20/08/2026
নিজের অভিজ্ঞতা থেকে কথাগুলো লিখছি।
দূষিত কর্পোরেট কালচার দেখলে সময় নেন, নিজেকে তৈরি করেন এবং প্রফেশনাল হিজরতের নিয়ত করেন।
এমন কলুষিত যায়গায় জীবন তামাতামা হবে শুধু আপনার ক্যারিয়ার হবে না।
প্রতিবাদ করবেন না। নীরবে সয়ে জান আবুল হোসেনের কবিতার মতো:
"ঝিনুক নীরবে সহে যাও,
বুক ভরা বিষের বালি,
নীরবে মুক্তা ফলাও।"
সে মুক্তা তোমার মনের গহিনে ফলবে। ঐ মুক্তাই তোমাকে কর্পোরেটের শীর্ষে নিয়ে যাবে তোমাকে।
গেটের সিকিউরিটি, ফ্রন্ট ডেস্কের ছেলেটা/মেয়েটা, টি-বয়, গাড়ির ড্রাইভার অফিসের কোণায় ঝিম মেরে থাকা নিয়মিত বকা খাওয়া স্টাফটা, এমনকি পাশের ডেস্কে বসা কলিগটাও সিসি ক্যামেরার মত আপনাকে পর্যবেক্ষণ করছে।
অনেক কম্পানিতে এদের অনেকেই একাধিক চাকরি করে। বলতে পারেন "ফেলুদা" গোয়েন্দা সিরিজের কোনো চরিত্র।
মুখ ফসকে কিছু একটা বললে তা সাবমেরিন কেবল হয়ে মালিকের কানে পৌঁছাবে নানা রং-তামাশা মিশিয়ে এবং তোমার ক্যারিয়ার শেষ করে দেবে।
কথা বলার আগে ভেবে নিয়ো-এর পরিণাম কী হতে যাচ্ছে।
বাবার কাছে কাজী নজরুল ইসলামের অনুবাদে ওমর খৈয়ামের একটা রুবাই শিখেছিলাম:
"আমার কাছে শোন উপদেশ
কাউকে কভু বলিস নে,
মিথ্যে ধরায় কাউকে প্রাণের
বন্ধু মেনে চলিস নে।"