16/08/2024
🇲🇾 মালয়েশিয়ার জনশক্তি রপ্তানির খাতে দুর্নীতির একটি
সংক্ষিপ্ত বিবরণী -
🇧🇩 বাংলাদেশ সরকারের বিএমইটি (BMET) খরচ ৫,৪০০ টাকা যেখানে সিন্ডিকেট করে ওরা নিয়েছে ১,৫২,০০০ টাকা।
👉 ২০০৬-২০০৮ এ কোনো মেডিকেল বাধ্যতামূলক ছিলো
না, তবে ২০২২ এ মেডিকেল এর স্লিপ (মাইগ্রাম)।
👉 ৩০০০ - ৩৫০০ টাকা ও মেডিকেল ফি,
৮,০০০ টাকা করে নিয়েছে।
- মোট প্রায় ২০,০০,০০০ মেডিকেল করিয়েছে আর লোক গিয়েছে ৪,৭৪,০০০ এর মত, তবে ভিসা মেনপাওয়ার হবার পরও যেতে পারে নাই প্রায় ৫০,০০০ লোক এই সংখ্যা নিয়ে মত পার্থক্য রয়েছে সিন্ডিকেটের সদস্যরা সংখ্যা আরো কম বলছে।
👉 সর্বস্ব হারিয়ে ৫,০০,০০০ থেকে ৬,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ করে গরিব কর্মিরা এক রকম মানবেতর জীবনযাপন করলেও সরকারের তেমন কোনো পদক্ষেপ ছিলোনা।
👉 সিন্ডিকেটকে টাকা ফেরত দিতে আদেশ দিলেও তারা ৭০,০০০ টাকা বা তারও কম টাকা কিছু লোককে ফেরত দিয়েছে।
- যেখানে সরকারি মেনপাওয়ার করতে খরচ হয়েছে ৫,৪০০ টাকা। কিন্তু নিয়েছে ১ লক্ষ ৫২ হাজার টাকা।
👉 কেন নিয়েছে
👉 কি কারনে নিয়েছে
👉 কাদেরকে টাকাটা দিয়েছে
আমরা সাধারণ জনগণ জানতে চাই।।।
- শুধুমাত্র মেডিকেল ও সিন্ডিকেট ভিসা প্রসেসিং বাবদ প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা এই চক্র হাতিয়ে নিয়েছে এবং টাকা পাচার করেছে।
চক্রের মূল বাংলাদেশ অংশে রুহুল আমিন স্বপন কেথারসিস ইন্টারন্যাশনাল এর মালিক সাথে আছে
👉 সালমান এফ রহমান,
👉 লোটাস কামাল,
👉 বেনজির আহমেদ,
👉 নিজাম হাজারি,
👉 লে:জে: মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী,
👉 আলাউদ্দিন চৌধুরী নাসিম,
👉 কাজি মফিজুর রহমান,
👉 আবুল বাশার,
👉 সাবেক মন্ত্রী ইমরান আহমেদ ও
👉 সচিব মুনিরুছ সালেহীন সহ অনেকে।
NB: [এই সিন্ডিকেশনে যুক্ত আছে ১০০ লাইসেন্সের মালিক]
🇲🇾 আর মালয়েশিয়া অংশে বাংলাদেশ বংশভ্রুত আমিন নূর (দাতো শ্রী আমিন), প্রক্তন মন্ত্রী এম সারাভানান সহ অনেকে।
📱 এই সিন্ডিকেট পরিচালিত হয়েছে একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে যার নাম এফডব্লিউসিএমএস ( FWCMS- Foreign Workers Centralized Management System)।
যা মালয়শিয়া সরকার অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করে তবে,এই সফটওয়্যার সার্ভিস প্রভাইডার কোম্পানি বেস্টিনেট এসডিএন বিএইচডি এর মালিকানায় রয়েছে আমিন নূর ও রুহুল আমিন স্বপন।
👉 যারা বাংলাদেশ সরকারের মাধ্যমে সম্পাদিত দু'দেশের সরকার মাঝে এমওইউ ( MOU) তে দেশের স্বার্থের বিরোধী কিছু স্বর্ত জুড়ে দিয়ে বাংলাদেশের এজেন্সির সিলেকশনের প্রক্রিয়া মালয়শিয়ার কতৃপক্ষের কাছে তুলে দেয়।
যাহা মালয়েশিয়ার সরকার অন্য কোনো দেশের ক্ষেত্রে করে না/ পূর্বে কখনো করেনি।।
বর্তমান প্রধান উপদেষ্টা কাছে আকুল আবেদন/ নিবেদন করছি -
👉 যেহেতু সালমান এফ রহমানসহ অনেকেই আপনাদের অধীনে আছে জিজ্ঞাসা করুন ভালোভাবে তদন্ত করুন এই টাকা কোথায় পাচার হয়েছে ? কে কে করেছে ??
তাদের উপযুক্ত বিচার সহ এদের লাইসেন্স ক্যান্সেল করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা/ পদক্ষেপ নিতে মর্জি হয়।।
[ বিগত সরকারের আমলে হজ্জে দুর্নীতির কারণে অলরেডি ৫০ টি লাইসেন্স বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্যান্সেল সহ তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করেছেন ]।
NB: [এই সিন্ডিকেশনে যুক্ত আছে ১০০ লাইসেন্সের মালিক]