দুলা ভাই

দুলা ভাই পকেট মানি নিয়ে চিন্তিত? যোগ দিন দুলাভাই এ
(1)

26/11/2025

যেসব মেয়েকে দেখবেন খুব মায়া মায়া চেহারা,
আপনি ধরেই নিতে পারেন তারা প্রচুর মিথ্যা কথা বলে !

---হুমায়ূন আহমেদ

কত দেখতে পান?
21/11/2025

কত দেখতে পান?

20/11/2025
09/06/2025

বিয়ে একটা বংশগত রোগ! ইতিহাস ঘেঁটে দেখবেন যারা বিবাহিত, তাদের বাপ দাদারাও বিবাহিত!

ঈদের খুশি ছড়িয়ে পড়ুক সবার মনে,প্রেম আর ভ্রাতৃত্বে ভরে উঠুক এই জীবন।ঈদ মোবারক!দুলাভাই।
06/06/2025

ঈদের খুশি ছড়িয়ে পড়ুক সবার মনে,
প্রেম আর ভ্রাতৃত্বে ভরে উঠুক এই জীবন।
ঈদ মোবারক!
দুলাভাই।

কে লিখেছেন জানি না , কিন্তু অসাধারণ👐১. মা ৯ মাস বহন করে, বাবা ২৫ বছর ধরে বহন করেন, উভয়ই সমান , তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছ...
12/05/2025

কে লিখেছেন জানি না , কিন্তু অসাধারণ👐
১. মা ৯ মাস বহন করে, বাবা ২৫ বছর ধরে বহন করেন, উভয়ই সমান , তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না।
২. মা বিনা বেতনে সংসার চালায় ,বাবা তার সমস্ত বেতন সংসারের জন্য ব্যয় করেন , উভয়ের প্রচেষ্টাই সমান , তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন জানেন না ।
৩. মা আপনার যা ইচ্ছা তাই রান্না করে , বাবা আপনি যা চান তা কিনে দেন , তাদের উভয়ের ভালোবাসা সমান , তবে মায়ের ভালোবাসা উচ্চতর হিসেবে দেখানো হয়েছে । জানিনা কেন বাবা পিছিয়ে।
৪. ফোনে কথা বললে প্রথমে মায়ের সাথে কথা বলতে চান , কষ্ট পেলে মা বলে কাঁদেন । আপনার প্রয়োজন হলেই আপনি বাবাকে মনে রাখবেন , কিন্তু বাবা কি কখনো খারাপ লাগেনি যে আপনি তাকে অন্য সময় মনে রাখেন না ? ছেলে মেয়েদের কাছ থেকে ভালোবাসা পাওয়ার ক্ষেত্রে , প্রজন্মের জন্য, বাবা কেন পিছিয়ে আছে জানি না।
৫. আলমারি মরে যাবে রঙিন শাড়ি আমার বাচ্চাদের অনেক জামা কাপড় দিয়ে কিন্তু বাবার জামা খুব কম , নিজের প্রয়োজনে তোয়াক্কা করেন না, তারপরও জানেন না কেন বাবা পিছিয়ে আছেন।
৬. মায়ের অনেক সোনার অলংকার আছে, কিন্তু বাবার একটাই আংটি আছে যেটা তার বিয়ের সময় দেওয়া হয়েছিল। তবুও মা কম গহনা নিয়ে অভিযোগ করতে পারেন আর বাবা করেন না। তারপরও জানিনা বাবা কেন পিছিয়ে।
৭. বাবা সারা জীবন কঠোর পরিশ্রম করেন পরিবারের যত্ন নেওয়ার জন্য, কিন্তু স্বীকৃতি পাওয়ার কথা আসে , কেন জানি না সব সময় পিছিয়ে থাকেন।
৮. বাবা-মা যখন বুড়ো হয়ে যায় , তখন বাচ্চারা বলে , মা ঘরের কাজ দেখাশোনা করার জন্য অন্তত উপকারী , কিন্তু তারা বলে , বাবা অকেজো।
৯. বাবার পিছনের কারণ তিনি পরিবারের মেরুদন্ড । আর আমাদের মেরুদন্ডগুলো তো আমাদের শরীরে পিছনে । অথচ তার কারণেই আমরা নিজেদের মত করে দাঁড়াতে পারছি। সম্ভবত, এই কারণে তিনি পিছিয়ে আছেন...

ডিমের আড়তে গিয়ে বললাম,"এক ডজন হাঁসের ডিম দেন "কর্মচারী বললো,"আপা- ডিম তো হাঁসে পাড়ে না, হাঁসি পাড়ে " 😁ক্যাশে বসা মহা...
01/10/2024

ডিমের আড়তে গিয়ে বললাম,"এক ডজন হাঁসের ডিম দেন "
কর্মচারী বললো,"আপা- ডিম তো হাঁসে পাড়ে না, হাঁসি পাড়ে " 😁
ক্যাশে বসা মহাজন কর্মচারীকে ডেকে নিয়ে একটা থাপ্পর মেরে দিলো,,,, সামান্য এই কথাটার কারণে কর্মচারীর গায়ে হাত তোলা বিষয়টা মেনে নিতে পারলাম না 🤔
মহাজনকে বললাম,"কাজটা ঠিক করলেন না,কর্মচারীর কথায় আমি কিছু মনে করিনি " 🙄
মহাজন কোন কথা না বলে চুপ থাকলো 😌
আড়ত থেকে বের হতেই কর্মচারী ফিসফিস করে বললো, "আপা এই কারণে থাপ্পর মারেনি মারছে অন্য কারণে 😂
বললাম,"কারণ কি ??" 😶
আপা মহাজনের বউয়ের নাম "হাসিনা" 😒
উনি আদর করে "হাঁসি" ডাকে 😁
আমি যে বলছি "হাঁসি ডিম পাড়ে,
এই জন্য আমারে থাপ্পর মারছে "🥲

স্বামীকে পরীক্ষা করার জন‍্যে বাসর রাতে বলেছিলাম।"আমার বয়ফ্রেন্ড আছে।আপনি আমাকে স্পর্শ করবেন না। যদি করেন চিল্লাচিল্লি কর...
04/09/2024

স্বামীকে পরীক্ষা করার জন‍্যে বাসর রাতে বলেছিলাম।

"আমার বয়ফ্রেন্ড আছে।
আপনি আমাকে স্পর্শ করবেন না। যদি করেন চিল্লাচিল্লি করবো কিন্তু।"
"ওহ চিন্তা করবেন না। আমি আপনাকে কিচ্ছু করবোনা। আপনি ঘুমান?"
"স্বামীর কথায় বুজলাম আমার স্বামী সত্যি অনেক ভালো। তাই ভাবলাম ১/২ মাস তার সঙ্গে এমন করবো পরবর্তীতে সব খুলে বলবো।"
"সত‍্যি আপনি আমার কাছে আসবেন না। নাকি আমি ঘুমাইলে আসবেন।"
"নাহ কাছে যাবোনা।
আপনি ঘুমান।
স্বামীর কথায় বেশ খুশি হলাম এবং সঙ্গে-সঙ্গে ঘুমিয়ে গেলাম। পরের দিন সকাল বেলায় চিল্লাচিল্লির আওয়াজে আমার ঘুম ভেঙ্গে গেলো। তারা-তারি উঠে বাহিরে আসলাম।
এসেই দেখি আমার বাবা -মা চিল্লাচিল্লি করতেছে। তাদের কাছে গিয়ে জিঙ্গেস করলাম কী হয়েছে।
কথাটি বলার সঙ্গেই আমাকে ঠাসসস করে ২টি থা প্প ড় দিয়ে বলতেছে। কু/ত্তা/র বা চ্ছা অন‍্য
"কোথাও সম্পর্ক আছে আমাদের বলিসনি কেনো।
তোকে সেখানেই বিয়ে দিতাম।
কিন্তু তুই বিয়ের পরে এই কথা তোর স্বামী কে বললি কেনো"
"বলছি তো কি হয়েছে?"
"সে আজ তোকে সকাল বেলাই ডিভোর্স দিয়েছে। এইনে ডিভোর্স পেপার।"
কথাটি শোনা মাত্রই আমি সেখানে মাথা ঘুরে পড়ে যাই।
আসলেই আমাদের এমন কিছু করা যাবেনা। যার জন‍্যে পরবর্তীতে পস্তাতে হয়।
এই জন‍্যে হয়তো আল্লাহ্ বলেছে মি থ্যা কথা থেকে সব সময় দুরেই থাকো।

10/08/2024

আজ যে ভালোবাসাটি আপনি
ছাত্র-ছাত্রী ট্রাফিককে দিচ্ছেন, সেটা যেন পরবর্তীতেও ট্রাফিক পুলিশটি পায়।

চাকরির বেতনের টাকাটা যখন আমার স্বামী আসিফের হাতে তুলে দিলাম, সে টাকাটা গুণে আমার দিকে তাকিয়ে বললো,- “তুমি তো ৩০ হাজার টা...
01/08/2024

চাকরির বেতনের টাকাটা যখন আমার স্বামী আসিফের হাতে তুলে দিলাম, সে টাকাটা গুণে আমার দিকে তাকিয়ে বললো,
- “তুমি তো ৩০ হাজার টাকা বেতন পাও, এখানে তো দেখছি মাত্র ১০ হাজার টাকা!”
আমি বললাম- ১০ হাজার তোমাকে দিলাম, ১০ হাজার নিজের কাছে রাখলাম আর বাকি ১০ হাজার আমার বাবা-মায়ের জন্য।
আসিফ অবাক হয়ে বললো,
- “তোমার বাবা-মায়ের জন্য মানে! মেয়েকে বিয়ে দিয়েছে মানে মেয়ের উপর তাদের দায়িত্ব শেষ! আর স্বামীর বাড়ি পা রেখেছো মানে তোমারও তাদের উপর দায়িত্ব শেষ! আলাদা করে উনাদের প্রতিমাসে তোমার টাকা দিতে হবে না। দাও বাকি টাকাটা দাও!”
আমি বাবা-মায়ের জন্য যে টাকাটা আলাদা করে রেখেছিলাম, সেই টাকাটাও আসিফের হাতে তুলে দিলাম। আসিফ টাকাটা গুণে বললো
- “তোমার নিজের জন্য টাকা রাখতে হবে কেন? তোমার যা লাগে সবই তো আমি দিই!”
আসিফের কথার ধরণ দেখে বুঝতে পেরেছিলাম কি বুঝাতে চেয়েছে। আমি আমার জন্য রাখা টাকাটাও চুপচাপ তার হাতে দিয়ে দিলাম…
শ্বাশুড়িও কিছুটা তার ছেলে আসিফের মতোই। একদিন মার্কেট থেকে একই রঙের দুইটা শাড়ি এনে শ্বাশুড়িকে দেওয়ার পর শ্বাশুড়ি বললো,
- “বউমা, একই রঙের দুইটা শাড়ি এসেছো কেন? দুইটা দুই রকম আনতে?”
আমি বলেছিলাম- একটা আপনার জন্য, একটা আমার মায়ের জন্য।
সেদিন শ্বশুড়ি বিরক্ত হয়ে বলেছিল
- “তোমার আহ্লাদ দেখে বাঁচি না। মেয়ে মানুষের বিয়ের পর স্বামীর বাড়িই সব। এতো বাপের বাড়ির কথা চিন্তা করলে হবে?”
মাথা নিচু করে বলেছিলাম- ঠিক আছে, আর বাপের বাড়ির কথা চিন্তা করবো না!
পরদিন সকালে অফিস যাওয়ার সময় আসিফকে বললাম,
- আমাকে ভাড়া বাবদ ২০০ টাকা দিও। আর শোনো, বাসায় ফেরার সময় আমার জন্য নতুন দুই সেট ব্রা*-পেন্টি* নিয়ে এসো, আর হ্যাঁ ফার্মেসি থেকে এক প্যাকেট প্যাডও। ব্রা আনার সময় ভুল সাইজ এনো না কিন্তু! যদি আনো, তাহলে তোমারই আবার সেটা চেঞ্জ করে আনতে হবে।
কথার ধাক্কাটা হয়তো আসিফ নিতে পারেনি। তাই বোবা হয়ে গেলো! আমি মানিব্যাগ থেকে ২০০ টাকা নিয়ে অফিস চলে গেলাম…
অফিস থেকে ফেরার পর শ্বাশুড়ি একটা শাল দেখিয়ে বললো,
- “এটা রিনা (আমার ননদ) আমার জন্য কিনে পাঠিয়েছে। কেমন হয়েছে বউ মা?”
কিছুটা অবাক হয়ে বললাম
- রিনার তো বিয়ে হয়েছে। সে শ্বাশুড়ির জন্য শাল না কিনে কোন আক্কেলে আপনার জন্য কিনেছে বুঝলাম না! বিয়ের পর শ্বশুরবাড়িই মেয়েদের নিজের বাড়ি! জানি না রিনার এতো আহ্লাদ কেন? যা হোক, শালটা আমি নিয়ে গেলাম। পরে সময় মতো রিনার কাছে পাঠিয়ে দিবো! একথা বলে শ্বাশুড়ির গা থেকে শালটা খুলে নিজ রুমে চলে আসলাম…
কিছুক্ষণ পর আসিফ বাসায় ফিরলে তাকে জিজ্ঞেস করলাম,
- আমার জিনিস এনেছো?
আসিফ মুখ ভোঁতা করে বললো- “না, আনিনি!”
কিছুটা রেগে বললাম,
- আনো নি কেন? আমার পেট ব্যথা শুরু হয়েছে। একটু পর যখন পিরিয়ড শুরু হবে, তখন বিদেশ থেকে আনা এই দামী কম্বলে রক্তের দাগ লেগে গেলে সেটা কি ভালো লাগবে? আমার কথা শুনে আসিফ তাড়াতাড়ি রুম থেকে বের হয়ে গেলো…
কিছুক্ষণ পর এক প্যাকেট প্যাড এনে আমার হাতে দেওয়ার পর আমি বললাম
- বাকী জিনিস কোথায়?
আসিফ মাথা নিচু করে ১০ হাজার টাকা হাতে দিয়ে বললো
- “আজ থেকে তোমার জিনিস তুমিই কিনো। মেয়েদের সব জিনিস পুরুষ কিনতে পারে না!”
পরদিন বাবা বাসায় এসে আমার স্বামী-শ্বাশুড়ির সামনে আমাকে বললো,
- “মা, আমার বয়স হয়েছে। কখন কি হয় বলা যায় না। তুই তোর প্রাপ্য সম্পত্তিগুলো বুঝে নে।”
বাবার দিকে তাকিয়ে বললাম,
- কিসের সম্পত্তি বাবা? তুমি জানো না, মেয়েরা বিয়ের পরে পর হয়ে যায়? তুমি যেদিন আমায় বিয়ে দিয়েছো, সেদিনের পর থেকেই আমার প্রতি তোমার দায়িত্ব শেষ! আর আমি যখন শ্বশুরবাড়িতে পা রেখেছি, তখনই তোমার প্রতি আমার দায়িত্ব শেষ! আমার স্বামী-শ্বাশুড়ি আমাকে সেটাই শিখিয়েছে!
বাবা অবাক হয়ে বললো,
- “মা, এসব তুই কি বলছিস?”
আমি বললাম- ঠিক বলেছি বাবা, আমার কিছুই লাগবে না।
আসিফ আমতা আমতা করে আমাকে বললো,
- “তুমি আমাদের ভুল বুঝছো, বিষয়টা এমন না!”
শান্ত গলায় আসিফকে বললাম,
- তুমিই বলো বিষয়টা কেমন? আমার কি ইচ্ছে হতে পারে না, যে মানুষটা আমাকে এতো বড় করলো, পড়াশোনা শিখিয়ে যোগ্য পাত্রের সাথে বিয়েও দিলো, তার জন্য কিছু করতে? আজ আমি চাকরি করছি সবটা তো উনার জন্যই। উনি তো চাইলেই পারতেন উনার মেয়েকে পড়াশোনা না করাতে। আমার বিয়ে হয়ে গেছে বলে উনার প্রতি আমার সব দায়িত্ব শেষ হয়ে যাবে? মেয়ে বিয়ে দিলেই যদি বাবা-মায়ের দায়িত্ব শেষ হয়ে যেতো, তাহলে আমার বাবা এখানে আসতো না আমার প্রাপ্য আমাকে বুঝিয়ে দিতে।
আসিফ আর কোন কথা না বলে মাথা নিচু করে রইলো…
আমি তখন শ্বাশুড়িকে বললাম,
- এক মাকে ছেড়ে আরেক মায়ের কাছে এসেছি। আমার দুই-দুইটা মা! যে মেয়ের দুই-দুইটা মা, সে তো একটু আহ্লাদি হবেই। আমি এক মায়ের জন্য কিছু কিনবো, আরেক মায়ের জন্য কিনবো না, সেটা কিভাবে হয় মা, আপনিই বলুন?
শ্বাশুড়ি মাথা নিচু করে কাঁদতে লাগলো…
আসিফ আমার হাত ধরে বললো,
- “তুমি তোমার সম্পত্তি নাও কিংবা না নাও, এতে আমার বিন্দু পরিমাণ আপত্তি নেই। কিন্তু তুমি আমাকে কখনো ছেড়ে যেও না। আমি চাই তোমার সাথে থেকে হলেও আমার নিচঁ মন-মানসিকতার পরিবর্তন হোক।”
বাবা আমাদের এসব কথা শুনে অবাক হয়ে বললো- “মা রে, আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না!”
হেসে বললাম- তেমন কিছু না বাবা। একটু সমস্যা হয়েছিল, তোমার সামনেই সেটা সমাধান হয়ে গেলো।
শ্বাশুড়ির কাছে গিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরে বললাম
- আহারে সোনা, শালটা নিয়ে গেছি বলে কান্না করতে হবে না?
শ্বাশুড়ি আমার কান টেনে বললো,
- “ফাজিল মেয়ে, মায়ের সাথে ঢং করা হচ্ছে? শালের জন্য না, আমি আমার করা ভুলের জন্য, আর এক মেয়েকে বিয়ে দিয়ে আরেকটা মেয়ে পেয়েছি, সেই খুশিতে কান্না করছি।”
মানুষ কখনো ভুলের উর্ধ্বে নয়। সংসার জীবনে এমন সমস্যা হতেই পারে। আপনার প্রতিবাদের কৌশলটা শুধু একটু অন্য রকম হোক…

collected

রাতে মদ খেয়ে এসে ঘুমিয়েছিলাম। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি বিছানায় র*ক্তের দাগ স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে। এগুলো রক্ত কিনা তাও ঠিকভাব...
24/07/2024

রাতে মদ খেয়ে এসে ঘুমিয়েছিলাম। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি বিছানায় র*ক্তের দাগ স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে। এগুলো রক্ত কিনা তাও ঠিকভাবে বলতে পারছিনা। তাই হাতে নিয়ে পরিক্ষা করলাম। দেখলাম আসলেই তো র*ক্ত এগুলো। অবাক হলাম এখানে র*ক্ত কীভাবে আসলো?
হঠাৎ করে আমার বউ ওয়াশরুম থেকে চুল মুছতে মুছতে বেরিয়ে আসছে। বউয়ের মুখে মিষ্টি হাসি। বুঝলাম মদ খেয়ে বউকে খুশি করতে পারছি। আমি উঠতে চাইলাম তখন বউ আমার কাছে এসে বলল,
-- কি গো কোথায় যাচ্ছ?
-- ফ্রেশ হবো।
-- ফ্রেশ হতে হবে না। চলো আরেকবার হোক।
-- এহ, না।
এবার বউ আমাকে জড়িয়ে ধরে খুব শক্ত করে। তারপর তার ঠোঁট ডুবিয়ে দেয় আমার ঠোঁটে। 😘আমি উত্তেজিত হয়ে বউয়ের কাপড় খুলতে যাবো তখনই আমার গালে একটা থাপ্পড় অনুভব করলাম👋। চোখ খুলে তাকিয়ে দেখি আমার বন্ধু নিজের লুঙ্গি ধরে আছে। 😲
-- শালা তোকে কতবার বলছি মদ না খেতে। সব সময় মদ খেয়ে আমার উপর অত্যাচার করিস। আর একটু হলে তো আমার ইজ্জৎ শেষ হয়ে যেতো। থাক তুই আমি আর তোর সাথেই ঘুমবনা। 😴
-- আরে ভাই দাড়া আসলে একটা রোমান্টিক স্বপ্ন দেখছিলাম তো তাই এমন হইছে। 🥰
-- তোর রোমান্টিক স্বপ্নের গুল্লি মারি শালা। কতবার বলছি বিয়ে কর। তাও করিস না। 😇
-- মামা চল আরেকটু মদ খেয়ে আসি। 😱
-- না ভাই দরকার নেই। তোর মতো মাতালের সাথে থাকা আমার পক্ষে সম্ভব না আমি চল্লাম। 😇
আমি নেশায় থাকায় আর কিছু বললাম না। আবার ঘুমিয়ে পড়লাম।
সমাপ্ত।

গল্পের লেখক কে জানা নেই।এক ঘেয়ামির মধ্যেই একটু হাসি দরকার।ইচ্ছা থাকলেই সুখি হওয়া যায়।বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষ থেকেই আম...
20/07/2024

গল্পের লেখক কে জানা নেই।
এক ঘেয়ামির মধ্যেই একটু হাসি দরকার।
ইচ্ছা থাকলেই সুখি হওয়া যায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষ থেকেই আমার কাছের বান্ধবীদের মধ্যে একজন ছিলো সে। নাম বলার প্রয়োজন নেই। কথা বলতো খুব দ্রুত। যেন চুলায় ভাত বসিয়ে এসেছে। ভাত পুড়ে যাচ্ছে। এখনই উঠে দৌড় দিবে। তার কন্ঠ সুন্দর ছিল। এফ এম রেডিওর জকি হবার মতো কন্ঠ ছিলো।
আমার সাথে সে খোলামেলা কথা বলতো। তার কোন রাখঢাক ছিলো না। আমাকে সে একজন বেস্ট ফ্রেন্ড মনে করতো। কিন্তু আমি তাকে তা ভাবতাম না। সে প্রচুর প্রেম করে বেড়াতো। বেশিরভাগই ছিলো তার সিনিয়র। যাকেই ভালো লাগতো তার সাথে শুয়ে পড়তো। এ ব্যাপারে তার কোন আপত্তি ছিলো না। সে আমাকে বলতো 'প্রেম করি কি রোদে রোদে ঘুরার জন্য? না শুইলে হুদাই এগুলা কিসের প্রেম?!" তার কোন প্রেমই টিকতো না। এতেও তার কিচ্ছু আসে যায় না। ওয়েটিং লিস্ট থেকে আরেকজনকে ডেকে নিতো। আমি একদিন বললাম "তুই আমার সাথে প্রেম কর?" সে বললো " তুই বাচ্চা ছেলে। তোরে দেখলে আমার কাম জাগে না। ছোট ভাই, ছোট ভাই লাগে।" সে এমনই ছিলো। মুখের উপর সব বলে দিতো।
২য় বর্ষের পর থেকে তার সাথে আমার দেখা সাক্ষাত কমে যায়। মাঝে মধ্যে বিকেলে হলের সামনে কিংবা ক্লাস শেষে হলে ফেরার পথে দেখা হতো। দু এক মিনিট দাঁড়িয়ে কথা বলতাম। এ পর্যন্ত ই যোগাযোগ। তারপর বহুদিন তাকে আর ক্যাম্পাসে দেখি নি৷
অনার্সের ফাইনাল দেবার সময় একদিন তাকে ক্যাম্পাসে পাই। সে বিকেলের শাটল থেকে নেমে রিক্সায় করে, হলে যাচ্ছিল। আমি কাটাপাহাড় ধরে ঝুপড়ীর দিকে যাচ্ছিলাম। সে আমাকে ডাক দিলো। আমি তাকে চিনতে পারছিলাম না। বোরকা পরা, হিজাব, নেকাব লাগানো। সে নেকাব খুলে আমাকে বললো "চিনতে পারছিস?" আমি অবাক হলাম। এই পরিবর্তন কিভাবে? সে হাসছে। হলে না গিয়ে আমার সাথে ঝুপড়ীতে গেলো। চা সিগারেট নিয়ে আয়েশ করে বসলাম। "তোর এই অবস্থা কেন, ঘটনা কি?" সে বললো " আমার বিয়ে হয়ে গেছে কয়েকমাস আগে!" ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক টিচারের সাথে।" আমি বিস্মিত হলাম। তোর বিয়ে কেমনে হইল? প্রেম টেম করে লটকি'য়ে দিলি নাকি?" সে দ্রুত বলা শুরু করলো " আরে নাহ! এরেঞ্জ মেরেজ!" ব্যাটা আমার এক দূরসম্পর্কের মামার বন্ধু। আমাদের বাসায় একদিন আসছিলো। আমাকে দেখেই পছন্দ হয়ে গেছে। বিয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। রাজি হয়ে গেছি।" আমি জিজ্ঞাসা করলাম তর প্রেম টেম এগুলোর কি হইলো তাহলে?" ধুর! এসব প্রেম দিয়ে আমি কি করব। এগুলো টাইম পাস ছিলো। আজ সব অতীত!" বলেই সে হেসে উঠলো। তার হাসিও অনেক সুন্দর ছিলো। প্রেমে পড়ার মতোই। আমার হাতে সিগারেট দেখে বললো "দে সিগারেট দে। সিগারেট খাব!" তুই সিগারেট খাওয়া শুরু করলি কবে থেকে?" আরে কিসের সিগারেট খাই। এমনি বললাম। একটা ভাব চলে এসেছিল আর কি। বলেই আবার হাসছে।"
কিন্তু তুই বোরকা হিজাব এগুলো ধরলি কেন?" জামাই একটু হুজুর টাইপের বুঝছস! তবে আমারে খুব ভালোবাসে। ব্যাটা আবদার করে বলসে, তাই খুশি করার জন্য এগুলো পরি।" আমি এবার জিজ্ঞাসা করলাম "আচ্ছা, তোর আগের কাহিনি কি উনি জানেন? মানে, এই যে তোর শুয়া শুইয়ির যত কাহিনি!" সে এবার আরও জোড়ে হাসতে লাগলো। "শোন, কি হইছে! আমি তো বলেছি আমি ভার্জিন। ব্যাটা খুব খুশি হইসে। বাসর রাতে কিছু করতে দেই নাই। বলেছি আমাকে কয়েকটা দিন সময় দাও। একটু মানসিক প্রস্তুতি দরকার। আমি অপেক্ষা করছিলাম পিরিয়ডের জন্য। দু একদিন পর আমার পিরিয়ড শুরু হয়। পিরিয়ডের ৫ম দিনে ব্যাটারে বিছানায় আসতে দেই। রক্ত দেখে সে যে কি খুশি! ভাবসে সেই একটা ভার্জিন মেয়ে পাইসে! আমি আরও কান্নার ভাব নিয়েছি। বলদ ব্যাডা খুশিতে আমাকে জঁড়িয়ে ধরে আরও শান্তনা দেয়া শুরু করে দিলো!" এই বলে সে হাসতে হাসতে প্রায় বেঞ্চ ভেঙে মাটিতে পরে যায় যায় অবস্থা। আমি বললাম ঠিক ই আছে। তুই আসলে সুখী মানুষ। সে বললো, "হ রে, আসলেই আমি সুখী মানুষ। দোয়া করিস। সিগারেটটা এইবার আসলেই একটু দে। একটা টান দেই!"

Address

Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দুলা ভাই posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to দুলা ভাই:

Share