Euro Cv Service

Euro Cv Service We provide Canadian, European, and Australian resumes, cover letters, professional emails, and proper application submissions.

27/10/2025

আসসালামু আলাইকুম। সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আপাদত এই পেইজের সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। সুতরাং পরবর্তী আপডেট না দেয়া পর্যন্ত দয়া করে মেসেজ না দেয়ার অনুরোধ রইল।

🇪🇪 🇦🇺 🇨🇦 🇩🇪 এস্তোনিয়া, অস্ট্রেলিয়া,  কানাডা, জার্মানিতে জব রিলেটেড বিভিন্ন পেশায় ফ্রেশার এবং দক্ষ ওয়ার্কারদের জন্য রিজিউ...
04/12/2024

🇪🇪 🇦🇺 🇨🇦 🇩🇪 এস্তোনিয়া, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জার্মানিতে জব রিলেটেড বিভিন্ন পেশায় ফ্রেশার এবং দক্ষ ওয়ার্কারদের জন্য রিজিউম, কভার লেটার, প্রোফেশনাল ইমেইল রেডি করা হয়। Job Bank, Indeed, Seek, Glassdor সহ বিভিন্ন অথেনটিক ওয়েবসাইট থেকে জব রিলেটেড সকল আবেদন করিয়ে দেয়া হয়। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত লেখা গুলো পড়ার পর যদি আপনি মনে করেন সার্ভিসটি আপনার জন্য প্রকৃত অর্থেই প্রয়োজন কেবল তখনই আমাকে মেসেজ অথবা কল করতে পারেন WhatsApp +8801914223049.

🇪🇪 এস্তোনিয়া ইউরোপের একটি সেনজেন ভুক্ত ছোট এবং উন্নত দেশ। এখন থেকে Euro Cv Service এর মাধ্যমে এস্তোনিয়ার ডকুমেন্টস রেডি করা এবং আবেদন সাবমিট করা যাবে।

✌️✌️দুই মিনিট সময় থাকলে সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ে নিতে পাারেন, এর ফলে ভবিষ্যতে যে বড় ভুল আপনি করতে চেয়েছিলেন তা থেকে এখনই সাবধান হতে পারবেন।

‼️⚠️ ৬ লক্ষ টাকায় কানাডায় ওয়ার্কপারমিট ভিসা!! শুধু কি তাই, যাওয়ার আগে কোন টাকা লাগবে না, যাওয়ার পর প্রতি মাসের বেতন থেকে ভিসা খরচ কিস্তিতে পরিশোধ করার সুভিদা। এ ধরনের প্রতারনা, বানোয়াট এবং ভুয়া তথ্য থেকে নিজে দূরে থাকুন অন্যকে সতর্ক করুন।

👍 লোভনীয় ভুয়া বানোয়াট বিজ্ঞাপন দেখে আকৃষ্ট হয়ে ফাদে পড়ে অর্থ এবং সময় দুটোই নষ্ট করে শেষে হায় হায় করার চেয়ে নিজে নিজে আবেদন করুন করে যান কাজে দিবে। আপনার আবেদন সিলেক্ট হলে নিয়োগকারী ভিডিও কলে ইন্টারভিউ নিবে, পাস করলে অফার লেটার পাওয়া যাবে। তারপর ওয়ার্কপারমিট ভিসা পাওয়া সহজ হবে। এভাবে চান্স পেয়ে গেলে বিনা খরচে অর্থাৎ নিয়োগকর্তা সকল খরচ বহন করে। মনে রাখা জরুরি, কোন নিয়োগকর্তা কখনো টাকা চাইবে না, আবেদন করার পর যদি কেউ টাকা চায় তাহলে বুঝতে হবে সে প্রতারক।

🤔 যারা ভাবছেন ওমুক তমুক অফিস থেকে কয়েক লাখ টাকার মাধ্যমে কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার মত দেশে ওয়ার্ক পারমিটে যাবেন এমনকি যাওয়ার পরে টাকা পরিশোধ করবেন তারা এই ডিজিটাল যুগেও বোকার স্বর্গে বাস করছেন। মনে রাখবেন মধ্য প্রাচ্যের দেশ গুলোর মত নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, কানাডাতে টাকার বিনিময়ে রেডিমেড জব ভিসা পাওয়ার সিস্টেম খুবই কম, নাই বললেই চলে।

🌏 ইন্টারন্যাশনাল জব রিলেটেড ডকুমেন্টস বানানোর সুবাদে আমার কয়েক বছরের অভিজ্ঞতা থেকে শেয়ার করছি, এসব দেশে কাজের সুযোগ পেতে নিজের যোগ্যতা, দক্ষতা এবং এডুকেশনাল কোয়ালিফিকেশনই প্রধান ভূমিকা রাখে। ভাষাগত দক্ষতার ক্ষেত্রে অবশ্যই ইংলিশ জানা থাকতে হয়। Ielts করা থাকলে আরও ভালো হয়। যদি আপনার মধ্যে এই ধরনের গুণাবলি থাকে তাহলে উন্নত দেশে কাজের সুযোগ পেতে প্রাথমিকভাবে আপনি উপযুক্ত।

📩📨📧এরপর আসা যাক আবেদন প্রক্রিয়া কিভাবে শুরু করতে হয়ঃ

➤ সর্ব প্রথম আপনি যে পজিশনে আবেদন করতে ইচ্ছুক অথেনটিক ওয়েবসাইট থেকে ওই রিলেটেড সার্কোলার খুজে বের করে তাদের চাহিদা, কাজের ধরন, আবেদন করতে কি কি শর্ত এগুলো ভালো করে পড়ে মাথায় রাখতে হবে।

➤ এবার ওদের চাহিদার সাথে মিল রেখে স্ট্রংভার্ব ব্যবহার করে সিভি অথবা রিজিউম বানিয়ে নিতে হবে। আপনি দক্ষ ওয়ার্কার হয়ে থাকলে রিজিউমবা সিভি ক্রোনোলজিক্যাল অর্ডারে সাজাতে হবে। সিভি এবং রিজিউম দুইটি আলাদা ডকুমেন্টস। সিভিতে বাড়তি তথ্য থাকতে পারে কিন্তু রিজিউমেতে অতিরিক্ত তথ্য থাকবে না। কিছু দেশের নিয়োগকারীগন সিভি চায়, আবার কোন দেশে রিজিউম চেয়ে থাকে। যেমন অস্ট্রেলিয়া, কানাডায় রিজিউম প্রচলিত। সকল ডকুমেন্টস অবশ্যই নির্ভুল এবং Application Tracking System (ATS) friendly হতে হবে। ATC হচ্ছে এমন একটি রোবটিং সিস্টেম যা হাজার হাজার applications মুহূর্তেই পড়ে ফেলতে পারে এবং যে কোন ভুল ত্রুটি থাকলে তা ক্যাচ করে ওই আবেদন রিজেক্ট করে দেয়। যে Application গুলো ভুল ত্রুটি মুক্ত বা সঠিক থাকে ওগুলো নিয়োগকর্তার কাছে ফরোয়ার্ড করে।

➤ এরপর কভার লেটার রেডি করতে হবে এমনভাবে যে এত এত আবেদনের মধ্য থেকে নিয়োগকারী আপনাকেই কেন বেছে নিবে? আপনার মধ্যে কি আছে যা অন্যের মধ্যে নেই? কেনইবা আপনি উক্ত পজিশনের জন্য আইডিয়াল ফিট মনে করেন? উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রতি আপনার আগ্রহই বা কেমন ? আপনাকে তারা চাকরিতে নিয়োগ দিলে আপনি কিভাবে তাদের কোম্পানির উন্নতি করে দিবেন, কিভাবে তারা আপনার মাধ্যমে লাভবান হবে ? ইত্যাদি বিষয় মাথায় রেখে আপনার ব্যক্তিগত এবং ক্রিয়েটিভ চিন্তা ধারা ব্যবহার করে নিজের কভার লেটার নিজে প্রস্তুত করে নিন। প্যারাগ্রাফ অবশ্যই বেশি লম্বা করা যাবে না, এক পেইজের মধ্যে রেখে অল্প কথায় বেশি কিছু বোঝানোর চেষ্টা করতে হবে।

❌ কভার লেটার এমন একটি ডকুমেন্টস যা একটি নির্দিষ্ঠ পজিশন এবং প্রতিষ্ঠানের উপর ভিত্তি করে লিখতে হয় । অর্থাৎ কোন এক পজিশন বা প্রতিষ্ঠানের জন্য কভার লেটার রেডি করা হলে তা অন্য কোন পজিশন বা প্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যবহার করা যাবে না। প্রত্যেকবার ভিন্ন ভিন্ন পজিশন বা প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে হলে ওই পোস্ট এবং প্রতিষ্ঠানের সাথে মানানসই করে কভার লেটার তৈরি করতে হয়, একই কভার লেটার দিয়ে ভিন্ন বা একাধিক কোন আবেদন করা যায় না, অনেক গুলো এডিটিং বা কারেকশন সম্পন্ন করতে হয়।

🚫 মনে রাখবেন গুগল থেকে রোবট বা AI দিয়ে বানানো ডকুমেন্টস কখনোই ব্যবহার করবেন না, কেননা ওগুলো আপনার ইমোশন ফুটিয়ে তুলতে পারে না। নিয়োগকর্তারা এ ধরনের ডকুমেন্টস সহজে বুঝতে পারে ফলে আবেদন রিজেক্ট করে দেয়।

➤ প্রোফেশনাল ইমেইল কি ? অনেকেই আমাকে এই কমন প্রশ্ন করে থাকেন। আসলে এটা হচ্ছে এমন একটি বার্তা যা ইমেইলের মাধ্যমে কাউকে পাঠাতে হয়। মনে করুন আপনি অপরিচিত কোন সম্মানিত ব্যক্তি বরাবর আপনার ডকুমেন্টস যেমন, সিভি, কভার লেটার, এবং অন্যান্য ক্রেডিনসিয়াল ইমেইলে পাঠাতে চান, এই ক্ষেত্রে আপনাকে ইমেইলে পেশাদারভাবে অনুরোধ মূলক কিছু কথা লিখতে হবে। কেন সেই ব্যাক্তি বা চাকরিদাতা আপনার এটাচ করা ডকুমেন্টস খুলে দেখবে? এটা বোঝানোর জন্য কভার লেটারের মত তবে খুব ছোট করে কিছু কথা সাজিয়ে লিখতে হয়। যেন তিনি নিশ্চিত হতে পারেন যে এটা কোন মেলওয়্যার বা ভাইরাস জনিত ডকুমেন্টস নয়, বরং তার মনে হবে যে তিনি জব ব্যাংকে বা অন্য কোথাও বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন ওটার ভিত্তিতেই কেউ এই আবেদন করেছে। কাজেই, ইমেইল হচ্ছে সেই বিষয় যা প্রত্যেক নিয়োগকারীকে আপনার আবেদনের প্রতি আস্থা, বিশ্বাস এবং আগ্রহের জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করাতে সহায়তা করে।

➤ সিভি, কভার লেটার, ইমেইল লেখার স্পষ্ট ধারণা দিয়েছি। এবার জব পোর্টালে ঢুকে Eligibility চেক করুন, NOC ম্যাচ করুন, Responsibilities মিলিয়ে নিন, তাদের মূল ফোকাস বুঝুন এবং আপনার আবেদন সাবমিট করে দিন। খুব সহজ তাই না, আসলে যার যে কাজ তার কাছে এগুলো কঠিন কিছু না, যে কোন কাজে শুরু থেকে লেগে থাকলে ওই কাজের সকল খুটিনাটি জানা যায় এবং পেশাদার হওয়া যায়। সুতরাং ধৈর্য্য নিয়ে লেগে থাকা প্রয়োজন ঘাবড়ানোর কিছু নেই।

⚠️🚫 ইদানিং অনলাইনে চাকচিক্যময় এবং দেখতে সুন্দর সিভি, কভার লেটার এগুলোর ছবির পোস্ট দেখতে পাওয়া যায়। হ্যা, আপনার আমার দৃষ্টিতে সিভি গুলো দেখতে খুব সুন্দর এবং আকর্ষনীয় মনে হয় তবে এর মাঝে লেখা গুলো কতটা সঠিক আদৌ তা নিয়মের মধ্যে থেকে গ্রামার, সেনটেন্স, সঠিক হয়েছে কি না এবং সাজানোর ধরন সঠিক কি না, এটাই মূল সৌন্দর্য প্রকাশ করে। দেখুন উন্নত দেশের মানুষের মানসিকতা সোন্দর্য কেন্দ্রিক নয়, মূলত তারা ফলো করে সিভিতে উল্লেখিত তথ্য উপাত্ত গুলো তাদের দেশের প্রচলিত রুলস অনুযায়ী নির্ভুলভাবে দেখানো হয়েছে কি না, অর্থাৎ তারা প্রতিনিয়ত যে ধরনের রিজিউম/সিভি দেখে অভ্যস্থ আপনার সিভির ধরন তাদের রুচিসম্মত হয়েছে কি না এটাই মূল বিষয়। এক্ষেত্রে তাদের সিভির স্টাইল আপনার আমার কাছে পছন্দ নাও হতে পারে তবুও আপনি যে দেশে আবেদন করতে চান আপনার সিভি ওই দেশের নিয়মের সাথে মিল রেখেই তৈরি করতে হবে। সুতরাং আপনার পছন্দসই ডিজাইন করে, বিভিন্ন কালার দিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত চাকচিক্য লুক দিয়ে, কপি পেস্ট করে সিভি বা রিজিউম বানিয়ে কোন নিয়োগকর্তাকে মুগ্ধ করা যায় না বরং নিয়োগকর্তা আপনার ব্যক্তিত্য, মানসিকতা, এবং রুচিবোধ সম্পর্কে নেগেটিভ ধারণা পোষণ করবে। এর ফলে শত শত আবেদন করলেও আপনি কোন রেসপন্স পাবেন না।

✅ মনে রাখবেন, ইন্টারন্যাশনাল আবেদনের জন্য ডকুমেন্টস রেডি করতে হলে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের ডিমান্ড বা চাহিদা গুলোকে সর্বাধিক গুরুত্বের সাথে হাইলাইটস করতে হয়।

🌏 আপনি যদি অনলাইনে বিভিন্ন জব পোর্টাল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে ইচ্ছুক হয়ে থাকেন এবং এস্তোনিয়া, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানির স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী অর্থাৎ নিয়োগকারীগন তাদের দেশে প্রচলিত যে ধরনের রিজিউম, সিভি, কভার লেটার এবং প্রোফেশনাল ইমেইল দেখে অভ্যস্থ সেই অনুযায়ী ডকুমেন্টস রেডি করার সামর্থ্য থাকে, তাহলে আপনার দক্ষতা অনুযায়ী নিজে নিজে আবেদন করতে পারবেন। ধৈর্য ধরে আবেদন করে যান, একটা সময় দেখবেন কোথাও না কোথাও থেকে গুড নিউজ চলে আসছে। আবেদন করার পর হাত গুটিয়ে বসে থাকবেন না, বরং নিয়মিত আপনার ইমেইল চেক করবেন এতে কোন প্রতিষ্ঠান থেকে যদি আপনার আবেদনের প্রেক্ষিতে কোন ইমেইল বা উত্তর আসে তাহলে আপনি ওই ইমেইলের রিপ্লাই করতে দেরি করবেন না। এতে আপনি দ্রুত ইন্টারভিউ কল পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ।

🫴 অনেকেরই বিভিন্ন দেশ থেকে রেসপন্স আসে, কেউ কেউ ইন্টারভিউ কলও পেয়ে থাকে কেউবা অফার লেটারও পেয়ে যায়, ভিসা নিয়ে চলেও যায়। তবে এখানে সৌভাগ্যের বিষয়টাও জড়িত।

👍নিজের পক্ষে নিজে আবেদন করতে অপারগ হলে এবং একান্তই যদি আপনার আবেদন করার সৎ ইচ্ছা থাকে সেই ক্ষেত্রে আমাকে নক করতে পারেন। তবে আমাকে ব্যবহার করে আপনার নিজের কাজ করিয়ে নিতে হলে পারিশ্রমিক প্রযোজ্য হবে। এই সার্ভিসটি সত্যিকার অর্থে প্রয়োজন হলে ডিরেক্ট কল অথবা মেসেজ করবেন। WhatsApp +8801914223049.

🖐️ কাজের ধরনের শেষ নাই তাই কাজের ধরন উল্লেখ করে পোস্ট অযথা বড় করতে চাচ্ছি না। যার যে কাজে ধারণা আছে কিংবা অভিজ্ঞতা আছে তার সেই কাজে আবেদন করা উচিৎ। সুতরাং কি পোস্টে আবেদন করতে চান সেটা আপনাকেই ঠিক করতে হবে। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে শত শত কাজের ধরন অনুযায়ী সার্কোলার আছে। নিচে ছবির মাধ্যমে কিছু কাজের ধরন দেখানো হয়েছে, চাইলে দেখে ধারণা নিতে পারেন।

🙏🙏 সবশেষে রিকুয়েষ্ট থাকবে যদি এই পোস্ট পড়ে উপকৃত হয়ে থাকেন এবং বিশ্বাস যোগ্য মনে হয় তাহলে পেইজে একটি লাইক দিবেন এবং আপনার বন্ধু আত্নীয়দের মাঝে শেয়ার করে আমাকে সাপোর্ট দিবেন 🙏🙏

👍ধৈর্য ধরে সময় নিয়ে পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার সময় ভালো কাটুক, সৃষ্টিকর্তা আপনার সহায় হোক 🤲

📌🗣️📞প্রকৃত প্রয়োজনে WhatsApp +8801914223049.

📣 BOESL বয়োসেলের মাধ্যমে সরকারিভাবে বিদেশে কর্মী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে গার্মেন্টসে সুইং অপারেটর, কোয়ালিটি চেকা...
29/10/2024

📣 BOESL বয়োসেলের মাধ্যমে সরকারিভাবে বিদেশে কর্মী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে গার্মেন্টসে সুইং অপারেটর, কোয়ালিটি চেকার, সুপারভাইজার, কোয়ালিটি কন্ট্রোলারসহ বিভিন্ন পেশায় সর্বাধিক সুযোগ সুবিধাসহ বিনা খরচে সরকারিভাবে বয়োসেলের মাধ্যমে প্রায় প্রতি সপ্তাহেই বিদেশে কর্মী নেয়ার ইন্টারভিউ অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এখানে কাজের দক্ষতা অনুযায়ী চুড়ান্তভাবে কর্মী নির্বাচন করা হয়ে থাকে এবং বিদেশে পাঠানো হয়। মেডিকেল, থাকা, খাবার, চিকিৎসা, ভিসা, যাওয়া আসার বিমান ভাড়াসহ সকল খরচ কোম্পানি বহন করে থাকে। গার্মেন্টস কোম্পানীতে মহিলাদের নিয়োগ থাকে সবচেয়ে বেশি।

👍 BOESL দেশের একমাত্র সরকারি জনশক্তি রিক্রুটিং প্রতিষ্টান। এর মাধ্যমে সরকারিভাবে বিনা খরচে বিদেশে কাজ করতে যেতে ইচ্ছুকদের জন্য সিভি, ডকুমেন্টস, অনলাইন রেজিষ্ট্রেশন, আবেদন সাবমিশন করে থাকি। নিচে দেয়া আমাদের নাম্বারটি ফোনে সেভ রাখুন এবং যে কোন সময় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলেই কল করুন। বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে আবেদন করতে পারবেন এবং সার্কোলারে উল্লেখিত সময় এবং তারিখে ঢাকায় নির্দিষ্ঠ টেকনিক্যাল সেন্টারে স্বশরীরে সাক্ষাৎকার দেয়ার জন্য উপস্থিত থাকতে হবে। এক্ষেত্রে নিজের যোগ্যতায় সিলেক্ট হতে হবে, আমরা আপনাকে ইন্টারভিউয়ে অংশ নেয়ার সুযোগ করে দেই মাত্র, আমরা কোনভাবেই আপনাকে ইন্টারভিউয়ে পাস করার অথবা ভিসা দেয়ার ক্ষমতা রাখি না।

✴️❇মনে রাখবেন, সরকারিভাবে অদক্ষ/অনঅভিজ্ঞ লোকজনের আবেদন করার সুযোগ নাই। মিনিমাম যে কোন একটি বা একাধিক কাজে অভিজ্ঞতা বা দক্ষতা থাকতে হবে। বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হবে এবং বাংলাদেশে থেকে আবেদন করতে হবে।

👑 সরকারি প্রশিক্ষন কেন্দ্র থেকে প্রশিক্ষন নেওয়া লোকদের অগ্রাধিকার থাকে।

🇯🇴🇯🇴 জর্ডানে গার্মেন্টস কর্মীদের ব্যপক চাহিদা। যেমন, সুইং মেশিন অপারেটর, আয়রন ম্যান, কোয়ালিটি চেকার, মেকানিক, ইলেকট্রিশিয়ান, কোয়ালিটি কন্ট্রোলার, সুপারভাইজার, কুক, ওয়েলফেয়ার, নার্স ইত্যাদি। সরকারিভাবে ইন্টারভিউতে চান্স পেলে ভিসা, সার্ভিস চার্জ, এয়ার টিকেট, থাকা, খাওয়া, প্রাথমিক চিকিৎসা, এমনকি মেডিকেল চেকআপের খরচও কোম্পানী বহন করে থাকে। এক্ষেত্রে কর্মীর কোন প্রকার টাকা লাগে না। কোম্পানির চাহিদা অনুযায়ী নারী পুরুষ উভয়ই আবেদন করতে পারবেন। তবে গার্মেন্টস সেক্টরে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মহিলা কর্মীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়ে থাকে।

🇰🇷🇰🇷 দক্ষিণ কোরিয়াঃ এই দেশে আবেদন করার প্রথম শর্ত আপনাকে কোরিয়ান ভাষা জানতে হবে এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা নূন্যতম SSC পাস হতে হবে। কোরিয়ার ক্ষেত্রে লটারীর মাধ্যমে উপযুক্ত কর্মী নির্বাচিত করা হয়।

🇧🇳🇧🇳 ফিজি / ব্রুনাইঃ কনস্ট্রাকশন সেক্টরে কাজ জানা লোকদের জন্য উপযোগী তবে অন্যান্য সেক্টরেও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি BOESL প্রকাশ করে থাকে। যেমন, ইলেকট্রিশিয়ান, ওয়েল্ডার, প্লাম্বার, মেশন, হোটেল রিলেটেড কাজ, সাধারণ কর্মী ইত্যাদি। শুধুমাত্র পুরুষ কর্মী।

🇷🇺🇷🇺 রাশিয়াঃ BOESL মাঝে মাঝে রাশিয়ার জন্য কর্মী নিয়োগের সার্কোলার দিয়ে থাকে। এদেশে কনস্ট্রাকশন, জাহাজ নির্মান/মেরামত, ওয়েল্ডিং, বিভিন্ন কোম্পানিতে সাধারণ কর্মী, ইলেকট্রিশিয়ানসহ বিভিন্ন কাজে পুরুষ কর্মী নিয়ে থাকে। এছাড়াও...

জাপান, বুলগেরিয়া, সৌদিসহ আরও অনেক দেশে বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিস লিঃ (BOESL) জনশক্তি নিয়োগ করে থাকে। সকল দেশের বিস্তারিত লিখতে গেলে পোস্ট অনেক বড় হয়ে যাবে তাই সংক্ষিপ্ত আকারে ধারণা দিতে চেষ্টা করেছি।

⚠️🟥সাবধাননতাঃ BOESL কখনো কোন কর্মীর কাছ থেকে নগদ অর্থ গ্রহন করে না, তবে কিছু কিছু দেশের জন্য সার্ভিস চার্জ হিসেবে কিছু টাকা প্রয়োজন হলে "বয়োসেল ঢাকা" নামে সোনালী ব্যাংকে পে অর্ডার করতে হয়। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পরই কেবল কিছু নির্দিষ্ঠ দেশের ক্ষেত্রে পে অর্ডার করা লাগতে পারে যেমন ব্রুনাই, তাছাড়া অন্যান্য দেশের জন্য ফ্রি যেমন জর্ডান। মনে রাখবেন বয়োসেলের কোন দালাল বা এজেন্ট নেই, সুতরাং দালালের মাধ্যমে কখনো সরকারিভাবে বিদেশ যাওয়ার চেষ্টা করবেন না, এতে আপনার মোটা অংকের টাকা লোকসান হতে পারে।

⚠️🚫 মনে রাখবেনঃ অনলাইন আবেদন আপনার চাকরির নিশ্চয়তা দেয় না, এই আবেদন শুধুমাত্র আপনাকে ইন্টারভিউতে অংশ নেয়ার সুযোগ তৈরি করে দেয়। ইন্টারভিউয়ে অংশ নিয়ে পাশ করলেই মেডিকেল করতে হবে। ইন্টারভিউয়ে ফেইল করলে মেডিকেল করার দরকার নেই, এক্ষেত্রে আপনি ওই আবেদনের জন্য বাতিল হবেন। তবে পরবর্তীতে আরও আবেদন চালিয়ে যেতে পারবেন।

🇨🇦🇦🇺🇮🇸🇬🇧 এই পেইজটি মূলত কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জার্মানিসহ ইন্টারন্যাশনাল জব রিলেটেট ডকুমেন্টস, সিভি, রিজিউম, কভার লেটার, প্রোফেশনাল ইমেইলসহ অনলাইনে আবেদন বিষয়ে সাপোর্ট দিয়ে থাকে, তবে আজ থেকে BOESL এর আবেদন প্রার্থীদেরও রেজিষ্ট্রেশন, আবেদন, ডকুমেন্টস রেডি করার সাপোর্ট দেয়া হবে। এক্ষেত্রে পারিশ্রমিক প্রোযোজ্য ।

✅BOESL সম্পর্কে ধারণা থাকলে এবং কাজ জানা থাকলে নিজে নিজে সরকারি ওয়েবসাইটে রেজিষ্ট্রেশন করে আবেদন করুন, ইন্টারভিউতে অংশ নেন, সিলেক্ট হন, মেডিক্যালি ফিট হন, ফিঙ্গার প্রিন্ট করুন বিনা খরচে বিদেশ চলে যান এবং রেমিট্যান্স পাঠিয়ে পারিবারিক সচ্ছলতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি দেশের উন্নয়নে অংশ নিন।

®️ নিজে নিজে রেজিষ্ট্রেশন, আবেদন এবং ডকুমেন্টস রেডি করতে না পারলে আমাকে জানান, আমি আপনার পক্ষে আবেদন করে দিব। বাংলাদেশের যে কোন জেলা থেকে সরাসরি (ভয়েস কল সকাল ১০টা- রাত ৮ টা) অথবা যে কোন সময় 01914223049 WhatsApp মেসেজ করে বিস্তারিত জানতে পারেন।

✔️ এটা একটা পেইড সার্ভিস। সিভি তৈরি করা, রেজিষ্ট্রেশন করা এবং আবেদনসহ সকল কাজে চার্জ প্রযোজ্য।

📱☎️ ভবিষ্যতে আবেদন সংক্রান্ত প্রয়োজনে নাম্বারটি সেভ করে রাখতে পারেন এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারেন WhatsApp 01914223049.

🚫 বয়েসেলের মাধ্যমে সাক্ষাতকারে অংশ নিতে আমি শুধুমাত্র সিভি, কভার লেটার, রেজিষ্ট্রেশন, এবং আবেদন সাবমিট করে দিয়ে থাকি। ইন্টারভিউ দিয়ে সিলেক্ট হলে পরবর্তী ধাপগুলো আপনার নিজেকেই করতে হবে, তবে পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করা যাবে।

✔️✔️টিপস্ঃ
১. বয়োসেলের মাধ্যমে বিদেশ যেতে হলে সর্বপ্রথম সরকারি ওয়েবসাইটে রেজিষ্ট্রেশন করে রাখতে হবে। তারপর যে কোন দিন সার্কোলার হওয়ার সাথে সাথে আবেদন সাবমিট করতে হবে। আগে রেজিষ্ট্রেশন করা না থাকলে সময়মত আবেদন করা যায় না। কেননা আবেদন করার সময় থাকে খুবই কম, কিন্তু রেজিষ্ট্রেশন করতে অনেক সময় চলে যায়। তাই যাদের রেজিষ্ট্রেশন আগে থেকে করা থাকে তারা সবার আগে আবেদন জমা দিতে পারে। সুতরাং যারা আগে আবেদন জমা দিবে তারাই আগে ইন্টারভিউ অনুমতি পত্র বা অনলাইন কপি প্রিন্ট পেয়ে থাকে, এবং এটা ছাড়া ইন্টারভিউ রুমে প্রবেশ করা যায় না।

২. সরকারি যে কোন প্রশিক্ষন কেন্দ্র থেকে যে কোন কাজে প্রশিক্ষন নিয়ে একটি সার্টিফিকেট অর্জন করুন, এই সার্টিফিকেট আপনাকে বিদেশ গমন আরও সহজ করে দিবে।

🌐🌍 বি:দ্র: যারা BOESL এর মাধ্যমে বিদেশ যেতে চান্স পাচ্ছেন না, তবে সল্প খরচে বিভিন্ন দেশে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিশ্চিতভাবে পেতে চান তারা যোগাযোগ করতে পারেন। সার্বিয়া, রাশিয়া, মন্টিনেগ্রো, কিরিগিস্তান, সৌদি, দুবাই, কাতারসহ বেশ কিছু দেশে সরকার অনুমোদিত এবং লাইসেন্স প্রাপ্ত বিশ্বস্ত এজেন্সির মাধ্যমে বিভিন্ন পেশায় ওয়ার্ক পারমিট ভিসা প্রসেসিং করা হয়। বিস্তারিত জানতে আগ্রহীরা যোগাযোগ করতে পারেন। কিছু কিছু দেশের ক্ষেত্রে ভিসার আগে অগ্রিম কোন টাকা নেয়া হয় না, মেডিকেল ফিট হলে ভিসা আসার পরে পেমেন্ট করতে হয়। যেমন, রাশিয়া, তুর্কি, সার্বিয়া, সৌদি আরব, কাতার, দুবাই, মালয়েশিয়াসহ আরও কিছু দেশ।

🙏আজকের পোস্টটি উপকারী মনে হলে পেইজটিতে লাইক/ফলো দিয়ে রাখুন এবং সবাইকে জানাতে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। এরকম আরও ইনফরমেটিভ পোস্ট পেতে কমেন্ট করে আপনার মতামত জানান। সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

15/09/2024

🇨🇦🇪🇺🇮🇸🇦🇺অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, কানাডা, জার্মানি, ফিনল্যান্ডে জব রিলেটেড বিভিন্ন পেশায় ফ্রেশার এবং দক্ষ ওয়ার্কারদের পক্ষে জব রিলেটেড সকল আবেদন, রিজিউম, কভার লেটার, প্রোফেশনাল ইমেইলসহ সম্পূর্ণ সাপোর্ট দেয়া হয়। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত লেখা গুলো পড়ার পর যদি আপনি মনে করেন সার্ভিসটি আপনার জন্য প্রকৃত অর্থেই প্রয়োজন কেবল তখনই আমাকে মেসেজ অথবা কল করতে পারেন WhatsApp +8801914223049.

✌️✌️দুই মিনিট সময় থাকলে সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ে নিতে পাারেন, এর ফলে ভবিষ্যতে যে বড় ভুল আপনি করতে চেয়েছিলেন তা থেকে এখনই সাবধান হতে পারবেন। ৬ লক্ষ টাকায় কানাডায় ওয়ার্কপারমিট ভিসা 😄 শুধু কি তাই, যাওয়ার আগে কোন টাকা লাগবে না, যাওয়ার পর প্রতি মাসের বেতন থেকে ভিসা খরচ কেটে নেয়া হবে, এ ধরনের বানোয়াট ভুয়া তথ্য থেকে নিজে দূরে থাকুন অন্যকে সুরক্ষিত থাকতে সহায়তা করুন।

⚠️ লোভনীয় ভুয়া বানোয়াট বিজ্ঞাপন দেখে আকৃষ্ট হয়ে ফাদে পড়ে অর্থ এবং সময় দুটোই নষ্ট করে শেষে হায় হাসান হায় হুসেইন করার চেয়ে নিজে নিজে আবেদন করা শিখুন কাজে দিবে।

🤔 যারা ভাবছেন ওমুক তমুক অফিস থেকে কয়েক লাখ টাকার মাধ্যমে কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার মত দেশে ওয়ার্ক পারমিটে যাবেন এমনকি যাওয়ার পরে টাকা পরিশোধ করবেন তারা এই ডিজিটাল যুগেও বোকার স্বর্গে বাস করছেন। মনে রাখবেন মধ্য প্রাচ্যের দেশ গুলোর মত নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, কানাডাতে টাকার বিনিময়ে রেডিমেড জব ভিসা পাওয়ার সিস্টেম খুবই কম, নাই বললেই চলে।

🌏 ইন্টারন্যাশনাল জব রিলেটেড ডকুমেন্টস বানানোর সুবাদে আমার দুই বছরের অভিজ্ঞতা থেকে শেয়ার করছি, এসব দেশে কাজের সুযোগ পেতে নিজের যোগ্যতা, দক্ষতা এবং এডুকেশনাল কোয়ালিফিকেশনই প্রধান ভূমিকা রাখে। ভাষাগত দক্ষতার ক্ষেত্রে অবশ্যই ইংলিশ জানা থাকতে হয়। Ielts করা থাকলে বাড়তি সুবিধা থাকে। যদি আপনার মধ্যে এই ধরনের গুণাবলি থাকে তাহলে উন্নত দেশে কাজের সুযোগ পেতে প্রাথমিকভাবে আপনি উপযুক্ত।

📩📨📧এরপর আসা যাক আবেদন প্রক্রিয়া কিভাবে শুরু করতে হয়ঃ

➤ সর্ব প্রথম আপনি যে পজিশনে আবেদন করতে ইচ্ছুক অথেনটিক ওয়েবসাইট থেকে ওই রিলেটেড সার্কোলার খুজে বের করে তাদের চাহিদা, কাজের ধরন, আবেদন করতে কি কি শর্ত এগুলো ভালো করে পড়ে মাথায় রাখতে হবে।

➤ এবার ওদের চাহিদার সাথে মিল রেখে স্ট্রংভার্ব ব্যবহার করে সিভি অথবা রিজিউম বানিয়ে নিতে হবে। সিভি এবং রিজিউম দুইটি আলাদা ডকুমেন্টস। সিভিতে বাড়তি তথ্য থাকতে পারে কিন্তু রিজিউমেতে অতিরিক্ত তথ্য থাকবে না। কিছু দেশের নিয়োগকারীগন সিভি চায়, আবার কোন দেশে রিজিউম চেয়ে থাকে। যেমন অস্ট্রেলিয়া, কানাডায় রিজিউম প্রচলিত। সকল ডকুমেন্টস অবশ্যই নির্ভুল এবং Application Tracking System (ATS) friendly হতে হবে। ATC হচ্ছে এমন একটি রোবটিং সিস্টেম যা হাজার হাজার applications মুহূর্তেই পড়ে ফেলতে পারে এবং যে কোন ভুল ত্রুটি থাকলে তা ক্যাচ করে ওই আবেদন রিজেক্ট করে দেয়। যে Application গুলো ভুল ত্রুটি মুক্ত বা সঠিক থাকে ওগুলো নিয়োগকর্তার কাছে ফরোয়ার্ড করে।

➤ এরপর কভার লেটার রেডি করতে হবে এমনভাবে যে এত এত আবেদনের মধ্য থেকে নিয়োগকারী আপনাকেই কেন বেছে নিবে? আপনার মধ্যে কি আছে যা অন্যের মধ্যে নেই? কেনইবা আপনি উক্ত পজিশনের জন্য আইডিয়াল ফিট মনে করেন? উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রতি আপনার আগ্রহই বা কেমন ? আপনাকে তারা চাকরিতে নিয়োগ দিলে আপনি কিভাবে তাদের কোম্পানির উন্নতি করে দিবেন, কিভাবে তারা আপনার মাধ্যমে লাভবান হবে ? ইত্যাদি বিষয় মাথায় রেখে আপনার ব্যক্তিগত এবং ক্রিয়েটিভ চিন্তা ধারা ব্যবহার করে নিজের কভার লেটার নিজে প্রস্তুত করে নিন। প্যারাগ্রাফ অবশ্যই বেশি লম্বা করা যাবে না, এক পেইজের মধ্যে রেখে অল্প কথায় বেশি কিছু বোঝানোর চেষ্টা করতে হবে।

❌ কভার লেটার এমন একটি ডকুমেন্টস যা একটি নির্দিষ্ঠ পজিশন এবং প্রতিষ্ঠানের উপর ভিত্তি করে লিখতে হয় । অর্থাৎ কোন এক পজিশন বা প্রতিষ্ঠানের জন্য কভার লেটার রেডি করা হলে তা অন্য কোন পজিশন বা প্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যবহার করা যাবে না। প্রত্যেকবার ভিন্ন ভিন্ন পজিশন বা প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে হলে ওই পোস্ট এবং প্রতিষ্ঠানের সাথে মানানসই করে কভার লেটার তৈরি করতে হয়, একই কভার লেটার দিয়ে ভিন্ন বা একাধিক কোন আবেদন করা যায় না, অনেক গুলো এডিটিং বা কারেকশন থাকে সম্পন্ন করতে হয়।

🚫 মনে রাখবেন গুগল থেকে রোবট বা AI দিয়ে বানানো ডকুমেন্টস কখনোই ব্যবহার করবেন না, কেননা ওগুলো আপনার ইমোশন ফুটিয়ে তুলতে পারে না। নিয়োগকর্তারা এ ধরনের ডকুমেন্টস সহজে বুঝতে পারে ফলে সাথে সাথে রিজেক্ট করে দেয়, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে ওই সাইটে আপনাকে ব্লকও করতে পারে।

➤ প্রোফেশনাল ইমেইল কি ? অনেকেই আমাকে এই কমন প্রশ্ন করে থাকেন। আসলে এটা হচ্ছে এমন একটি বার্তা যা ইমেইলের মাধ্যমে কাউকে পাঠাতে হয়। মনে করুন আপনি অপরিচিত কোন সম্মানিত ব্যক্তি বরাবর আপনার ডকুমেন্টস যেমন, সিভি, কভার লেটার, এবং অন্যান্য ক্রেডিনসিয়াল ইমেইলে পাঠাতে চান, এই ক্ষেত্রে আপনাকে ইমেইলে পেশাদারভাবে অনুরোধ মূলক কিছু কথা লিখতে হবে। কেন সেই ব্যাক্তি বা চাকরিদাতা আপনার এটাচ করা ডকুমেন্টস খুলে দেখবে? এটা বোঝানোর জন্য কভার লেটারের মত তবে খুব ছোট করে কিছু কথা সাজিয়ে লিখতে হয়। যেন তিনি নিশ্চিত হতে পারেন যে এটা কোন মেলওয়্যার বা ভাইরাস জনিত ডকুমেন্টস নয়, বরং তার মনে হবে যে তিনি জব ব্যাংকে বা অন্য কোথাও বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন ওটার ভিত্তিতেই কেউ এই আবেদন করেছে। কাজেই, ইমেইল হচ্ছে সেই বিষয় যা প্রত্যেক নিয়োগকারীকে আপনার আবেদনের প্রতি আস্থা, বিশ্বাস এবং আগ্রহের জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করাতে সহায়তা করে।

➤ সিভি, কভার লেটার, ইমেইল লেখার স্পষ্ট ধারণা দিয়েছি। এবার জব পোর্টালে ঢুকে Eligibility চেক করুন, NOC ম্যাচ করুন, Responsibilities মিলিয়ে নিন, তাদের মূল ফোকাস বুঝুন এবং আপনার আবেদন সাবমিট করে দিন। খুব সহজ তাই না, আসলে যার যে কাজ তার কাছে এগুলো কঠিন কিছু না, যে কোন কাজে শুরু থেকে লেগে থাকলে ওই কাজের সকল খুটিনাটি জানা যায় এবং পেশাদার হওয়া যায়। সুতরাং ধৈর্য্য নিয়ে লেগে থাকা প্রয়োজন ঘাবড়ানোর কিছু নেই।

⚠️🚫 ইদানিং অনলাইনে চাকচিক্যময় সুন্দর সিভি, কভার লেটার এগুলোর ছবির পোস্ট দেখতে পাওয়া যায়। হ্যা, আপনার আমার দৃষ্টিতে সিভি গুলো দেখতে খুব সুন্দর এবং আকর্ষনীয় মনে হয় তবে এর মাঝে লেখা গুলো কতটা সঠিক আদৌ তা নিয়মের মধ্যে থেকে গ্রামার, সেনটেন্স, সঠিক হয়েছে কি না এটাই মূল সৌন্দর্য প্রকাশ করে। দেখুন উন্নত দেশের মানুষের মানসিকতা সোন্দর্য কেন্দ্রিক নয়, মূলত তারা ফলো করে সিভিতে উল্লেখিত তথ্য উপাত্ত গুলো তাদের দেশের প্রচলিত রুলস অনুযায়ী নির্ভুলভাবে দেখানো হয়েছে কি না, অর্থাৎ তারা প্রতিনিয়ত যে ধরনের রিজিউম/সিভি দেখে অভ্যস্থ আপনার সিভির ধরন তাদের রুচিসম্মত হয়েছে কি না এটাই মূল বিষয়। এক্ষেত্রে তাদের সিভির স্টাইল আপনার আমার কাছে পছন্দ নাও হতে পারে তবুও আপনি যে দেশে আবেদন করতে চান আপনার সিভি ওই দেশের নিয়মের সাথে মিল রেখেই তৈরি করতে হবে। সুতরাং আপনার পছন্দসই ডিজাইন করে, বিভিন্ন কালার দিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত চাকচিক্য লুক দিয়ে, কপি পেস্ট করে সিভি বা রিজিউম বানিয়ে কোন নিয়োগকর্তাকে মুগ্ধ করা যায় না বরং নিয়োগকর্তা আপনার ব্যক্তিত্য, মানসিকতা, এবং রুচিবোধ সম্পর্কে নেগেটিভ ধারণা পোষণ করবে। এর ফলে শত শত আবেদন করলেও আপনি কোন রেসপন্স পাবেন না। যারা ইন্টারন্যাশনাল ডকুমেন্টস প্রোফেশনালভাবে বানিয়ে থাকে তারা কখনো তাদের কাজের নমুনা বিজ্ঞাপন দিয়ে সস্তা বানাতে প্রচার করে না। মনে রাখবেন, ইন্টারন্যাশনাল আবেদনের জন্য ডকুমেন্টস রেডি করতে হলে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের ডিমান্ড বা চাহিদা গুলোকে সর্বাধিক গুরুত্বের সাথে হাইলাইটস করতে হয়।

🌏 আপনি যদি অনলাইনে বিভিন্ন জব পোর্টাল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে ইচ্ছুক হয়ে থাকেন এবং কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ফিনল্যান্ড, জার্মানি, নিউজিল্যান্ডের স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী অর্থাৎ নিয়োগকারীগন তাদের দেশে প্রচলিত যে ধরনের রিজিউম, সিভি, কভার লেটার এবং প্রোফেশনাল ইমেইল দেখে অভ্যস্থ সেই অনুযায়ী ডকুমেন্টস রেডি করার সামর্থ থাকে, তাহলে আপনার দক্ষতা অনুযায়ী নিজে নিজে আবেদন করতে পারবেন। ধৈর্য ধরে আবেদন করে যান, একটা সময় দেখবেন কোথাও না কোথাও থেকে গুড নিউজ চলে আসছে। আবেদন করার পর হাত গুটিয়ে বসে থাকবেন না, বরং নিয়মিত আপনার ইমেইল চেক করবেন এতে কোন প্রতিষ্ঠান থেকে যদি আপনার আবেদনের প্রেক্ষিতে কোন ইমেইল বা উত্তর আসে তাহলে আপনি ওই ইমেইলের রিপ্লাই করতে দেরি করবেন না। এতে আপনি দ্রুত ইন্টারভিউ কল পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ।

🫴 অনেকেরই বিভিন্ন দেশ থেকে রেসপন্স আসে, কেউ কেউ ইন্টারভিউ কলও পেয়ে থাকে কেউবা অফার লেটারও পেয়ে যায়, ভিসা নিয়ে চলেও যায়। তবে এখানে সৌভাগ্যের বিষয়টাও জড়িত।

😥 তবে দুঃখজনক হলেও সত্যি আমার কিছু অসচেতন ক্লায়েন্ট আবেদন পরবর্তী মেইল চেক না করার কারনে, তাদের আবেদন প্রাথমিক বাছাইয়ে সিলেক্ট হওয়ার পরও সময়মত রিপ্লাই না দেয়ায় তাদের আবেদন বাতিল হয়ে যায় 😭

👍নিজের পক্ষে নিজে আবেদন করতে অপারগ হলে এবং একান্তই যদি আপনার আবেদন করার সৎ ইচ্ছা থাকে সেই ক্ষেত্রে আমাকে নক করতে পারেন। তবে আমাকে ব্যবহার করে আপনার নিজের কাজ করিয়ে নিতে হলে পারিশ্রমিক প্রযোজ্য। আমি মনে করি যার এই সার্ভিসটি সত্যিকার অর্থে প্রয়োজন সে কমেন্ট করবে না বরং ডিরেক্ট কল অথবা মেসেজ করবে। WhatsApp +8801914223049.

❌ আমি কোন এজেন্সির লোক নই, ব্যক্তিগতভাবে মাসের পর মাস এগুলো বিষয়ে রাত দিন এক করে ঘাটাঘাটি, স্টাডি করে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। সারা বাংলাদেশের কোথাও আমার কোন অফিস অথবা দোকান নেই, এটা আমার অনলাইন ভিত্তিক অপশনাল কাজ। কেউ আমার সাপোর্ট চাইলে আমি আমার রেগুলার কাজের ফাঁকে বাসায় থেকে এগুলো রেডি করে সাপোর্ট দিয়ে থাকি। যারা আবেদন বিষয়টা কি এটা বোঝেন না এবং আমার কাছে ভিসা আশা করেন দয়া করে তারা আমাকে কল অথবা মেসেজ করবেন না, প্লিজ 🙏

✔️ যারা জব রিলেটেড আবেদন করার অর্থ বোঝেন এবং উন্নত দেশের ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত মোটামুটি ধারণা রাখেন, মূলত আমার সার্ভিসটা তাদের জন্য প্রযোজ্য।

🖐️ কাজের ধরনের শেষ নাই তাই কাজের ধরন উল্লেখ করে পোস্ট অযথা বড় করতে চাচ্ছি না। যার যে কাজে ধারণা আছে কিংবা অভিজ্ঞতা আছে তার সেই কাজে আবেদন করা উচিৎ। সুতরাং কি পোস্টে আবেদন করতে চান সেটা আপনাকেই ঠিক করতে হবে। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে শত শত কাজের ধরন অনুযায়ী সার্কোলার আছে। নিচে একটি ছোট ভিডিওর মাধ্যমে কিছু কাজের ধরন এবং নিয়োগকারীদের ইমেইল দেখানো হয়েছে, চাইলে দেখে ধারণা নিতে পারেন।

🙏🙏 সবশেষে রিকুয়েষ্ট থাকবে যদি এই পোস্ট পড়ে উপকৃত হয়ে থাকেন এবং বিশ্বাস যোগ্য মনে হয় তাহলে পেইজে একটি লাইক দিবেন এবং আপনার বন্ধু আত্নীয়দের মাঝে শেয়ার করে আমাকে সাপোর্ট দিবেন, প্লিজ 🙏🙏

👍ধৈর্য ধরে সময় নিয়ে পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার সময় ভালো কাটুক, সৃষ্টিকর্তা আপনার সহায় হোক 🤲

📌🗣️📞প্রকৃত প্রয়োজনে 10 AM to 10 PM, WhatsApp +8801914223049

14/09/2024

নিজের উপর আত্মবিশ্বাস আর সৃষ্টিকর্তার রহমত দুটিই সফলতার চাবিকাঠি।

🇨🇦🇪🇺🇮🇸🇦🇺 অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, কানাডা, জার্মানি, ফিনল্যান্ডে জব রিলেটেড বিভিন্ন পেশায় ফ্রেশার এবং দক্ষ ওয়ার্কারদের ...
14/09/2024

🇨🇦🇪🇺🇮🇸🇦🇺 অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, কানাডা, জার্মানি, ফিনল্যান্ডে জব রিলেটেড বিভিন্ন পেশায় ফ্রেশার এবং দক্ষ ওয়ার্কারদের পক্ষে জব রিলেটেড সকল রিজিউম, কভার লেটার, প্রোফেশনাল ইমেইলসহ আবেদন করিয়ে দেয়া হয়। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত লেখা গুলো পড়ার পর যদি আপনি মনে করেন সার্ভিসটি আপনার জন্য প্রকৃত অর্থেই প্রয়োজন কেবল তখনই আমাকে মেসেজ অথবা কল করতে পারেন WhatsApp +8801914223049.

✌️✌️দুই মিনিট সময় থাকলে সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ে নিতে পাারেন, এর ফলে ভবিষ্যতে যে বড় ভুল আপনি করতে চেয়েছিলেন তা থেকে এখনই সাবধান হতে পারবেন।

‼️⚠️ ৬ লক্ষ টাকায় কানাডায় ওয়ার্কপারমিট ভিসা 😄 শুধু কি তাই, যাওয়ার আগে কোন টাকা লাগবে না, যাওয়ার পর প্রতি মাসের বেতন থেকে ভিসা খরচ কেটে নেয়া হবে। এ ধরনের প্রতারনা, বানোয়াট এবং ভুয়া তথ্য থেকে নিজে দূরে থাকুন অন্যকে সতর্ক করুন।

👍 লোভনীয় ভুয়া বানোয়াট বিজ্ঞাপন দেখে আকৃষ্ট হয়ে ফাদে পড়ে অর্থ এবং সময় দুটোই নষ্ট করে শেষে হায় হাসান হায় হোসাইন করার চেয়ে নিজে নিজে আবেদন করা শিখুন কাজে দিবে।

🤔 যারা ভাবছেন ওমুক তমুক অফিস থেকে কয়েক লাখ টাকার মাধ্যমে কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার মত দেশে ওয়ার্ক পারমিটে যাবেন এমনকি যাওয়ার পরে টাকা পরিশোধ করবেন তারা এই ডিজিটাল যুগেও বোকার স্বর্গে বাস করছেন। মনে রাখবেন মধ্য প্রাচ্যের দেশ গুলোর মত নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, কানাডাতে টাকার বিনিময়ে রেডিমেড জব ভিসা পাওয়ার সিস্টেম খুবই কম, নাই বললেই চলে।

🌏 ইন্টারন্যাশনাল জব রিলেটেড ডকুমেন্টস বানানোর সুবাদে আমার দুই বছরের অভিজ্ঞতা থেকে শেয়ার করছি, এসব দেশে কাজের সুযোগ পেতে নিজের যোগ্যতা, দক্ষতা এবং এডুকেশনাল কোয়ালিফিকেশনই প্রধান ভূমিকা রাখে। ভাষাগত দক্ষতার ক্ষেত্রে অবশ্যই ইংলিশ জানা থাকতে হয়। Ielts করা থাকলে বাড়তি সুবিধা থাকে। যদি আপনার মধ্যে এই ধরনের গুণাবলি থাকে তাহলে উন্নত দেশে কাজের সুযোগ পেতে প্রাথমিকভাবে আপনি উপযুক্ত।

📩📨📧এরপর আসা যাক আবেদন প্রক্রিয়া কিভাবে শুরু করতে হয়ঃ

➤ সর্ব প্রথম আপনি যে পজিশনে আবেদন করতে ইচ্ছুক অথেনটিক ওয়েবসাইট থেকে ওই রিলেটেড সার্কোলার খুজে বের করে তাদের চাহিদা, কাজের ধরন, আবেদন করতে কি কি শর্ত এগুলো ভালো করে পড়ে মাথায় রাখতে হবে।

➤ এবার ওদের চাহিদার সাথে মিল রেখে স্ট্রংভার্ব ব্যবহার করে সিভি অথবা রিজিউম বানিয়ে নিতে হবে। সিভি এবং রিজিউম দুইটি আলাদা ডকুমেন্টস। সিভিতে বাড়তি তথ্য থাকতে পারে কিন্তু রিজিউমেতে অতিরিক্ত তথ্য থাকবে না। কিছু দেশের নিয়োগকারীগন সিভি চায়, আবার কোন দেশে রিজিউম চেয়ে থাকে। যেমন অস্ট্রেলিয়া, কানাডায় রিজিউম প্রচলিত। সকল ডকুমেন্টস অবশ্যই নির্ভুল এবং Application Tracking System (ATS) friendly হতে হবে। ATC হচ্ছে এমন একটি রোবটিং সিস্টেম যা হাজার হাজার applications মুহূর্তেই পড়ে ফেলতে পারে এবং যে কোন ভুল ত্রুটি থাকলে তা ক্যাচ করে ওই আবেদন রিজেক্ট করে দেয়। যে Application গুলো ভুল ত্রুটি মুক্ত বা সঠিক থাকে ওগুলো নিয়োগকর্তার কাছে ফরোয়ার্ড করে।

➤ এরপর কভার লেটার রেডি করতে হবে এমনভাবে যে এত এত আবেদনের মধ্য থেকে নিয়োগকারী আপনাকেই কেন বেছে নিবে? আপনার মধ্যে কি আছে যা অন্যের মধ্যে নেই? কেনইবা আপনি উক্ত পজিশনের জন্য আইডিয়াল ফিট মনে করেন? উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রতি আপনার আগ্রহই বা কেমন ? আপনাকে তারা চাকরিতে নিয়োগ দিলে আপনি কিভাবে তাদের কোম্পানির উন্নতি করে দিবেন, কিভাবে তারা আপনার মাধ্যমে লাভবান হবে ? ইত্যাদি বিষয় মাথায় রেখে আপনার ব্যক্তিগত এবং ক্রিয়েটিভ চিন্তা ধারা ব্যবহার করে নিজের কভার লেটার নিজে প্রস্তুত করে নিন। প্যারাগ্রাফ অবশ্যই বেশি লম্বা করা যাবে না, এক পেইজের মধ্যে রেখে অল্প কথায় বেশি কিছু বোঝানোর চেষ্টা করতে হবে।

❌ কভার লেটার এমন একটি ডকুমেন্টস যা একটি নির্দিষ্ঠ পজিশন এবং প্রতিষ্ঠানের উপর ভিত্তি করে লিখতে হয় । অর্থাৎ কোন এক পজিশন বা প্রতিষ্ঠানের জন্য কভার লেটার রেডি করা হলে তা অন্য কোন পজিশন বা প্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যবহার করা যাবে না। প্রত্যেকবার ভিন্ন ভিন্ন পজিশন বা প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে হলে ওই পোস্ট এবং প্রতিষ্ঠানের সাথে মানানসই করে কভার লেটার তৈরি করতে হয়, একই কভার লেটার দিয়ে ভিন্ন বা একাধিক কোন আবেদন করা যায় না, অনেক গুলো এডিটিং বা কারেকশন সম্পন্ন করতে হয়।

🚫 মনে রাখবেন গুগল থেকে রোবট বা AI দিয়ে বানানো ডকুমেন্টস কখনোই ব্যবহার করবেন না, কেননা ওগুলো আপনার ইমোশন ফুটিয়ে তুলতে পারে না। নিয়োগকর্তারা এ ধরনের ডকুমেন্টস সহজে বুঝতে পারে ফলে সাথে সাথে রিজেক্ট করে দেয়, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে ওই সাইটে আপনাকে ব্লকও করতে পারে।

➤ প্রোফেশনাল ইমেইল কি ? অনেকেই আমাকে এই কমন প্রশ্ন করে থাকেন। আসলে এটা হচ্ছে এমন একটি বার্তা যা ইমেইলের মাধ্যমে কাউকে পাঠাতে হয়। মনে করুন আপনি অপরিচিত কোন সম্মানিত ব্যক্তি বরাবর আপনার ডকুমেন্টস যেমন, সিভি, কভার লেটার, এবং অন্যান্য ক্রেডিনসিয়াল ইমেইলে পাঠাতে চান, এই ক্ষেত্রে আপনাকে ইমেইলে পেশাদারভাবে অনুরোধ মূলক কিছু কথা লিখতে হবে। কেন সেই ব্যাক্তি বা চাকরিদাতা আপনার এটাচ করা ডকুমেন্টস খুলে দেখবে? এটা বোঝানোর জন্য কভার লেটারের মত তবে খুব ছোট করে কিছু কথা সাজিয়ে লিখতে হয়। যেন তিনি নিশ্চিত হতে পারেন যে এটা কোন মেলওয়্যার বা ভাইরাস জনিত ডকুমেন্টস নয়, বরং তার মনে হবে যে তিনি জব ব্যাংকে বা অন্য কোথাও বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন ওটার ভিত্তিতেই কেউ এই আবেদন করেছে। কাজেই, ইমেইল হচ্ছে সেই বিষয় যা প্রত্যেক নিয়োগকারীকে আপনার আবেদনের প্রতি আস্থা, বিশ্বাস এবং আগ্রহের জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করাতে সহায়তা করে।

➤ সিভি, কভার লেটার, ইমেইল লেখার স্পষ্ট ধারণা দিয়েছি। এবার জব পোর্টালে ঢুকে Eligibility চেক করুন, NOC ম্যাচ করুন, Responsibilities মিলিয়ে নিন, তাদের মূল ফোকাস বুঝুন এবং আপনার আবেদন সাবমিট করে দিন। খুব সহজ তাই না, আসলে যার যে কাজ তার কাছে এগুলো কঠিন কিছু না, যে কোন কাজে শুরু থেকে লেগে থাকলে ওই কাজের সকল খুটিনাটি জানা যায় এবং পেশাদার হওয়া যায়। সুতরাং ধৈর্য্য নিয়ে লেগে থাকা প্রয়োজন ঘাবড়ানোর কিছু নেই।

⚠️🚫 ইদানিং অনলাইনে চাকচিক্যময় এবং দেখতে সুন্দর সিভি, কভার লেটার এগুলোর ছবির পোস্ট দেখতে পাওয়া যায়। হ্যা, আপনার আমার দৃষ্টিতে সিভি গুলো দেখতে খুব সুন্দর এবং আকর্ষনীয় মনে হয় তবে এর মাঝে লেখা গুলো কতটা সঠিক আদৌ তা নিয়মের মধ্যে থেকে গ্রামার, সেনটেন্স, সঠিক হয়েছে কি না এটাই মূল সৌন্দর্য প্রকাশ করে। দেখুন উন্নত দেশের মানুষের মানসিকতা সোন্দর্য কেন্দ্রিক নয়, মূলত তারা ফলো করে সিভিতে উল্লেখিত তথ্য উপাত্ত গুলো তাদের দেশের প্রচলিত রুলস অনুযায়ী নির্ভুলভাবে দেখানো হয়েছে কি না, অর্থাৎ তারা প্রতিনিয়ত যে ধরনের রিজিউম/সিভি দেখে অভ্যস্থ আপনার সিভির ধরন তাদের রুচিসম্মত হয়েছে কি না এটাই মূল বিষয়। এক্ষেত্রে তাদের সিভির স্টাইল আপনার আমার কাছে পছন্দ নাও হতে পারে তবুও আপনি যে দেশে আবেদন করতে চান আপনার সিভি ওই দেশের নিয়মের সাথে মিল রেখেই তৈরি করতে হবে। সুতরাং আপনার পছন্দসই ডিজাইন করে, বিভিন্ন কালার দিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত চাকচিক্য লুক দিয়ে, কপি পেস্ট করে সিভি বা রিজিউম বানিয়ে কোন নিয়োগকর্তাকে মুগ্ধ করা যায় না বরং নিয়োগকর্তা আপনার ব্যক্তিত্য, মানসিকতা, এবং রুচিবোধ সম্পর্কে নেগেটিভ ধারণা পোষণ করবে। এর ফলে শত শত আবেদন করলেও আপনি কোন রেসপন্স পাবেন না।

✅ মনে রাখবেন, ইন্টারন্যাশনাল আবেদনের জন্য ডকুমেন্টস রেডি করতে হলে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের ডিমান্ড বা চাহিদা গুলোকে সর্বাধিক গুরুত্বের সাথে হাইলাইটস করতে হয়।

🌏 আপনি যদি অনলাইনে বিভিন্ন জব পোর্টাল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে ইচ্ছুক হয়ে থাকেন এবং কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ফিনল্যান্ড, জার্মানি, নিউজিল্যান্ডের স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী অর্থাৎ নিয়োগকারীগন তাদের দেশে প্রচলিত যে ধরনের রিজিউম, সিভি, কভার লেটার এবং প্রোফেশনাল ইমেইল দেখে অভ্যস্থ সেই অনুযায়ী ডকুমেন্টস রেডি করার সামর্থ্য থাকে, তাহলে আপনার দক্ষতা অনুযায়ী নিজে নিজে আবেদন করতে পারবেন। ধৈর্য ধরে আবেদন করে যান, একটা সময় দেখবেন কোথাও না কোথাও থেকে গুড নিউজ চলে আসছে। আবেদন করার পর হাত গুটিয়ে বসে থাকবেন না, বরং নিয়মিত আপনার ইমেইল চেক করবেন এতে কোন প্রতিষ্ঠান থেকে যদি আপনার আবেদনের প্রেক্ষিতে কোন ইমেইল বা উত্তর আসে তাহলে আপনি ওই ইমেইলের রিপ্লাই করতে দেরি করবেন না। এতে আপনি দ্রুত ইন্টারভিউ কল পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ।

🫴 অনেকেরই বিভিন্ন দেশ থেকে রেসপন্স আসে, কেউ কেউ ইন্টারভিউ কলও পেয়ে থাকে কেউবা অফার লেটারও পেয়ে যায়, ভিসা নিয়ে চলেও যায়। তবে এখানে সৌভাগ্যের বিষয়টাও জড়িত।

😥 তবে দুঃখজনক হলেও সত্যি আমার কিছু অসচেতন ক্লায়েন্ট আবেদন পরবর্তী মেইল চেক না করার কারনে, তাদের আবেদন প্রাথমিক বাছাইয়ে সিলেক্ট হওয়ার পরও সময়মত রিপ্লাই না দেয়ায় তাদের আবেদন বাতিল হয়ে গেছে 😭

👍নিজের পক্ষে নিজে আবেদন করতে অপারগ হলে এবং একান্তই যদি আপনার আবেদন করার সৎ ইচ্ছা থাকে সেই ক্ষেত্রে আমাকে নক করতে পারেন। তবে আমাকে ব্যবহার করে আপনার নিজের কাজ করিয়ে নিতে হলে পারিশ্রমিক প্রযোজ্য হবে। আমি মনে করি যার এই সার্ভিসটি সত্যিকার অর্থে প্রয়োজন সে কমেন্ট করবে না বরং ডিরেক্ট কল অথবা মেসেজ করবে। WhatsApp +8801914223049.

❌ আমি কোন এজেন্সির লোক নই, বরং কোন এক অফিসের মাধ্যমে কানাডাতে যাওয়ার ট্রাই করে মোটা অংকের টাকা খোয়া গিয়েছিল, এরপর থেকে ব্যক্তিগতভাবে মাসের পর মাস এগুলো বিষয়ে রাত দিন এক করে ঘাটাঘাটি, স্টাডি করে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। সারা বাংলাদেশের কোথাও আমার কোন অফিস অথবা দোকান নেই, এটা আমার অনলাইন ভিত্তিক অপশোনাল কাজ। কেউ আমার সাপোর্ট চাইলে আমি আমার রেগুলার কাজের ফাঁকে বাসায় থেকে এগুলো রেডি করে সাপোর্ট দিয়ে থাকি। যারা আবেদন বিষয়টা কি এটা বোঝেন না এবং আমার কাছে ভিসা আশা করেন দয়া করে তারা আমাকে কল অথবা মেসেজ করবেন না, প্লিজ 🙏

✔️ যারা জব রিলেটেড আবেদন করার অর্থ বোঝেন এবং উন্নত দেশের ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত মোটামুটি ধারণা রাখেন, মূলত আমার সার্ভিসটা তাদের জন্য প্রযোজ্য।

🖐️ কাজের ধরনের শেষ নাই তাই কাজের ধরন উল্লেখ করে পোস্ট অযথা বড় করতে চাচ্ছি না। যার যে কাজে ধারণা আছে কিংবা অভিজ্ঞতা আছে তার সেই কাজে আবেদন করা উচিৎ। সুতরাং কি পোস্টে আবেদন করতে চান সেটা আপনাকেই ঠিক করতে হবে। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে শত শত কাজের ধরন অনুযায়ী সার্কোলার আছে। নিচে কিছু ছবির মাধ্যমে কিছু কাজের ধরন এবং নিয়োগকারীদের ইমেইল দেখানো হয়েছে, চাইলে দেখে ধারণা নিতে পারেন।

❇️ বিশেষ নিউজঃ BOESL এর মাধ্যমে সরকারিভাবে বিদেশ যেতে অনলাইন রেজিষ্ট্রেশন, সিভি এবং আবেদন করে থাকি। আগ্রহীগন যোগাযোগ করতে পারেন।

🙏🙏 সবশেষে রিকুয়েষ্ট থাকবে যদি এই পোস্ট পড়ে উপকৃত হয়ে থাকেন এবং বিশ্বাস যোগ্য মনে হয় তাহলে পেইজে একটি লাইক দিবেন এবং আপনার বন্ধু আত্নীয়দের মাঝে শেয়ার করে আমাকে সাপোর্ট দিবেন, প্লিজ 🙏🙏

👍ধৈর্য ধরে সময় নিয়ে পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার সময় ভালো কাটুক, সৃষ্টিকর্তা আপনার সহায় হোক 🤲

📌🗣️📞প্রকৃত প্রয়োজনে WhatsApp +8801914223049.

Address

Mirpur
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Euro Cv Service posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Euro Cv Service:

Share