Un Tittle

Un Tittle বিভিন্ন ধরনের চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
(7)

বাংলাদেশের গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রির বিশ্বস্ত চাকরির আপডেট এখন এক ঠিকানায়। প্রতিদিন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, হট জব ও সঠিক তথ্য পেতে পেজে লাইক দিন। চাকরি পেতে ইনবক্স করুন, আপনার ক্যারিয়ার গড়ার পাশে আছি আমরা।

05/06/2025

🕌 ঈদুল আজহার অগ্রিম শুভেচ্ছা! 🐏 Un Tittle এর পক্ষ থেকে আজ জানাই পবিত্র ঈদুল আজহার অগ্রিম শুভেচ্ছা।

ত্যাগ, সংযম ও আত্মশুদ্ধির বার্তা নিয়ে আসুক এই ঈদ।
আল্লাহ্‌ আমাদের কুরবানি কবুল করুন এবং সবার জীবনে বয়ে আনুন শান্তি, ভালোবাসা ও রহমত।

আপনাকে ও আপনার পরিবারকে জানাই অগ্রিম ঈদ মোবারক।
🤲 ঈদের আনন্দ হোক সবার জন্য সমান।

#ঈদুল_আজহা #অগ্রিম_ঈদ_শুভেচ্ছা

---🌿 গল্পের নাম: "একজন মানুষ ছিল"🧍‍♂️ চরিত্র পরিচিতি:নাম: রাশেদুল ইসলাম রাশেদবয়স: ৪২পেশা: সরকারী অফিসের জুনিয়র কেরানী (ক...
01/06/2025

---

🌿 গল্পের নাম: "একজন মানুষ ছিল"

🧍‍♂️ চরিত্র পরিচিতি:

নাম: রাশেদুল ইসলাম রাশেদ

বয়স: ৪২

পেশা: সরকারী অফিসের জুনিয়র কেরানী (ক্লার্ক)

বাসস্থান: পুরান ঢাকার ভাড়া বাসায় থাকে

পরিবার: স্ত্রী, দুই সন্তান, মা

চরিত্র: সৎ, আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন, পরিশ্রমী, অল্পতে খুশি

---

🧬 গল্পের সারাংশ:

🕰️ ১. জীবনের শুরুতেই দায়

রাশেদ বড় ভাইয়ের মৃত্যুর পর পরিবার চালানোর দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেয় ক্লাস নাইনে পড়াকালীন। কলেজ পাশ করে একটা ছোট চাকরিতে ঢুকে যায়। নিজে স্বপ্ন দেখেনি—মা আর ছোট বোনের মুখের হাসিটাই তার একমাত্র স্বপ্ন হয়ে দাঁড়ায়।

> সে জানে, তার জীবন কল্পনা নয়, বাস্তবের টানাটানি।

---

🪙 ২. অল্প বেতনে বিশাল সংসার

১৫,০০০ টাকার বেতনে মাস চলে না—তবু চালায়।
ভাড়া, স্কুল ফিস, বাজার, ওষুধ, ইলেকট্রিক বিল... প্রতিমাসে শেষ সপ্তাহে তাকে ধার নিতে হয়।

> তবু সে ঘুষ নেয় না। সিস্টেমের বিপক্ষে না গিয়ে, নীতির পাশে থাকে।

---

📚 ৩. বাচ্চার স্কুলে বাবা ডেকে পাঠায়

স্কুল বলে, "আপনার ছেলে পরীক্ষার ফিস দেয়নি, তাই নাম্বার দিচ্ছি না।"
রাশেদ কিছু না বলে বাইরে এসে নিজের ফোন বন্ধ করে দেয়। রাতে স্ত্রীকে বলেনি কিছু, শুধু বলল,
"কাল অফিস থেকে একটু আগে বের হবো।"

পরের দিন এক পুরোনো বন্ধুর কাছে গিয়ে কিছু টাকা ধার করে—ছেলের সম্মানের দাম দেয়।

> এই ছোট ছোট অপমানকে বুকের মধ্যে চেপে রেখে সে বলে, “ভালো থাকলে তোরা, তাহলেই আমি শান্তি পাই।”

---

🧘‍♂️ ৪. বড় হওয়ার স্বপ্ন নয়, ছোট সুখের খোঁজে

বাড়ি কেনার চিন্তা করে না রাশেদ, শুধু ভাবে—
"বাচ্চাদের মানুষ করতে পারলে, আমি সফল।"

চিকিৎসা খরচের ভয়ে নিজের বুকের ব্যথা নিয়ে চুপ থাকে।
বন্ধুরা বিদেশ গেছে—বড় গাড়ি, বড় বাড়ি। কিন্তু রাশেদের তৃপ্তি—
বাড়ি ফিরে মেয়ের মুখে এক গ্লাস পানি আর ছেলের “আব্বু” ডাকা।

---

🥀 ৫. অদৃশ্য মানুষের গল্প

একদিন অফিসে নতুন বস তাকে ডাকে:
"আপনার ফাইল সবসময় সময়মতো, কোনো ভুল নেই। আপনি আমাদের পেছনের নায়ক।"
রাশেদ কিছু বলে না। বাড়ি ফিরে আয়নায় নিজেকে দেখে—
"এই আমি? হ্যাঁ, আমি একজন মানুষ। কেউ নায়ক বলুক না বলুক, আমি জানি, আমি হাল ছাড়িনি।”

---

🌻 উপসংহার:

> রাশেদের মতো মানুষদের গল্প কোনো হিরোর গল্প নয়—
এটি নীরব সংগ্রামের গল্প।
মধ্যবিত্ত মানে শুধু সীমাবদ্ধতা নয়, সেটি হলো "অসাধারণের ভিতরে লুকিয়ে থাকা সাধারণত্ব"।

ানুষ_ছিল #বাংলা_গল্প #জীবনের_গল্প #হারিয়ে_যাওয়া_মানুষ #অব্যক্ত_ভালোবাসা
#অনুভব #কষ্টের_গল্প #স্মৃতির_পাতা #হৃদয়ের_আলাপন #নিরব_ভালোবাসা
#ভুলে_যাওয়া_মানুষ #একটা_সময়_ছিল #একটি_গল্প #জীবনের_ডায়েরি
#ভালোবাসার_গল্প #চির_অপরিচিত #ভাঙা_মন #নষ্ট_সময় #স্মৃতিময়_গল্প
#গল্পের_মধ্যে_মানুষ #হারিয়ে_যাওয়া_দিন #জীবনের_ছায়া #অপ্রকাশিত_ভালোবাসা

📖 ধারাবাহিক উপন্যাস: কষ্টের জীবনপর্ব – ১"সকাল সাতটার সাইরেন"আকাশ তখনও ঠিকভাবে আলো ছড়ায়নি। চারদিকে অন্ধকারের আবছা পর্দা। ...
31/05/2025

📖 ধারাবাহিক উপন্যাস: কষ্টের জীবন

পর্ব – ১
"সকাল সাতটার সাইরেন"

আকাশ তখনও ঠিকভাবে আলো ছড়ায়নি। চারদিকে অন্ধকারের আবছা পর্দা। একটা পুরোনো টিনের চালের ঘরের কোণায় বসে মমতা তার মেয়ের চুল আঁচড়ে দিচ্ছিল। ছয় বছরের মেয়েটার নাম সুমি। ঘুমভাঙা চোখে সে তাকিয়ে ছিল মায়ের দিকে।

— “মা, আজ আবার ফ্যাক্টরিতে যাবা?”
— “হ্যাঁ মা, আজ না গেলে মাইনে কেটে নিবে।”

মমতা এক গার্মেন্টস শ্রমিক। ঢাকার মিরপুরে এক নামী পোশাক কারখানায় কাজ করে সে। স্বামী ছিল একদিন – রাজু। এখন শুধু স্মৃতি। কাজের সন্ধানে মালয়েশিয়া গিয়েছিল, তারপর আর কোনো খোঁজ নেই। তিন বছর হলো কোনো খবর নেই, কোনো টাকা পাঠায়নি।

মমতা প্রতিদিন ভোর ছ’টায় ঘুম থেকে ওঠে। ছোট্ট রান্নাঘরে চাল, ডাল, আলু — এই তিনটাই তার ভরসা। তারপর সুমি’কে একটা ছোট টিফিন দিয়ে পাশের বাসার খালার কাছে রেখে কারখানায় ছুটে যায়।

সাতটার আগে মেশিন চালু হয়। তার আগে হাজিরা দিতে না পারলে বকাঝকা নিশ্চিত। গায়ে শাড়ির পাড়ে ছেঁড়া, পায়ে পুরোনো চটি — তবু মমতা প্রতিদিন সময়মতো পৌঁছায়। কারণ ওইটুকুই তার জীবন চালানোর ভরসা।

আজকে লাইন ইনচার্জ চিৎকার করে উঠলেন—
— “এই মমতা! স্টিচিং এতো স্লো কেনো? আজই সেলফ রিভিউ!”
— “স্যার, হেড মেশিন টা একটু জ্যাম করছে… আমি তো ঠিক করার চেষ্টা করতেছি…”

উত্তর শেষ করার আগেই গালাগালি। অন্যদের সামনে অপমান। কিন্তু চোখের কোণে জমা জলটা সে গিলে নেয়। বেতন কাটা হবে এই ভয়ে মুখ খোলে না।

মাঝে মাঝে তার নিজের শরীরটাই বিদ্রোহ করে। কোমর ব্যথা, মাথা ঝিমঝিম করা, পায়ের নিচে জ্বালাপোড়া। কিন্তু ছুটি মানে বেতন কাটা। বেতন না পেলে ঘরভাড়া দেবে কিভাবে? চাল কিনবে কী করে?

বিরতিতে এক কাপ চা খেতে গিয়েছিল ক্যান্টিনে। আরেক সহকর্মী সেলিনা বললো —
— “তোর মেয়ে কত বড় হইছে রে! স্কুলে দেয় নাই?”
— “চেষ্টা করতেছি রে… কিন্তু বই, খাতা, ড্রেস কিনতে পারি নাই এখনো…”

চুপ করে বসে থাকে কিছুক্ষণ। তারপর আবার মেশিনের দিকে ফিরে যায়। কষ্টে বুকটা ভার হয়ে আসে, কিন্তু চোখের পানি কাউকে দেখতে দেয় না।

বিকেল পাঁচটায় কারখানা ছুটি। কিন্তু আজ আবার ওভারটাইম — রাত আটটা পর্যন্ত। অতিরিক্ত পয়সার লোভ নয়, দরকার। ওটা না পেলে সুমি’র নতুন জুতা হবে না।

রাত সাড়ে আটটায় বাসায় ফেরে মমতা। দরজা খুলেই ছোট্ট মেয়ে সুমি জড়িয়ে ধরে —
— “মা, আমি সারাদিন তোমারে মিস করছি…”
— “আমিও তোমারে মা…”

চোখে পানি চলে আসে মমতার। কিন্তু সুমি সেটা দেখে না — কারণ সে তখন মায়ের হাতে আনা ছোট্ট বিস্কুট প্যাকেটটা নিয়ে খুশিতে লাফাচ্ছে।

---

চলবে...?

🇧🇩 যদি ভালো লাগে কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন দ্বিতীয় পর্ব লিখবো। পরবর্তী পর্ব পড়তে পেইজটি লাইক দিন।

#গার্মেন্টস_শ্রমিক #শ্রমিক_অধিকার #কঠোর_পরিশ্রম #শ্রমিক_জীবন #গার্মেন্টস_কর্মী
#শ্রমিক_সচেতনতা #শ্রমিক_সংগ্রাম #গার্মেন্টস_শ্রমিক_জীবন #অদম্য_ইচ্ছাশক্তি
#গার্মেন্ট_ফ্যামিলি #শ্রমিক_অধিকার_নিরাপত্তা #মেহনতি_মানুষ #গার্মেন্ট_কর্মী
#জীবন_সংগ্রাম #শ্রমিক_পরিশ্রম #মেহনতি_কাজ #গার্মেন্ট_শ্রমিক_প্রেরণা
#গার্মেন্টস_শ্রমিক_অল্টারনেটিভ #পরিশ্রমের_ফল #অধিকার_সংগ্রাম #শ্রমিক_প্রতিনিধি
#গার্মেন্টস_কর্মী_সংগ্রাম #সমাজ_পরিবর্তন #শ্রমিক_সহযোগিতা #মোটিভেশন #জীবনের_সংগ্রাম

31/05/2025

সফল হওয়ার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ও মানসিকতা অনুসরণ করা প্রয়োজন। নিচে কিছু পরামর্শ দেওয়া হলো যা আপনাকে ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে সফল হতে সহায়তা করতে পারে:

১. একটি লক্ষ্য নির্ধারণ করুন

আপনি কী অর্জন করতে চান, সেটি স্পষ্ট করে ঠিক করুন।

লক্ষ্য ছোট হোক বা বড়, সেটি স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করলে আপনি সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে পারবেন।

২. পরিশ্রম এবং নিষ্ঠা

সৎভাবে ও পরিশ্রমের মাধ্যমে কাজ করুন। সফলতার কোনো শর্টকাট নেই।

নিয়মিত এবং ধারাবাহিকভাবে কাজ করলে সাফল্য ধরা দেবে।

৩. শিক্ষা এবং দক্ষতা বৃদ্ধি করুন

আপনার পেশাগত দক্ষতা বাড়ান (যেমন: নতুন মেশিন সম্পর্কে জানা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা ইত্যাদি)।

প্রযুক্তি ও ট্রেন্ড সম্পর্কে আপডেট থাকুন।

৪. ইচ্ছাশক্তি এবং ধৈর্য

প্রতিকূলতা আসবেই, কিন্তু ধৈর্য ধরে লেগে থাকলে সেগুলো পার করে যাওয়া সম্ভব।

নিজেকে বিশ্বাস করুন — আপনি পারবেন।

৫. ভালো সম্পর্ক তৈরি করুন

কর্মস্থলে সহকর্মীদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক গড়ুন।

সিনিয়রদের সম্মান দিন, জুনিয়রদের সাহায্য করুন।

৬. আত্মসমালোচনা ও উন্নয়ন

নিজেকে নিয়মিত মূল্যায়ন করুন।

আপনার দুর্বল দিকগুলো উন্নয়নের চেষ্টা করুন।

৭. সঠিক সময় ব্যবহার করুন

সময় নষ্ট না করে প্রতিটি মুহূর্তকে কাজে লাগান।

সময় ব্যবস্থাপনা একজন সফল মানুষের অন্যতম গুণ।

৮. আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন ও দোয়া করুন

নিয়মিত নামাজ পড়ুন ও সফলতার জন্য আল্লাহর কাছে সাহায্য চান।

মন থেকে দোয়া করলে আল্লাহ অবশ্যই কবুল করবেন।

#সফলতা #অনুপ্রেরণা #ইচ্ছাশক্তি #স্বপ্নপূরণ #সাফল্যের_পথ #কঠোর_পরিশ্রম
#মোটিভেশন #পরিশ্রমের_ফল #ধৈর্য #নিজেকে_জিতাও #লক্ষ্য #পরিবর্তন
#ইম্প্রুভ_ইউরসেলফ া_হোক_একদিন #বিশ্বাস #নিজেকে_বিশ্বাস_করুন
#সময়_এলে_সফলতা_আসবে #অদম্য_ইচ্ছা #বিপদের_মধ্যে_সুযোগ ীবন
#প্রেরণা #ইনস্পিরেশন #নেতৃত্ব #সময়কে_মূল্য_দিন #উন্নয়ন #জীবনের_উদ্দেশ্য

29/05/2025

গল্পের নাম: শেষ সুতোয় বাঁধা প্রেম

ঢাকার অদূরে একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এখানে আসে, কাজ করে, চলে যায়। সবার চোখে যেন একই রঙ—ঘাম আর ধুলোয় মিশে যাওয়া ক্লান্তি।

মেয়েটির নাম ছিল সুমাইয়া। সে কাজ করত সুইং অপারেটর হিসেবে। তার হাত এত নিখুঁত ছিল যে লাইন চিফ নিজেই মাঝে মাঝে এসে দেখে যেত তার কাজ।

ছেলেটির নাম ছিল সজিব। সে ছিল একেবারে নতুন, হেল্পার পদে কাজ শুরু করেছিল মাত্র কয়েক মাস হলো। সরল, হাসিখুশি, অন্যকে সাহায্য করতেই যেন তার আনন্দ।

প্রথম দেখা হয়েছিল ফ্যাক্টরির ডাইনিং-এ। সুমাইয়ার পানির বোতল পড়ে গিয়েছিল, আর সজিব সেটা তুলে দিয়েছিল।
সুমাইয়া একটু হেসে বলেছিল,
"থ্যাঙ্ক ইউ হেল্পার ভাই।"
সজিব মুচকি হেসে জবাব দিয়েছিল,
"আপনের জন্য হেল্প করতে কষ্ট লাগে না।"

তারপর আস্তে আস্তে বন্ধুত্ব। লাঞ্চ ব্রেকে একসাথে বসে খাওয়া, ছুটির পরে কিছুটা হাঁটা, সময় পেলে ছাদে গিয়ে বসে চুপচাপ আকাশ দেখা।
সজিব সবসময় বলত,
"তুমি শুধু কাপড় না, আমার জীবনটাকেও সুন্দর করে সেলাই করে দাও, সুমি।"

কিন্তু প্রেমটায় বাধা ছিল—বয়সের তফাৎ, পারিবারিক অবস্থা, ফ্যাক্টরির নিয়ম, আর সবচেয়ে বড় বাধা—ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা।

একদিন ফ্যাক্টরিতে হঠাৎ আগুন লেগে যায়। ভয়াবহ অবস্থা। সবার ছুটোছুটি, চিৎকার, ধোঁয়ায় কেউ কাউকে দেখতে পাচ্ছে না।

সুমাইয়া তখনই নিচের ফ্লোরে আটকে পড়ে।
সজিব তখনি বুঝে ফেলে—"সুমি ওখানে!"
বিনা দ্বিধায় সে দৌড়ে যায় ভিতরে। ধোঁয়ার মধ্যে খুঁজে খুঁজে বের করে সুমাইয়াকে।

সে চিৎকার করে,
"তুমি আগে যাও, আমি আসতেছি!"
সুমাইয়া কাঁদতে কাঁদতে বাইরে চলে আসে।

কিন্তু সজিব আর ফেরে না।

পরে উদ্ধারকর্মীরা তার নিথর দেহ খুঁজে পায় এক কোণে—হাত দিয়ে মুখ ঢেকে রেখেছিল, যেন কাউকে শেষবার রক্ষা করেছে।

29/05/2025

গল্পের নাম: সুতোয় গাঁথা জীবন

নূরজাহান বেগম। বয়স ত্রিশের কোটায়। সাভারের একটি গার্মেন্টস কারখানায় কাজ করেন সিনিয়র অপারেটর হিসেবে। প্রতিদিন ভোর ৫টায় ঘুম থেকে উঠে রান্না করে ছোট দুই সন্তানের জন্য টিফিন তৈরি করেন। তারপর স্বামী হেলালের জন্য একটা পাতলা রুটি আর ডাল দিয়ে ভাত রেখে বেরিয়ে যান ফ্যাক্টরিতে।

হেলাল আগে একটি প্রিন্টিং প্রেসে কাজ করত, এখন কাজ নেই অনেকদিন। চেষ্টাও কম করছে না, কিন্তু এই বাজারে কাজ পাওয়া যেন সোনার হরিণ।

নূরজাহান একাই চালিয়ে যাচ্ছে পুরো সংসার—বাসা ভাড়া, দুই ছেলের স্কুল ফি, বাজার খরচ, মায়ের ওষুধ, স্বামীর আত্মসম্মান বাঁচিয়ে খরচ দেওয়া—সব কিছু।

প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা মেশিনে বসে সেলাই করতে করতে হাত ব্যথা হয়ে যায়। মাঝে মাঝে কাটাও লাগে, কিন্তু ছুটি নেয় না, কারণ ছুটি মানে “না খাওয়ার দিন”।

মাস শেষে বেতন হাতে পেলেও খুশি হতে পারে না। প্রথমেই বাসা ভাড়া, তারপর দোকানির বাকি শোধ, বাচ্চার স্কুলের খরচ... কিছুই থাকে না নিজের জন্য।

একদিন বড় ছেলে স্কুল থেকে ফিরে বলে,
"মা, সবাই নতুন জুতা পরে স্কুলে আসে, আমার জুতা ছিঁড়ে গেছে।"
নূরজাহান মাথা নিচু করে বলে,
"এই মাসে বেতন পাইলেই দিবো, বুবু। একটু কষ্ট করো এই কয়দিন।"

রাতে স্বামী হেলাল পাশে এসে বলে,
"তুই অনেক কষ্ট করিস রে, নূর। আমিও আবার কিছু একটা করবো। তোর এই ত্যাগ আমি ভুলবো না।"

নূরজাহান চোখে জল নিয়ে বলে,
"এই সংসারটা তো একা টানার জন্য না, একসাথে টানলে তবেই টিকবে। আমি খালি চাই আমাদের ছেলেরা যেন আর গার্মেন্টসের ফ্লোরে না আসে, ওদের কপালে যেন অফিস থাকে।"

29/05/2025

গল্পের নাম: সুতোয় বাঁধা ভালোবাসা

ঢাকার আশুলিয়ার এক গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে কাজ করে রুমি। মেধাবী, চুপচাপ, আর নিজের কাজেই ব্যস্ত। প্রতিদিন সকাল আটটায় সময়মতো ফ্যাক্টরিতে এসে সে তার সেলাই মেশিন নিয়ে বসে যায়। তার নিখুঁত কাজের জন্য সুপারভাইজার সবসময়ই তার প্রশংসা করেন।

একদিন নতুন এক ছেলে জয়েন করে—নাম রিয়াজ। সে কাজ পায় মেইনটেন্যান্স ডিপার্টমেন্টে, সেলাই মেশিনগুলো ঠিক করা তার কাজ। প্রথম দিনেই তার সাথে দেখা হয় রুমির। রিয়াজ রুমির মেশিনে একটু সমস্যা দেখতে এসে হেসে বলে,
"আপনার মেশিনটা একটু নাজুক হয়ে গেছে, কিন্তু আপনি বেশ ভালোভাবে সামলাচ্ছেন।"

রুমি মুচকি হেসে মাথা নিচু করে বলে,
"ধন্যবাদ... আপনার ঠিক করা হলে তো কাজ আরও ভালো হবে।"

সেই থেকেই শুরু।

প্রতিদিন একটু একটু কথা। মাঝে মাঝে ক্যান্টিনে একসাথে চা খাওয়া। ছুটির পরে রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে ছোট ছোট গল্প। কাজের ফাঁকে একে অপরের দিকে চাওয়া-দেখা।

একদিন বিকেলে ছুটির পর রিয়াজ বলে,
"রুমি, তোমাকে কিছু বলি?"
রুমি একটু লজ্জা পেয়ে বলে, "কি?"
রিয়াজ একটু থেমে বলে,
"আমি তোমার চোখে খুব শান্তি পাই। তুমি খুব আপন মনে হয়।"

রুমি কিছু বলে না। শুধু একটা হালকা হাসি দিয়ে চলে যায়।

দিন যায়, মাস যায়। তাদের সম্পর্কটা নীরব একটা প্রেমে রূপ নেয়। একে অপরের প্রতি বিশ্বাস, সম্মান আর একটা নির্ভরতার জায়গা তৈরি হয়।

এক সন্ধ্যায় রিয়াজ রুমিকে নিয়ে যায় ফ্যাক্টরির পাশে একটা ছোট্ট পার্কে। হাতে একটা ছোট্ট গোলাপ আর চোখে সত্যিকারের ভালোবাসা।

সে বলে,
"রুমি, এই জীবনের সব অভাব, ক্লান্তি, পরিশ্রমের মাঝেও যদি তুমি আমার পাশে থাকো, তাহলে সব সহজ হয়ে যাবে। তুমি কি আমার হবে?"

রুমি চুপচাপ কিছুক্ষণ থেকে বলে,
"তোমার ভালোবাসা এতটাই সত্যি যে আমি না বলতে পারি

27/05/2025

সকলের উদ্দেশ্যে – সদ্য ডিপ্লোমা পাস করা তরুণদের জন্য চাকরির সুযোগ খুঁজছি!

প্রিয় বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা,
আমাদের চারপাশে অনেক তরুণ-তরুণী আছেন যারা সদ্য ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং (মেকানিক্যাল, ইলেকট্রিক্যাল, অটোমোবাইল বা অন্যান্য বিভাগ) শেষ করেছেন এবং এখন একটি ভাল প্রতিষ্ঠানে কাজ শুরু করার জন্য সুযোগ খুঁজছেন।

তারা সদ্য পাস করা হলেও অনেকেই ইতিমধ্যে ইন্টার্নশিপ বা হাতে-কলমে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তারা শিখতে আগ্রহী, পরিশ্রমী, দায়িত্বশীল এবং নিজেদের ক্যারিয়ার গড়ার জন্য প্রস্তুত।

যারা বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রি, ফ্যাক্টরি, গার্মেন্টস, পাওয়ার প্ল্যান্ট, বা ওয়ার্কশপে ট্রেইনি, অ্যাসিস্ট্যান্ট টেকনিশিয়ান, জুনিয়র ফিটার বা অপারেটর পদে লোক খুঁজছেন, অনুগ্রহ করে তাদের পাশে দাঁড়ান।

আপনার একটা সুযোগ হয়তো কারো জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।

যদি আপনার কোম্পানিতে কোনো শূন্যপদ থাকে বা কারো খোঁজ থাকে, তাহলে ইনবক্স করুন বা কমেন্টে জানান।

সবার সহযোগিতা কামনা করছি।

#চাকরি #ডিপ্লোমা_ইঞ্জিনিয়ার #নিয়োগ_সুযোগ

27/05/2025

তুমি কি মেকানিক্যাল, ইলেকট্রিক্যাল বা পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করে হতাশ?

চার বছর কষ্ট করে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশোনা শেষ করেছো।
ডিগ্রি আছে, স্বপ্ন আছে—কিন্তু চাকরি এখনো দূরের স্বপ্ন!
দিন যায়, রাত যায়—সিভি পাঠাও, কল আসে না।
বন্ধুরা চাকরি পাচ্ছে, অথচ তুমি এখনও শূন্য হাতে…

হাল ছেড়ো না ভাই!
তোমার মত হাজারো তরুণ এখন নতুন যুদ্ধে নেমেছে।
কেউ ফ্যাক্টরিতে, কেউ বিদেশে, কেউ নিজেই স্কিল ডেভেলপ করে
একটা একটা করে পথ তৈরি করছে।

তুমি শুধু সঠিক পথটা এখনো পাওনি।
আমরা সেই পথটা দেখাতে এসেছি!

এখানে তুমি পাবে—

বাস্তবমুখী গাইডলাইন

ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য হালনাগাদ স্কিল ট্র্যাক

দেশের ও বিদেশের চাকরির তথ্য

সিভি ও ইন্টারভিউ প্রস্তুতির সহায়তা

সফলদের বাস্তব গল্প

নিজেকে বদলাতে প্রস্তুত তো?
তাহলে এই পেজে Follow করে পাশে থাকো।
সততা, কৌশল আর প্রস্তুতি—এই তিনটাই তোমাকে এনে দেবে সেই কাঙ্ক্ষিত চাকরি।

আজ না হয় তোমার যাত্রা শুরু হোক!

26/05/2025

আপনি যদি সদ্য পড়াশোনা শেষ করে থাকেন এবং একটি গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে চাকুরির চিন্তা করেন তাহলে এই পেইজ আপনার জন্যই

26/05/2025

বাংলাদেশের গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রির বিশ্বস্ত চাকরির আপডেট এখন এক ঠিকানায়। প্রতিদিন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, হট জব ও সঠিক তথ্য পেতে পেজে লাইক দিন। চাকরি পেতে ইনবক্স করুন, আপনার ক্যারিয়ার গড়ার পাশে আছি আমরা।

16/10/2024

কাচা মরিচের কেজি কত টাকা কেউ বলতে পারেন?

Address

Savar
Dhaka
1341

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Un Tittle posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share