21/04/2026
ওয়ানস্টপ সেবার মাধ্যমে আগামী ২৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ ৩৫ জন ইপিএস প্রার্থীর ফ্লাইট সংক্রান্ত নোটিশ:
ফ্লাইটের ধরণ: শিডিউল ফ্লাইট (ভায়া ব্যাংকক)
কর্মীর ধরণ: জেনারেল।
দক্ষিণ কোরিয়া প্রবেশ: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ ৩৫ জন, সোমবার।
সংশ্লিষ্ট সকলকে অবশ্যই প্রদত্ত নোটিশ পড়ে বর্ণিত কার্যাদি অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এর সন্নিকটে উত্তরায় নির্ধারিত হোটেলে অবস্থান করে নির্ধারিত প্রশিক্ষণসহ ওয়ান স্টপ সেবা গ্রহণের লক্ষ্যে নিম্নবর্ণিত কার্যাদি গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো:
১। HRD-Korea থেকে নিম্নবর্ণিত ৩৫ জন প্রার্থী আগামী ২৭ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ দক্ষিণ কোরিয়ায় গমন করবে সংক্রান্ত ইমেইল পাওয়া গিয়েছে। সেমতে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের বোয়েসেল থেকে বার্তা প্রেরণ করা হবে/হয়েছে;
২। আগামী ২৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ বৃহস্পতিবার বিকেল ৩ টা থেকে ৪ টার মধ্যে নিম্নবর্ণিত হোটেলে উপস্থিত হয়ে নির্ধারিত মেডিকেল সেন্টারের প্রতিনিধি কর্তৃক সিফিলিস টেস্ট সম্পন্ন করতে হবে। সিফিলিস টেস্টে কেউ পজিটিভ শনাক্ত হলে হোটেলে অবস্থান করা যাবে না। প্রয়োজনীয় টেস্ট-এর সময় প্রার্থীর ৩ (তিন) কপি রঙিন পাসপোর্টের কপি, ছবি এবং লেবার কন্ট্রাক্ট সঙ্গে রাখতে হবে;
৩। ফ্লাইটের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় লাগেজ ও সামগ্রী সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে। শীত নিবারণের প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিতে হবে (প্রায় সময় কোরিয়ায় প্রচন্ড শীত থাকে)। প্রার্থী চাইলে হোটেলে অবস্থানকালীন প্রয়োজনীয় খাদ্য দ্রব্য এবং ট্রানজিটকালীন সময়ে অল্প পরিমান শুকনো খাবার যেমন খেজুর ও বিস্কিট সঙ্গে রাখতে পারবেন। তবে লাগেজে কোনো ধরনের খাদ্য দ্রব্য, মসলা, সকল প্রকার তামাক জাতীয় দ্রব্য, বডি স্প্রে, আতর, প্রেসক্রিপসন ব্যতীত কোন প্রকার ওষুধ ইত্যাদি সঙ্গে রাখা যাবে না;
৪। লাগেজের সাইজ ২৫-২৭ ইঞ্চি (মিডিয়াম) এবং ওজন সর্বোচ্চ ২৩ কেজি এবং হ্যান্ড লাগেজের সাইজ ২১ ইঞ্চি (মিডিয়াম) সর্বোচ্চ ৭ কেজি (নমুনা সংযুক্ত);
৫। দি রিপাবলিক অব কোরিয়া (দক্ষিণ কোরিয়া) হতে নির্ধারিত কোম্পানির অধীন চাকরির জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়ে দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছি, আমি নিয়োগকর্তা কর্তৃক অটোরিলিজ ব্যতীত তুচ্ছ কারণে এক বছরের মধ্যে কর্মস্থল পরিবর্তন করব না বা রিলিজ নিবো না বা অন্য কোম্পানিতে চাকরির জন্য চুক্তিবদ্ধ হব না এবং চাকরি/ভিসার মেয়াদ সম্পন্ন শেষে দক্ষিণ কোরিয়াতে অবৈধভাবে অবস্থান করব না এবং তুচ্ছ কারণে নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ/মামলা করবো না মর্মে প্রত্যেক কর্মী থেকে ৩০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা প্রদান করতে হবে;
৬। উক্ত অঙ্গিকারনামা প্রার্থীর অভিভাবক (বাবা /মা /ভাই /বোন /স্ত্রী) স্বাক্ষর করতে হবে। বিধায় হোটেলে প্রবেশের দিন অভিভাবক সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে এবং অবশ্যই অভিভাবকের ছবি, জন্ম নিবন্ধন/জাতীয় পরিচয়পত্র জমা দিতে হবে।
৭। নির্ধারিত প্রশিক্ষণ গ্রহণের লক্ষ্যে প্রার্থীদের জুম অ্যাপস উপযোগী নিজস্ব মোবাইলে ইন্সটল করে জুম ক্লাস গ্রহণের জন্য প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দেয়া হলো। জুম ক্লাসের সময় অবশ্যই একটি নোটবুক/ডায়েরী এবং কলম সঙ্গে রাখতে হবে।
উল্লেখ্য যে, দক্ষিণ কোরিয়ায় সুশৃঙ্খলভাবে গমনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের জনসমাগম এড়িয়ে চলারও পরামর্শ দেয়া হলো। তাছাড়া ইপিএসকে আরও শক্তিশালীকরণ এবং নির্ধারিত কোটা পূরণের লক্ষ্যে নিম্নবর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে বর্ণিত প্রার্থী থেকে অঙ্গীকারনামা গ্রহণ করা হবে:
ক) বাংলাদেশে হোটেলে থাকা অবস্থায় হোটেলের নিয়ম-নীতি অনুসরণ এবং নির্ধারিত রুম থেকে কোনো অবস্থায় বের হবো না;
খ) কোনো ধরণের খাদ্য দ্রব্য ও বীজ ল্যাগেজ/বিমান-এ বহন করবো না;
গ) ফেইস মাস্ক পরিধান করবো;
ঘ) ট্রানজিটের ক্ষেত্রে দুই বিমান বন্দরে খাদ্য গ্রহণ ও ধূমপান থেকে বিরত থাকবো;
ঙ) দক্ষিণ কোরিয়াতে এয়ারপোর্ট ও কোরিয়ার নির্ধারিত প্রশিক্ষণে অন্যান্য বিষয়ে অভিযোগ করা থেকে বিরত থাকবো;
চ) বোয়েসেল কর্তৃক নির্ধারিত গ্রুপ লিডারকে অনুসরণ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল নিশ্চিত করবো;
ছ) এইচআরডি কোরিয়া ও বোয়েসেল-এর নির্ধারিত নিয়মনীতি বাধ্যতামূলকভাবে অনুসরণ করবো;
জ) একাধিক পাসপোর্ট থাকলে ফ্লাইটের সময় সবগুলো পাসপোর্ট অবশ্যই নিজের সাথে বহন করবো;
ঝ) রেজিস্টার্ড ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া কোন ঔষধ বহন করবো না;
ঞ) উল্লেখ্য যে, মাংস, মাংসজাত পণ্য, পশুজাত পণ্য, ডিমজাত পণ্য, দুগ্ধজাত পণ্য এবং সমস্ত উদ্ভিদজাত পণ্য বহন করলে যাচাইয়ের মাধ্যমে শনাক্ত করে বাজেয়াপ্ত করা হবে এবং জরিমানা সর্বনিম্ন ১ কোটি কোরিয়ান ওন পর্যন্ত (ইনচন বিমানবন্দর আঞ্চলিক সদর দপ্তর, কৃষি, খাদ্য ও গ্রামীণ বিষয়ক মন্ত্রণালয় দক্ষিণ কোরিয়া)।
উপর্যুক্ত শর্তে রাজি এবং নির্ধারিত টেস্টে রেজাল্ট ইতিবাচক হলে আগামী ২৭ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ ৩৫ জন ইপিএস কর্মী দক্ষিণ কোরিয়ায় গমন করবে। প্রার্থীর সুবিধার্থে হোটেলে থাকা অবস্থায় ইপিএস কর্মী থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ টিকিট ফি গ্রহণ করবেন।
হোটেলের নাম:
Hotel Serial No: 01 (A)
Serial No: 01 to 12
Hotel Silver Paradise
House 03, Road 13/D, Sector 06, (Near North City
Corporation Office Front Side) Uttara, Dhaka –1230,
MOBILE: +88 01701 522109
Hotel Serial No: 02 (B)
Serial No: 13 to 22
City Homes Hotel
House # 4, Road # 13/B, Sector # 6, Uttara, Dhaka-1230,
MOBILE: +88 01701 522109
Hotel Serial No: 03 (C)
Serial No: 23 to 35
Sea Shell Hotel
House - 09, Road - 13, Sector - 10,
Uttara-Dhaka-1230 (Beside Uttara Sluice Gate Bus Stand)
MOBILE: +88 01701 522109
প্রার্থীরদের রেফারেন্স নম্বর, নাম ও জন্ম তারিখ:
1 31478 SAKIL FAHIM 2003/04/15
2 31479 ALI MD YOUSUF 1998/11/28
3 31480 ASADUZZAMAN MD 1996/01/21
4 31492 HOSSAIN MD IMRAN 1999/04/17
5 31497 KHAN MD RHIDOY 1995/07/25
6 31499 ALI MD MARUF 2001/10/10
7 31501 SAIMUN ARIFUL HOSSAIN 2003/05/03
8 31502 ALI MD SOJOL 2005/02/10
9 31504 KHAN MUNNA 2003/01/01
10 31511 HOSSAIN MD MOHSIN 10/17/1997
11 31518 RUBEL MD 1999/08/16
12 31519 MORTUJA MD MASRAFI BIN 2003/08/13
13 31520 RANA MD SHOHEL 2004/08/15
14 31521 ANIK MD AZHARUL ISLAM 2004/01/25
15 31526 FARUK OMAR 1999/04/26
16 31529 HOSSAIN MD LAXMAN 2004/01/03
17 31535 RAYHAN HABIBUR RAHMAN 2000/11/10
18 31536 ROY NAYON 2000/07/11
19 31538 ALI MD HAZRAT 1997/08/24
20 31540 AKASH MD 2003/12/15
21 31541 HOWLADER SAGOR 1998/06/05
22 31542 BISWAS SAJIB 1998/06/26
23 31544 MIAH MOHAMMAD SUJAN 1997/03/05
24 31546 ANIK SAJJAD HOSSAIN 2001/08/23
25 31547 ALI MD MOBAROK 2000/01/08
26 31550 BHUIYAN MD SABBIR 2000/12/01
27 31562 ISLAM MD EUSUF 2003/01/02
28 31566 NOYON TANIM AHAMMED 2003/12/01
29 31567 GAIN SABUJ 2002/11/15
30 31572 HASAN MD MEHEDI 2004/12/21
31 31573 HOSSEN MD BIPLOB 2001/10/06
32 31574 BISWAS OVIJIT 2004/10/14
33 31599 KHOLIL IBRAHIM 1999/01/26
34 31600 SHAIKH ANIK 1999/12/05
35 31601 RAKIB ABDUL 2000/01/31
হোটেলে অবস্থানের মাধ্যমে ওয়ানস্টপ সেবা প্রদানের কারণ:
বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন ২০১৩ অনুযায়ী অভিবাসন প্রত্যাশী কর্মীগণের বিদেশ গমনের প্রয়োজনে ৩ দিনের প্রাক-বহির্গমন ওরিয়েন্টেশন (PDO) সম্পন্ন বাধ্যতামূলক। তাছাড়া বোয়েসেল পরিচালনা পর্ষদের ২৬০তম সভার সিদ্ধান্ত ও এইচআরডি কোরিয়া কর্তৃক নির্ধারিত কারিকুলাম অনুযায়ী ইপিএস কর্মীদের ফ্লাইটের পূর্বে ৩ দিন ব্যাপী ২০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। কোভিড অতিমারির পূর্বে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীগণ বোয়েসেল অফিসে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হয়ে উক্ত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে থাকে।
কোভিড অতিমারিকালীন কোভিড রোধকল্পে ২০২১ সালে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সঙ্গনিরোধ অবস্থায় উক্ত প্রশিক্ষণ ভার্চুয়াল প্লাট ফর্মে প্রদান করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় ইপিএস কর্মীদের ফ্লাইটের পূর্বে ৭ দিন হোটেলে অবস্থান নিশ্চিত করে ভার্চুয়াল প্লাট ফর্মে নির্ধারিত প্রশিক্ষণ প্রদান, নির্ধারিত হোটেলে মেডিকেল সেন্টার কর্তৃক সিফিলিস ও ভিডিআরএল টেস্ট, এয়ারলাইন্স কর্তৃক হোটেল থেকে নির্ধারিত এয়ার টিকিট ফি গ্রহণ, অঙ্গীকারনামা গ্রহণ, পাসপোর্ট, টিকিট, ভিসা, নির্ধারিত নেইম ট্যাগ বিতরণ, ই-অ্যারাইভাল কার্ড ও কিউ কোড গ্রহণ, বোয়েসেল পক্ষ হতে কোরিয়ান নিয়োগকর্তাকে ক্রেস্ট প্রদান এবং বহির্গমন কার্যাদিসহ প্রয়োজনীয় সেবা ওয়ান স্টপভাবে নিশ্চিত করা হচ্ছে। তাছাড়া এইচআরডি কোরিয়ার চাহিদা মোতাবেক ইপিএস কর্মীদের লাগেজ চেক করে নিষিদ্ধ খাদ্য দ্রব্য অপসারণ করে বোয়েসেল-এর ব্যবস্থাপনায় নির্ধারিত পরিবহনের মাধ্যমে হোটেল থেকে বিমান বন্দরে পৌঁছানো হয়ে থাকে।
ভার্চুয়াল প্লাট ফর্মে নির্ধারিত প্রশিক্ষণে মন্ত্রণালয়ের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা, বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, পুলিশের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা, মিশন অডিটের কর্মকর্তা, প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক/ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা, বাংলাদেশ দূতাবাস সিউলের কর্মকর্তা, কোরিয়ান নেটিভ, এইচআরডি কোরিয়ার প্রতিনিধি, কেবিজ এর প্রতিনিধি, দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রতিনিধিসহ বাংলাদেশে সফল ইপিএস কর্মী গেস্ট স্পিকার হিসেবে অনলাইনে প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকেন। কিন্তু বোয়েসেলে অফিসে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হলে উক্ত গেস্ট স্পিকারগণের মধ্যে অধিকাংশ গেস্ট স্পিকার পক্ষে সরাসরি ক্লাস নেওয়া সম্ভব হবে না।
কোভিড অতিমারির পর অর্থাৎ বর্তমান স্বাভাবিক অবস্থায় একজন ইপিএস কর্মী বোয়েসেল অফিসে উপস্থিত হয়ে ৩ দিনের নির্ধারিত প্রশিক্ষণ গ্রহণ ও ফ্লাইটের পূর্বে পাসপোর্ট-টিকিট-ভিসা-নির্ধারিত নেইম ট্যাগ গ্রহণ, প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা, এয়ারলাইন্স কর্তৃক নির্ধারিত এয়ার টিকিট ফি পরিশোধ, ট্রাভেল বীমার ফি পরিশোধ এবং বহির্গমন সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাদি নিজ উদ্যোগে সম্পন্ন করতে সময়ের অপচয়সহ অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হবে। এ সকল কারণে এইচআরডি কোরিয়া থেকে ইপিএস কর্মীদের চূড়ান্ত ফ্লাইটের তালিকা প্রাপ্তির পর উক্ত প্রার্থীদের ফ্লাইটের লক্ষ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এর সন্নিকটে উত্তরায় নির্ধারিত হোটেলে ৩ দিন অবস্থান করে বর্ণিত কার্যাদি সম্পন্ন করার পর দক্ষিণ কোরিয়ায় গমন নিশ্চিত করা হচ্ছে। এতে একজন কর্মীর খাওয়া থাকাসহ ব্যয় হচ্ছে দৈনিক তিন হাজার টাকা। ফলে ইপিএস কর্মী ৩ দিনের নির্ধারিত প্রশিক্ষণ, বহির্গমন সংক্রান্ত সকল সেবা ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা হোটেল থেকে গ্রহণ করে নির্ধারিত পরিবহনের মাধ্যমে বিমান বন্দরে পৌছানোর পর বর্হিগমন সম্পন্ন করে নিরাপদে দক্ষিণ কোরিয়া গমন করে।