০ চারা রোপণ করে। এই প্রকল্পটি কৃষি মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধান করেন যা বিশেষায়িত সেচ ব্যবস্থা স্থাপনের অনুমোদন দেয়। [৮]

২০০৬ সালে, আল বাটিন পাম প্রকল্পটি বিশ্বের বৃহত্তম পাম ট্রি প্রকল্প হিসাবে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড (সাধারণ তথ্য এবং স্ট্যান্ডার্ড অ্যাচিভমেন্টস) দ্বারা স্বীকৃত হয়েছিল। [৯]

দুর্মা প্রকল্প সম্পাদনা
১৯৯৪-১৯৯৬ সালে, আল রাজি দুর্মা প্রকল্প শুরু করেছিলেন। ৭৬০ হেক্টর জমির সাথে, বিশেষ টিস্যু পামগুলি রোপণ করা হয়েছিল। অঞ্চলটির একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য ছিল যার মধ্যে মাটির উচ্চ আরামদায়কতা, প্রাকৃতিক গভীর কূপের উপস্থিতি এবং কম জলের লেয়ার অন্তর্ভুক্ত ছিল। আল বাটিন প্রকল্পের মতো, খামারগুলি প্রথমে গম এবং বার্লি দিয়ে রোপণ করা হয়েছিল এবং পরে ফসলের তালুতে রূপান্তরিত হয়েছিল। ১৯৯৪-১৯৯৬-এ ছড়িয়ে থাকা আল রাজি দ্বারা পরিচালিত তিন স্তরের এই প্রকল্পটির লক্ষ্য ছিল বিভিন্ন প্রকারের ৫০,০০০ খেজুর চারা রোপণ করা।

অন্যান্য প্রকল্প সম্পাদনা

১৯৯০-এর দশকে আল-রাজি রিয়েল এস্টেট এবং কৃষিতে মনোনিবেশ করার জন্য আল রাজি ব্যাংকের শিরোনামের লাগাম বদলে দেয়। এই দুটি খাতে তার উদ্যোগগুলি শেষ পর্যন্ত কেএসএর মধ্যে বেশ কয়েকটি সফল হয়ে ওঠে। এগুলি বাদ দিয়ে আল রাজি আল আমদানি আল বারাকা ব্যাংকিংয়ের আরেকটি আর্থিক এবং সিমেন্ট ও নির্মাণমূলক কাজে অংশীদার ছিল।

মুদ্রা বিনিময় এবং ব্যাংকিংয়ের মূল ব্যবসা বাদে সালেহ আল রাজি নিম্নলিখিত সংস্থাগুলি সহ অন্যান্য সংস্থায় বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন:

বছর প্রতিষ্ঠিত অবস্থান প্রতিষ্ঠান
প্রযোজ্য নয় পরিচালন অধিকর্তা কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ সংস্থা
১৯৫৫
সদস্য, প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো সৌদি সিমেন্ট সংস্থা
১৯৫৯ সদস্য, প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো ন্যাশনাল জিপসাম সংস্থা
১৯৬১ সদস্য, প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো ইয়ামামা সিমেন্ট সংস্থা
১৯৬১ সদস্য এবং প্রতিষ্ঠাতা রিয়াদে চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি
১৯৭৭ সদস্য, প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো সৌদি সিরামিক সংস্থা
১৯৭৭ সদস্য এবং প্রতিষ্ঠাতা সৌদি লাইম স্যান্ড ব্রিকস সংস্থা
১৯৭৮ সদস্য, প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো দক্ষিণ সিমেন্ট সংস্থা
১৯৭৮ প্রতিষ্ঠাতা সালেহ আবদুল আজিজ আল রাজি অ্যান্ড কোং লি।
১৯৮১ সদস্য, প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো নাদেক কৃষি উন্নয়ন সংস্থা
১৯৮২ সদস্য, প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো শিলাবৃষ্টি কৃষি উন্নয়ন সংস্থা
১৯৮৩ প্রতিষ্ঠাতা কৃষি উন্নয়নের জন্য তাবুক সংস্থা
১৯৮৭ সদস্য, প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো আল রাজি ব্যাংকিং এবং বিনিয়োগ সংস্থা
প্রযোজ্য নয় সদস্য এবং প্রতিষ্ঠাতা হালকা বিল্ডিংস সংস্থা (এসআইবিএরএক্স) এবং সৌদি সারপো কোম্পানি লিমিটেড
প্রযোজ্য নয় পরিচালনা পর্ষদের সদস্য অপারেশন এবং শিল্প সেবা জন্য জাতীয় সংস্থা

তথ্যসূত্র

উইকিপিডিয়া

01/09/2021
Collected
22/08/2021

Collected

14/08/2021

S
আমানতের সুদ এবং বিনিয়োগের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩ শতাংশের বেশি থাকা উচিত না
মনোয়ারুল হক

উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা কী পরিমাণে বেতন পান তা এ দেশের অন্যান্য খাতে কর্মরত মানুষ ধারণাই করতে পারবেন না। বেতনের বাইরে ট্যাক্স কার্ড করার জন্য রয়েছে হাজারো রকমের সুযোগ-সুবিধা। ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ অন্যান্য উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা বছরে কোটি টাকার উপরে শুধুমাত্র বেতন খাতে আয় করেন।

মনোয়ারুল হক। অলংকরণ: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের দুটি শাখা এবং ১৭ টি বাণিজ্যিক ব্যাংক, যেগুলোকে রাষ্ট্রায়ত্ত করা হয়েছিল। বাংলাদেশের সরকার সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি গড়ে তোলার আদর্শকে সামনে রাখে যা পরবর্তী ১২ বছর চলমান ছিল। পাকিস্তানের ন্যাশনাল ব্যাংক আজকের সোনালী ব্যাংক।

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর এই বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক নীতি থেকে সরে আসে। বেসরকারি খাতকে উন্মুক্ত করা হয় এবং ১৯৮২ সনে সামরিক শাসন জারির পরে ১৯৮৩ থেকে বেসরকারি খাতে ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করার অনুমোদন দেওয়া শুরু হয়। যেসময় বাংলাদেশে ব্যাংকসমূহ জাতীয়করণ করা হয়েছিল তখন বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি ব্যাংকগুলো জাতীয়করণ করা হয়নি। শুধুমাত্র পাকিস্তানের মালিকানাধীন ব্যাংক জাতীয়করণ করা হয়েছিল। ১৯৮৩ সালে এরশাদ সরকার যখন ব্যাংকগুলোকে বেসরকারি খাতে অনুমোদন দেওয়া শুরু করলেন তখনই ব্যাংকগুলোর পরিশোধিত মূলধন ছিল মাত্র ২০ কোটি টাকা। এই ব্যাংকগুলোকে বলা হয় প্রথম জেনারেশন ব্যাংক। যার মধ্যে ন্যাশনাল ব্যাংক, সিটি ব্যাংকসহ সম্ভবত দশটি ব্যাংকের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

গত বছরের হিসাব মতে, বর্তমানে ৬০টি তালিকাভুক্ত ও ৫ টি অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক নিয়ে এদেশের ব্যাংক ব্যবস্থা পরিচালিত হচ্ছে। তালিকাভুক্ত ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে ৬টি রাষ্ট্রায়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক, ৩ টি বিশেষায়িত ব্যাংক, ৪২টি ব্যক্তি মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং ৯ টি বিদেশি ব্যাংক। প্রথম দিকে যখন বেসরকারি খাতে ব্যাংক অনুমোদন দেওয়া হয়, তখন ব্যাংকগুলোর সুদের হার ছিল ১৮ থেকে ২০ শতাংশ। অর্থাৎ গ্রাহককে ১৮ থেকে ২০ শতাংশ সুদ পরিশোধ করতে হতো। সেই ১৮ থেকে ২০ শতাংশ থেকে বর্তমানে সুদের হার এক অংকের সংখ্যায় নামিয়ে আনা হয়। পূর্ববর্তী প্রায় চল্লিশ বছর এ দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে ঐ পরিমাণ সুদ প্রদান করতে হতো।

২০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনের ব্যাংক এখন ৫০০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধন নিয়ে চলছে। এই পরিশোধিত মূলধন ব্যাংক মালিকরা নিজেদের পকেট থেকে প্রদান করেন না। ব্যাংক কর্তৃক লভ্যাংশকে রিজার্ভ হিসেবে সংরক্ষণ করে মূলধনে রূপান্তরিত করা হয়। দীর্ঘকালের ব্যবসায়ী সমাজের দাবি এবং অর্থনীতিবিদদের পরিষ্কার মতামতের ভিত্তিতেই সরকার সিঙ্গেল ডিজিট ইন্টারেস্ট নামিয়ে এনেছে। ব্যাংকগুলোর অভ্যন্তরীণ বেতন কাঠামো বাংলাদেশের যে কোন শিল্পের চেয়ে বহুগুণ বেশি।

উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা কী পরিমাণে বেতন পান তা এ দেশের অন্যান্য খাতে কর্মরত মানুষ ধারণাই করতে পারবেন না। বেতনের বাইরে ট্যাক্স কার্ড করার জন্য রয়েছে হাজারো রকমের সুযোগ-সুবিধা। ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ অন্যান্য উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা বছরে কোটি টাকার উপরে শুধুমাত্র বেতন খাতে আয় করেন। এর ফলে বাংলাদেশ ভারী শিল্পে বিনিয়োগ অত্যন্ত ধীর গতিতে হচ্ছে। গত ২০ বছরে নানাভাবে বেশ কিছু ভারী শিল্প তৈরি হয়েছে। এখনো আমাদের আরও বহু পথ চলতে বাকি।

ব্যাংক কর্মকর্তাদের বেতনের পরিধি এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছে যে সাম্প্রতিক কালের বহুল আলোচিত অভিনেত্রীর গাড়ির সঙ্গে দেশীয় ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর নাম জড়িত রয়েছে যদিও এ বিষয়ে বিশ্বাসযোগ্যতা সন্দেহাতীত নয়, তারপরও এই ব্যাংক কর্মকর্তাদের আর্থিক সক্ষমতা ওই পর্যায়ে পৌঁছেছে দেখেই এই ধরনের প্রচারণা সামনে চলে আসে। আবার এই প্রথম জেনারেশনের অনেকগুলো ব্যাংকে নানান আর্থিক দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে সমাজে নানান ঘটনার জন্ম দিচ্ছে।

কিছুকাল আগেই এইরকম একটি ফার্স্ট জেনারেশন ব্যাংকের পরিচালকবৃন্দ অন্য আরেকটি ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করার জন্য সেই ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ডেপুটি ব্যবস্থানা পরিচালকে গুলি করে হত্যার হুমকি প্রদান করেন। পরিণতিতে দেশ ত্যাগ এবং শেষপর্যন্ত সমঝোতা চুক্তি। শুধু এই ঘটনা না, এ ধরনের আরো অনেক ব্যাংকের মধ্যেই এ রকমের নানান দুর্নীতির লুকিয়ে আছে ।

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক বেসিক এবং আরো দু-একটি ব্যাংকে এমন নানান ইতিহাস ছড়িয়ে পড়েছে গত এক দশকে।এমনকি পূর্ববর্তী ব্যাংকিং অর্ডিন্যান্স আইন পাল্টে এখন ব্যাংকগুলোকে পারিবারিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করা হয়েছে।

প্রথমদিকের ব্যাংক পরিচালনা আইনের মধ্যে বলা ছিল ২৫ শতাংশের বেশি কোনো শেয়ার কোনো পরিবারের মধ্যে থাকবে না, কিংবা ৬ বছরের বেশি সময় কোন পরিষদের সভাপতি অথবা পরিচালক থাকা যাবে না, এ বিষয়গুলোকে এখন তুলে দেওয়া হয়েছে, ফলে ব্যাংক সমূহ দেশের বিকল্প রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছে।

সরকার ব্যাংকের সুদের উপর লাগাম টেনে ধরে একটা লম্বা সময় দিয়ে বললেন, নয় শতাংশের উপরে কোন সুদ ধার্য করা যাবে না। কোভিড- ১৯ দেশে প্রচন্ড অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টি করেছে। নতুন কোনো বিনিয়োগ হচ্ছে না। ফলে বাজারের তারল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। তারল্য বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথেই ব্যাংকগুলো আমানতকারীদের সুদের হার দ্রুত কমাতে লাগলেন এবং ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নিয়ে আসলেন। আমানতের সুদ যদি দেশের মুদ্রাস্ফীতির নিচে হয় তাহলে তা একটি ভয়ঙ্কর আত্মঘাতী পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে।

সরকার বললেন, আমানতের সুদের হার ৫ শতাংশের নিচে নামানো যাবে না। সরকারের মুদ্রাব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণকারী বাংলাদেশ ব্যাংক ঠিক কত শতাংশ বলেছে তা এই মুহূর্তে সুস্পষ্ট নয়। কারণ দেশে বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতির হার ৫.৫৭ শতাংশ যদি আমানতের ন্যূনতম মূল্য হয় তাহলে আমানতকারীদের আর বিনিয়োগকারীদের মাঝখানে শতাংশ হারে ৩.৪৩ আর যদি তা ৫ শতাংশ ধরা হয় তাহলে প্রায় চার শতাংশ। পৃথিবীর যে কোন উন্নত দেশ বিনিয়োগকারীদের জন্য ব্যাংকের সুদের হার এর থেকে বেশি নয়। যদিও সে ক্ষেত্রে আমানতকারীরা আরও কম উপার্জন করেন।

সরকার অবসরপ্রাপ্ত মানুষের জন্য জাতীয় সঞ্চয়পত্রে নানা ধরনের ব্যবস্থা রেখেছেন। যারা মূলত অবসর জীবন পার করেন। ব্যাংকের উপরে জামানতের বিপক্ষে সেদিকে তাদের খুব বড় ধরনের ঝুঁকি নাই। তারপরেও সরকার সুদের হার টেনে ধরার চেষ্টা করল। বলা হলো, ব্যাংকগুলো লোকসানের মুখোমুখি হবে। আমরা এখন পর্যন্ত জানতে পেরেছি ওয়ান ব্যাংকের নাম, যে ব্যাংকের মালিকরা তার কর্মচারী, কর্মকর্তাদের বেতন কর্তন করেছে। যদিও তারা উচ্চহারের লভ্যাংশ গ্রহণ করেছে।

অন্য কোনো ব্যাংক তাদের কর্মচারী কর্মকর্তাদের বেতন কর্তন করেছে কিনা তা এখনও পরিষ্কার নয়। দেশে লকডাউন থাকা অবস্থায়ও শিল্প-কারখানার সমস্ত উৎপাদন ব্যবস্থা চালু থাকা সত্ত্বেও এই ব্যাংকগুলো তাদের সুদের হারে কোন তারতম্য ঘটায়নি। শিল্প কারখানাগুলোর তাদের শ্রমিকদের বেতন প্রদান করতে হয়েছে। সরকার গার্মেন্টস-টেক্সটাইল খাতসহ অন্যান্য খাতে যে প্রণোদনা প্রদান করেছেন তা কিন্তু ফেরত দিতে হবে। শিল্পকারখানা সমূহকে কেবলমাত্র ৪ শতাংশ সুদ সরকার বহন করবে বাকি ৪ শতাংশ শিল্প মালিককেই বহন করতে হবে।

যতক্ষণ পর্যন্ত ব্যাংকগুলো নিজস্ব সংকোচন নীতি গ্রহণ না করছে ততক্ষণ পর্যন্ত ব্যাংকের আয়-ব্যয়ের উপরে একটি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা উচিত। অতীতে দেখেছি, বহু ব্যাংক তাদের বাৎসরিক মিটিংয়ের জন্য বিদেশে ফাইভ স্টার হোটেল ভাড়া করে সেখানে যেতেন। মালয়েশিয়া-সিঙ্গাপুরসহ নানা বড় বড় শহরে তাদের ম্যানেজমেন্ট মিটিং করেছেন, বোর্ড মিটিং করেছেন। দেশের প্রথম সারির অনেকগুলো ব্যাংক এ ধরনের আচরণ করেছেন। ব্যাংক-বীমার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা কখনো এ বিষয়ে কোনো আপত্তি তুলেছে কিনা তা আমাদের জানা নেই।

সে কারণে সরকারের বর্তমান পদক্ষেপ অত্যন্ত সঠিক রাস্তায় পরিচালিত হচ্ছে। আমানতের সুদ এবং বিনিয়োগের মধ্যে সর্বোচ্চ তিন শতাংশের বেশি থাকা উচিত না। তাহলেই কেবল মাত্র তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং নিজেদের উপর লাগাম টানতে পারবে। ২০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনের ব্যাংক হাজার কোটি টাকা প্রফিট করে। এই প্রফিট খতিয়ে দেখা না হলে খেলাপি ঋণের হদিস মিলবে না। কেবল শিল্প কারখানাগুলোকে ঋণখেলাপির অভিযোগের বোঝা বহন করতে হবে।

12/08/2021

জ্ঞান এবং প্রজ্ঞার মাঝে পার্থক্য আছে। জ্ঞান বলতে বুঝায় কোনো কিছু সম্পর্কে সম্যক ধারণা করার মতো শক্তি বা বোধশক্তি। প্রজ্ঞা বলতে বুঝায় জ্ঞানকে হৃদয়ঙ্গম করে, নিজের অভিজ্ঞতা দ্বারা এর সুফলকে, বাস্তবে প্রয়োগ করার মতো শক্তি।

🙅‍♀️কখনই হাল ছাড়া যাবে না,,,,❗সুস্মিতা সেন, মিস ইউনিভার্স ১৯৯৪।     ভারতের সর্বপ্রথম মিস ইউনিভার্স। কিন্তু আপনি কি জানে...
05/08/2021

🙅‍♀️কখনই হাল ছাড়া যাবে না,,,,❗

সুস্মিতা সেন, মিস ইউনিভার্স ১৯৯৪।

ভারতের সর্বপ্রথম মিস ইউনিভার্স। কিন্তু আপনি কি জানেন যে তিনি মিস ইন্ডিয়া থেকে তার নাম ফিরিয়ে নিতে চেয়েছিলেন?

💁‍♀️কেন জানতে চান,,,,❓

⚡সুস্মিতা সেন যখন জানতে পারলেন যে মিস ঐশ্বরিয়া এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন তিনি তার ফর্ম ফিরিয়ে নিতে চেয়েছিলেন। কেবল সুস্মিতা সেনই নয়, প্রায় ২৫ জন মেয়ে তাদের ফর্মগুলি ফিরিয়ে নিয়ে যায় এটা জানার সাথে সাথে যে অংশগ্রহণ কারীদের মধ্যে একজন হলেন "ঐশ্বরিয়া রাই"।

⚡সুস্মিতা সেনের মা তাকে এ কাজের জন্য বকা দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন যে তিনি চেষ্টা না করে পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছেন।

⚡তার মা বলেছিলেন, ঠিক আছে, তাকে জিততে দাও। সে যদি বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর হয় তবে তার কাছে হেরে যাও। অন্য কারও কাছে হেরে লাভ কী❓

👉🏽যাও তুমি তোমার সেরা শট দিয়ে আসো।

⚡তিনি পরের দিন শেষ তার ফর্ম জমা দিয়েছিলেন। ঐশ্বর্যই সমস্ত প্রিলিমস জিতেছিলেন এবং এ কারণেই তিনি নিশ্চিত হয়েছিলেন যে তিনি প্রতিযোগিতায় হেরে যাবেন।

⚡প্রথম রানার-আপ হিসাবে যখন ঐশ্বরিয়ার নাম ঘোষণা করা হয়েছিল, তখন সুস্মিতা কাঁদতে শুরু করেছিলেন, এই ভেবে যে তিনি রানার্সআপেও জায়গা করে নিতে পারেননি।

⚡কিন্তু যখন তার নামটি বিজয়ী হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছিল, তখন তিনি নিজেকে বিশ্বাস করাতে পারছিলেন না।

⚡আমরা কখনই জানি না আপনার জন্য কি অপেক্ষা করছে। নিজের উপর বিশ্বাস রাখা দরকার। জয়ী হই বা হেরে যাই তাতে কিছুই যায় আসে না তবে চেষ্টা না করে পরাজয় কখনই মেনে নেওয়া যাবে না।

⚡সত্যি বলতে আমরা জীবনে হারার আগে হার মেনে বসে থাকি। নিজের উপর কনফিডেন্স রেখে যদি আমরা একটু চেষ্টা করি তাহলে আমরা নিশ্চয়ই সফলতা পাব।

Address

Dr Tota Road
Madaripur

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801913774188

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when avasbangla.org posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share