Nazibur Rahman Hanif

Call Directions Contact the business

Nazibur Rahman Hanif Social Activities
Education
Training
Employment
Entrepreneurship Tutor/Teacher

বাবা, ভালোবাসার  নামবাবা একজন মানুষ।বাবা নিজের সব চাওয়া–পাওয়া, স্বপ্নগুলো এক পাশে সরিয়ে রেখে ছেলে-মেয়ের জন্য ভবিষ্যতের ...
30/08/2026

বাবা, ভালোবাসার নাম

বাবা একজন মানুষ।
বাবা নিজের সব চাওয়া–পাওয়া, স্বপ্নগুলো এক পাশে সরিয়ে রেখে ছেলে-মেয়ের জন্য ভবিষ্যতের ভিত গড়ে তোলেন। যিনি দিনের পর দিন পুরনো জামা পরে থাকেন, যাতে সন্তানের স্কুলে নতুন পোশাক হয়। অফিস থেকে ফিরে ক্লান্ত মুখেও আমাদের এক চিলতে হাসির জন্য অপেক্ষায় থাকেন।

শৈশবের স্মৃতিগুলোতে বাবার উপস্থিতি যেন এক নিঃশব্দ ছায়া। সময়ের সাথে সেই সম্পর্কটাও বদলে গেছে—ব্যস্ততা এসে আমাদের আবদ্ধ করেছে। তবু বাবার ভালোবাসা ঠিক আগের মতোই আছে—নিরব, নিঃস্বার্থ, বিশাল।

স্মৃতির ভাঁজে না বলা ভালোবাসার এক নাম—বাবা
আমাদের জীবনে কিছু সম্পর্ক এমন থাকে, যেগুলো কেবল অনুভব করার জন্য—বোঝার জন্য। প্রকাশ করার নয়। ‘বাবা’—এই শব্দটি নিঃশব্দ অথচ পাহাড়সম ভালোবাসার নাম।

আমরা ‘মা’ বলেই কাঁদি, মাকে জড়িয়ে ধরি, তার কাছে যত আবদার। অথচ বাবার সামনে দাঁড়ালে বুকের ভেতরটা কেমন টনটন করে ওঠে। হয়তো সেটা ভয় নয়, সম্মান। নয়তো এমন এক ভালোবাসা—যার ভাষা আমরা কোনোদিন শিখিনি।

মা তার ভালোবাসা নিয়ে যতটা প্রকাশ্য, বাবা ততটাই গোপন ভালোবাসার নাম। তিনি না বলেই বলে দেন হাজারটা কথা—চাহনিতে, স্পর্শে, নির্ভরতায়। দূরে থেকেও তিনি কেমন করে যেন আমাদের ছায়া হয়ে পাশে থাকেন, প্রতিনিয়ত।

হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলে তিনি কোনো আদুরে ভাষা ব্যবহার করেন না। শুধু বলেন, “চল, আবার উঠে দাঁড়া।” এই একটি বাক্যেই যেন সমস্ত সাহস ঢুকে যায় শরীরজুড়ে।

বাবা কতদিন হেঁটে বাসায় ফিরেছেন—শুধু কোচিংয়ের ফি জোগাড় করতে। কখনো বলেননি, “আমি কষ্টে আছি।” তার জীবনজুড়ে শুধু ছিল আমাদের জন্য নিঃশব্দ ত্যাগ। আমার বাবাকে কোনোদিন “ভালোবাসি” বলা হয়নি। বলা হয়নি, “তুমি না থাকলে আমি, আমি হয়ে উঠতাম না।”

অথচ আমার প্রতিটি অর্জনের পেছনে যতটা না আমার শ্রম, তার চেয়েও বেশি ছিল তার ছেড়ে দেওয়া সুযোগ, তার জমানো কষ্ট, তাঁর সীমাহীন ধৈর্য।

বাবার বয়স বেড়েছে, শরীর ক্লান্ত, অসুস্থ। জানি, তিনি চান আমরা সন্তানেরা তার চোখের সামনেই থাকি। আমাদের দেখে তিনি সাহস পান। কিন্তু আমরা—এই যান্ত্রিক জীবনে সময় বের করতে পারি না, কথা বলতে পারি না, পাশে দাঁড়াতে পারি না।

অনেক সময় মনে হয়—সময়টাকে যদি একটু পেছনে নিতে পারতাম! যদি আর একবার বলতে পারতাম— “বাবা, আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি।”

যাদের বাবা এখনো জীবিত আছেন, দয়া করে দেরি করবেন না। হয়তো তিনি আবেগ দেখান না, খুব বেশি কথা বলেন না। তবু জানবেন, তার বুকের ভেতর জমে থাকা ভালোবাসার পরিমাণ কোনোদিন কমেনি।

বাবারা আমাদের নায়ক। চোখে অদৃশ্য মাথার মুকুট, হাতে নিঃস্বার্থ ত্যাগের তালিকা, মুখে কঠিন অভিব্যক্তি, আর বুকে জমে থাকা গভীর ভালোবাসা। তারা কখনো নিজের গল্প বলেন না। তাদের গর্ব—শুধু আমাদের এগিয়ে চলা।

বাবা-মাকে ভালোবাসার জন্য কোনো দিনের প্রয়োজন হয় না। ভালোবাসা উচিত প্রতিদিন, প্রতিমুহূর্তে। তবু এই দিনটি হোক উপলক্ষ—একটু থেমে স্মৃতি হাতড়ে দেখার, কিছু না বলা কথা বলার, পুরনো ছবি খুলে চোখ ভেজানোর। বুকের কাছে "বাবা" নামটা টেনে এনে বলার— “তুমি না থাকলে, আমি আমি হয়ে উঠতাম না।”

যাদের বাবা নেই, তাদের কাছে দিনটি হয়তো ভারী। তবু বিশ্বাস রাখুন, তার ছায়া, তার শিক্ষা, তার আদর্শ এখনো আপনাকে আগলে রেখেছে। প্রতিদিন হোক হৃদয়ে ‘বাবা’ নামক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা আর কৃতজ্ঞতাকে নতুন করে জড়িয়ে ধরার দিন।

ছোটবেলায় বাবার কাঁধে বসে আকাশের দিকে তাকিয়ে ভাবতাম, হয়তো ওটাই আমার গন্তব্য। আজ বুঝি, সেই আকাশে পৌঁছানোর সিঁড়িটিও ছিল আমার বাবা নিজেই। তার কাঁধ ছিল আমার সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়।

সেই মানুষটা কতবার ভোর হওয়ার আগেই ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গেছেন। আমার জ্বর হলে রাতভর বিছানার পাশে বসে থেকেছেন—একবারও বলেননি “ভয় পেয়েছি”। তবু চোখের কোণে জমে থাকা ক্লান্তির রেখা সে কথাই বলে দিত।

বাবা কে ফুলের ভালবাসা

মসজিদ আল মুস্তফা বাংলাদেশের ঢাকা শহরে মাদানি এভিনিউ সড়কে অবস্থিত একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদ মসজিদ আল মুস্তফা।অবস্থান: মাদান...
24/08/2026

মসজিদ আল মুস্তফা

বাংলাদেশের ঢাকা শহরে মাদানি এভিনিউ সড়কে অবস্থিত একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদ মসজিদ আল মুস্তফা।

অবস্থান: মাদানী এভিনিউ, ভাটারা, ঢাকা, বাংলাদেশ
ধারণক্ষমতা: প্রায় ১১,০০০ জন

মসজিদটি রাজধানীর ১০০ ফিটে মাদানি এভিনিউয়ে ইউনাইটেড সিটিতে অবস্থিত। ইউনাইটেড ইউনিভার্সিটির প্রবেশমুখে মসজিদটির অবস্থান। মসজিদের একদিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, অপরদিকে ইউনাইটেড প্রকল্প।

বৈশিষ্ট্য:
পবিত্র কাবার আদলে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে। দেখলে মনে হবে মসজিদটির নির্মাণ কাঠামোতে কাবা শরিফের ছোঁয়া লেগে আছে। চোখধাঁধানো এ মসজিদের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো, সামনের দিকে কালো রংয়ের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে পবিত্র কাবার আকৃতি।

দেয়ালে সোনালী রং দিয়ে লেখা হয়েছে আল্লাহর নাম এবং তার প্রিয় বান্দা শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নাম। এর সৌন্দর্য দূর থেকেই অবলোকন করা যায়। মসজিদের ভেতরে মিম্বরের দেয়ালের ডিজাইনও একই। ওপরের দিকে বড় করে সোনালী রং দিয়ে লেখা হয়েছে- লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সা.)। নামাজের কাতারে বেশ কয়েকটি বেঞ্চ রাখা হয়েছে। যা অন্যকোন মসজিদে দেখা যায় না। কেউ ক্লান্ত হলে বসতে পারেন। আবার কেউ হেলানও দিতে পারেন। পাঁচতলা বিশিষ্ট এ মসজিদে আলাদা কোনো জানালা নেই। এমনভাবে নকশা করা হয়েছে, যা প্রাকৃতিক আলোয় ভরপুর।

মসজিদ আল মোস্তফার প্রতিটি ফ্লোর থেকেই ইমাম-খতিবকে দেখা যায়। শুধু তাই নয়, নারীদের জন্য রয়েছে আলাদা নামাজের জায়গা। পুরুষ-নারী মিলিয়ে একসঙ্গে প্রায় ১১ হাজার মানুষ নামাজ আদায় করতে পারেন।

নান্দনিক ডিজাইনের কারণে এটি এখন শুধুমাত্র মসজিদ নয়, পরিণত হয়েছে পর্যটন কেন্দ্রে। দেশের বিভিন্ন এলাকার বিপুল সংখ্যক মানুষ প্রতিদিন দেখতে আসেন এ মসজিদের অপরূপ সৌন্দর্য। মসজিদের চারপাশে চারটি খেজুর গাছ লাগানো হয়েছে। যার কোনোটিতে খেজুরও দেখা যায়। রয়েছে চোখজুড়ানো পানির ফোয়ারা। দর্শনার্থীরা বিমোহিত হয় এর গঠন কাঠামো আর চারপাশের সবুজেঘেরা প্রকৃতির ছোঁয়ায়। মসজিদ আল মোস্তফায় রয়েছে দুটি চলন্ত সিড়ি।

লাগানো হয়েছে চমৎকার ঝাড় বাতি। যা এখনও চালু হয়নি। চীন থেকে আনা হয়েছে মেঝেতে বিছানোর কার্পেট। লাগানো হয়েছে উন্নত মানের সাউন্ড সিস্টেম। সেন্ট্রাল এয়ার কন্ডিশনের মাধ্যমে শীতল রাখা হয় মসজিদ। আকর্ষণীয় করে তৈরি করা হয়েছে মসজিদের অজুখানা। যেখানে রয়েছে বেশ কয়েকটি বেসিন। যারা গাড়ি নিয়ে নামাজে আসেন তাদের জন্য রয়েছে স্বস্তি। কারণ মসজিদের নিচে বিশাল পার্কিংয়ে ১০৫টি গাড়ি রাখা যায়। জনশ্রুতি রয়েছে, মসজিদ আল মোস্তফার নির্মাণ খরচ তিনশ’ কোটি টাকার বেশি।

সুউচ্চ বিশেষ ধরনের একটি গম্বুজ রয়েছে। যার রং সোনালী। গম্বুজ ও পাশে থাকা বিশাল উচ্চতার মিনারের কাজ এখনও শেষ হয়নি। গম্বুজ ও মিনারটি মসজিদের সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। রাতে যখন মসজিদের সব বাতি জ্বলে ওঠে, তখন তৈরি হয় বিমুগ্ধ এক অপার্থিব পরিবেশ।
যে পরিবেশ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে সৎ পথে চলতে, সততা আর বিবেক দিয়ে নতুন জীবন গড়তে।

23/08/2026
14/08/2026

দরূদে ইব্রাহিম
اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلٰى مُحَمَّدٍ وَّعَلٰى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلٰى إِبْرَاهِيْمَ وَعَلٰى آلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ، اَللّٰهُمَّ بَارِكْ عَلٰى مُحَمَّدٍ وَّعَلٰى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلٰى إِبْرَاهِيْمَ وَعَلٰى آلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ

আল্লাহুম্মা সাল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া ‘আলা আ-লি মুহাম্মাদিন কামা সাল্লাইতা ‘আলা ইবরাহীমা ওয়া ‘আলা আ-লি ইবরাহীমা, ইন্নাকা হামিদুম মাজীদ। আল্লাহুম্মা বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া ‘আলা আ-লি মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা ‘আলা ইবরাহীমা ওয়া ‘আলা আ-লি ইবরাহীমা, ইন্নাকা হামিদুম মাজীদ।

অর্থ:

হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মদ (ﷺ)-এর উপর এবং তাঁর পরিবারবর্গের উপর রহমত বর্ষণ করুন, যেমন আপনি ইবরাহীম (আ.) এবং তাঁর পরিবারবর্গের উপর রহমত বর্ষণ করেছেন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বপ্রশংসিত, মহিমান্বিত।

হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মদ (ﷺ)-এর উপর এবং তাঁর পরিবারবর্গের উপর বরকত নাযিল করুন, যেমন আপনি ইবরাহীম (আ.) এবং তাঁর পরিবারবর্গের উপর বরকত নাযিল করেছেন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বপ্রশংসিত, মহিমান্বিত।

আজ সূর্যগ্রহণ
12/08/2026

আজ সূর্যগ্রহণ

কারওয়ান বাজার, ঢাকা
10/08/2026

কারওয়ান বাজার, ঢাকা

Address

Niketon
Dhaka
1212

Telephone

01783022899

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nazibur Rahman Hanif posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nazibur Rahman Hanif:

Shortcuts

Share