Bank Exam Preparation /ব্যাংক নিয়োগ পরিক্ষার প্রস্তুতি

  • Home
  • Bangladesh
  • Chittagong
  • Bank Exam Preparation /ব্যাংক নিয়োগ পরিক্ষার প্রস্তুতি

Bank Exam Preparation /ব্যাংক নিয়োগ পরিক্ষার প্রস্তুতি Bank Exam Preparation/ব্যাংক নিয়োগ পরিক্ষার প্রস্তুতি Bank preparation

১২তম গভর্নরজনাব, আব্দুর রউফ তালুকদার
07/06/2022

১২তম গভর্নর
জনাব, আব্দুর রউফ তালুকদার

05/06/2022

নতুন দুই বিভাগ পদ্মা ও মেঘনা ঘোষণাঃ
বাংলাদেশে বর্তমানে সর্বমোট বিভাগ ১০টি।
আগের ৮টিঃ- ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ এবং নতুন ২টিঃ- পদ্মা ও মেঘনা।
পদ্মা বিভাগঃ-ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও রাজবাড়ী জেলা নিয়ে গঠিত।
মেঘনা বিভাগঃ-কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষীপুর জেলা নিয়ে গঠিত।

©

18/05/2022

#*পরীক্ষার*হলের *আদবসমূহ

আমি কোনো সাজেশন দিতে আসিনি। আমি পরীক্ষার হলে সময় কিভাবে কাজে লাগাবেন সে নিয়ে কিছু বলতে এসেছি। যেহেতু সবগুলো ব্যাংকের লিখিত পরীক্ষা দরজায় কড়া নাড়ছে সেহেতু প্রস্তুতি নিয়ে নতুন কিছু বলে বিড়ম্বনায় ফেলতে চাইনা।

ব্যাংকের লিখিত পরীক্ষা মানে ২০০ মার্ক। এখানে আপনার হাতে সময় ২ ঘন্টা। পাগলা ঘোড়ার মতো আপনাকে লিখতে হবে। তার মানে এই নয় যে খুব তাড়াহুড়ো করবেন।
শুধু লিখলেই হবেনা, আপনাকে টু দ্যা পয়েন্ট লিখতে হবে। মাথা ঠান্ডা রাখতে৷ গত বিবি এডির রিটেন পরীক্ষায় আমার এডমিট কার্ডের ছবির সাথে বর্তমান চেহারা না মিলার কারণে (অনেক আগের ছবি ছিল তখন খুব হালকা ছিলাম) আমাকে খাতা দেয়া হয়েছিল পরীক্ষা শুরু হওয়ার ৩/৪ মিনিট পরে কিন্তু বিশ্বাস করেন আমার মাথা মোঠেও গরম হয়নি। আমার বিশ্বাস ছিল নিজের পরীক্ষা নিজেই দিতে এসেছি তাই পরীক্ষা আমাকে দিতে দিবে।

#কত মার্কের জন্য আপনি কত সময় লিখবেনঃ

এই সিদ্ধান্তটা আপনার নিজের উপর নির্ভর করবে এবং পরীক্ষার হলের পরিবেশের উপর নির্ভর করবে। তবে আমি যেটা ফলো করতাম সেটা হলো মার্ক ২০০ সময় ১২০ মিনিট অর্থাৎ ১২০/২০০=০.৬ মিনিট প্রতি মার্কের জন্য। প্রতি এক মার্কের বিপরীতে আপনি ০.৬ মিনিট পাচ্ছেন তাই ১০ মার্কের প্রশ্নের জন্য ৬ মিনিট নিবেন। এটা প্রশ্ন বুঝে কম বেশি হতে পারে।
আপনাকে খুব সাজিয়ে কোটেশন লেখা লাগবে না। কোটেশন আর তথ্য নির্ভর লেখা মানেই ভালো মার্ক তা কিন্তু না, তবে আপনি রচনার মতো করে সাজিয়ে তথ্য দিতে পারলে সেটা ভালো, শুধু শুধু তথ্য ভাণ্ডার দিতে যাবেন না৷ গ্রাফ দেখানো যেতে পারে যদি সময় থাকে।

খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা কথা, ম্যাথ কখনোই শেষে করবেন না।শেষের ৫/১০ মিনিট মাথা কাজ করেনা তাই ম্যাথ শেষে না করাই শ্রেয়।

পরীক্ষা শুরুর আগে আগেই পাশের জনের সাথে খেজুরে আলাপ না করাই ভালো তবে অতি মাত্রায় রূপবতী কেউ বসলে সুযোগ থাকলে একটু কথা বলে নিবেন নাহলে আফসোসের পাল্লায় পড়ে পরীক্ষা খারাপও হতে পারে।

আর লেখার সময় খেয়াল রাখবেন যেন হাতে ছন্দ থাকে। আমরা সবাই কবি তাই কাব্যিক ভাষা আমাদের দৃষ্টি সহজেই আকর্ষণ করে। তবে এর মানে এই নয় যে কবিতা লিখে দিয়ে আসবেন।

#লেখার ধরন কেমন হবে? কিভাবে লিখলে বেশি মার্ক পাব?

#বাংলাঃ
বাংলা ফোকাস লেখার সময় আপনি এমন ভাবে লিখবেন স্যার যেন আপনার খাতা পড়ার সময় অর্ধেক পড়ে পাতা না উল্টায় এমন ভাবে লিখবেন৷ অর্ধেক দেখে পাতা উল্টানো মানে অর্ধেক মার্ক।

১. ধরেন প্রশ্ন আসলো পরিবেশ বিপর্যয় নিয়ে আলোচনা করুন........
আপনি শুরুটা করতে পারেন এভাবে......
"সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকে মানুষ পরিবেশের সাথে যে বিরূপ আচরণ করছে তা যেন মনুষ্য স্বভাব জাত অঙ্গীকার। প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় অনেক আইন বাংলাদেশ এবং বহির্বিশ্বে করা হলেও সেগুলো যেন আজ অদৃষ্টের পরিহাস। পরিবেশবাদী সংস্থাগুলো চোখে কাঠের চশমা পরে বসে আছেন। "

২. ধরেন পদ্মা সেতুর অর্থনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন আসলো তখন শুরু করবেন........
স্বপ্নের পদ্মাসেতু এখন আর স্বপ্ন নয়, এ যেন দৃশ্যত জলন্ত এক অনন্ত ভালোবাসার নাম, যা বাংলাদেশের স্রষ্টা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা'র স্বপ্ন বুননের ফসল।

আপনার বাংলা ফোকাসটা হবে কাব্যিক ভাষায় লেখা। এতে করে যিনি খাতা দেখবেন তিনি সহজে খাতা থেকে চোখ সরাতে পারবেন না।

#ইংরেজিঃ
ইংরেজির ক্ষেত্রেও একই নিয়ম অনুসরণ করে লিখবেন। ইংরেজি লেখার সময় আপনি যদি কঠিন শব্দ ব্যবহার করতে গিয়ে পূর্ণ বাক্যের অবতারণা না করতে পারেন তাহলে কঠিন শব্দ পরিহার করবেন এবং সহজ ও সাবলীল ভাষায় নিজের মতামত উপস্থাপন করবেন। ব্যাকরণগত ভুল করা যাবেনা কারণ এটি আপনার মার্ক কমিয়ে দিবে। আপনি ব্যাকরণগত ভুল করলে যিনি খাতা দেখবেন তিনি মার্ক দিতে কৃপণতা করবেন।
ইংরেজি ফোকাস রাইটিং লেখার সময় পয়েন্ট আকারে না লিখে প্যারা প্যারা করে লিখুন। পারলে লেখার মাঝে নীল কালীর ব্যবহার করুন।
আর্গুমেনটেটিভ লেখার সময় অবশ্যই নিয়ম ফলো করে লিখবেন। প্রতিটা প্যারার শুরুতে Firstly, Secondly, On the other hand, last but not least এই টাইপ শব্দ জুড়ে দিবেন। এই শব্দ গুলো লেখার পরে একটা কমা দিবেন। আর এর জন্য সাইফোর্স এর বই ফলো করতে পারেন।

লেটার কিংবা রিপোর্ট লেখার সময় যথাযথ নিয়ম ফলো করবেন। নিয়মের ব্যত্যয় যেন না ঘটে সেদিকে খেয়াল রাখবেন। আর অবশ্যই আপনাকে পরিষ্কার সুন্দর করে লিখতে হবে যাতে যে কেউ আপনার খাতা পড়তে পারে।

অনুবাদ নিয়ে কিছু বলতে চাই। অনুবাদে মার্ক হলো ম্যাথের মতো তাই অনুবাদ লিখবেন সুন্দর ও সাবলীল ভাষায় তবে বেশি সময় নিয়ে লিখতে পারবেন না, সময় কম দিয়ে মানে ভালো করে অনুবাদ লিখতে হবে। ভাবানুবাদ লেখার চেষ্টা করবেন। আক্ষরিক অনুবাদ সর্বদা মঙ্গলজনক নয়।

#গণিতঃ
গণিতের জন্য আপনাকে আত্মবিশ্বাসী হতে হবে। আপনি যেটা উত্তর বের করছেন এটাই ঠিক এই ধারনা নিয়ে হল থেকে বের হবেন, পরের টা পরে। না হলে উত্তর করে পাশের জনকে জিজ্ঞেস করবেন উত্তর কত তখন যদি তার সাথে উত্তর না মিললে, আপ তো গায় ভাইসাহাব🤪

ম্যাথ করার আগে প্রশ্নটি দুইবার পড়বেন, মনোযোগ দিয়ে দেখবেন আসলে তারা কি জানতে চেয়েছে, ভাসা ভাসা দেখলে, পরীক্ষার হল থেকে বের হয়ে বলবেন, ও ভাই মারো মুঝে মারো......
ম্যাথ সব পারতে হবে এমন না, যে কয়টা পারবেন সেটাই এনাফ তাই কার কয়টা হলো পরীক্ষার হলে জিজ্ঞেস করার কোন দরকার নেই। বিবি এডি তে একটাও ম্যাথ হয়নি অথচ ভাইভা দিয়েছেন এমনও আছে। তাই ম্যাথ না হলে ফেল এসব চিন্তা বাদ দিন।
আমি আবারো বলছি ম্যাথ সবার প্রথমে না করেন তবে সবার শেষে করতে যাবেন না, পারা ম্যাথও পারবেন না।

#সাধারণ_জ্ঞানঃ
চাকরি প্রত্যাশিদের কাছে বর্তমান সময়ে সাধারণ জ্ঞান এক আতংকের নাম। এই আতংক থেকে বাচঁতে হলে নিয়মিত পত্রিকা পড়বেন এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নোট করে রাখবেন। অতি সাম্প্রতিকসহ সাম্প্রতিক বিষয়াবলী গুলো নিজের আয়ত্তে নিয়ে নিবেন।
ব্যাংকে চাকরি করবেন অথচ কোন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কোনটি সেটা না জানলে হয়?
সব মুখস্ত করা সম্ভব নয় তাই যেগুলো না পড়লেই নয় সেগুলো দেখে যাবেন। ব্যাংকের সাথে জড়িত সকল টার্ম দেখে যাবেন যেমন BACH, CTR, STR, SWIFT ইত্যাদি।

মাথা ঠাণ্ডা রেখে যারা দুই ঘন্টা ভালো খেলতে পারবেন তারাই হবেন আগামীদিনের ব্যাংকার।

পরিশেষে সকলের জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা রইল।

লেখকঃ চৌধুরী মোহাম্মদ ইমরান
ব্যবস্থাপক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।
সহকারী পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক (সুপারিশপ্রাপ্ত)।

13/05/2022

বাংলাদেশ *ব্যাংকের *সহকারী *পরিচালক *পদঃ কেন* এতো* জনপ্রিয়*?
ফেরদৌস কবির
জয়েন্ট ডিরেক্টর
বাংলাদেশ ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক পদের চাকুরীটি নিঃসন্দেহে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয়তম চাকুরীগুলোর মধ্যে অন্যতম। রিসার্চ, পলিসিমেকিং ইত্যাদি বিষয়ে বরাবরই মেধাবীদের একটা আকর্ষণ কাজ করে, এজন্য সহকারী পরিচালকদের প্রায় প্রতিটি ব্যাচেই আইবিএ, বুয়েট এবং শীর্ষ ইউনিভার্সিটিগুলোর ইকোনমিক্স ডিপার্টমেন্টের গ্রাজুয়েটদের আধিক্য দেখা যায়। যারা রিসার্চ এবং পলিসিমেকিং রিলেটেড কাজের আকর্ষণে পড়াশোনা শেষের পরে দেশের বাইরে পাড়ি জমাতে চান তাদের মধ্যেও এই চাকুরীটির প্রতি একটা আকর্ষণ কাজ করে।
মূল আলোচনায় যাওয়ার আগে আমি সেন্ট্রাল/কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়ে সামান্য কিছু বলতে ইচ্ছুক, নাহলে অনেকের মধ্যে সেন্ট্রাল ব্যাংক বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক সম্পর্কে একটা ভুল ধারণা থেকেই যাবে। অনেকেই মনে করেন সেন্ট্রাল ব্যাংক আর দশটা সাধারণ ব্যাংকের মতোই একটি ব্যাংক। ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল। আমি সেন্ট্রাল ব্যাংকে জব করি শুনে অনেকেই জিজ্ঞেস করে...ভাই, আপনাদের ব্যাংকের এফডিআর এর রেইট কেমন, লোন ফ্যাসিলিটি কেমন ইত্যাদি ইত্যাদি। আমি দুই-এক কথায় চেষ্টা করি তার ভুল ভেঙ্গে দিতে। সেন্ট্রাল ব্যাংক ব্যাংকিং সার্ভিস দেয় শুধুমাত্র দেশের সরকারকে এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে (গুলিয়ে ফেলবেন না। ব্যাংকও একধরণের আর্থিক প্রতিষ্ঠান। কিন্তু আমাদের দেশে NBFI গুলোর আইনী নাম হলো "আর্থিক প্রতিষ্ঠান")। এজন্য সেন্ট্রাল ব্যাংককে বলা হয় সরকারের ব্যাংক।
🟢বিখ্যাত আমেরিকান কলামিস্ট ও ব্যঙ্গ লেখক উইলিয়াম রজার্স একটি অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, “সভ্যতার শুরু থেকে তিনটি দুর্দান্ত আবিষ্কার হলো: আগুন, চাকা ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকিং”। এ উক্তি থেকে দেশের অর্থনীতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এর গুরুত্ব কিছুটা হলেও উপলব্ধি করা যায়। উন্নতির সোপানে পৌঁছানোর জন্য রাষ্ট্র যে কয়টি সংস্থার উপর প্রত্যক্ষভাবে নির্ভর করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের অন্যতম। অর্থশাস্ত্রে ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংক’ কে বলা হয় Lender of the Last Resort বা ‘শেষ অবলম্বনের ঋণদাতা’ অর্থাৎ দেশে অর্থ সংকট দেখা দিলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকার বা বাণিজ্যিক ব্যাংক-কে সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা দিয়ে অর্থ প্রবাহে গতি সৃষ্টির মাধ্যমে আর্থিক খাতকে বাঁচিয়ে রাখে এবং আর্থিক খাতের উপর জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনে।
🟢‘প্রথম আলো’তে গত ১৯ এপ্রিল ২০২০ একটি আর্টিকেল প্রকাশিত হয় যার শিরোনাম ছিলো “সবাই তাকিয়ে আছি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দিকে”। বৈশ্বিক মহামারী ‘করোনা’র ছোবল থেকে দেশের অর্থনীতিকে বাঁচাতে বাংলাদেশের ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংক’ অর্থাৎ ‘বাংলাদেশ ব্যাংক’ কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করে আর তা কিভাবে বাস্তবায়ন করে তার দিকে তাকিয়ে ছিলেন সরকারের নীতি-নির্ধারক, বেসরকারি নীতি-বিশ্লেষক ও বড় ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ।
🟢বিশ্বের বেশিরভাগ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নামের মধ্যে ‘ব্যাংক’ শব্দটি থাকলেও পৃথিবীর কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংকই প্রকৃতপক্ষে “ব্যাংক বা ব্যাংকিং ব্যবসা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান নয়”; তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নামের শেষে “কর্পোরেশন, লিমিটেড বা লিঃ লেখা যায় না”। বাণিজ্যিক বা তফসিলি ব্যাংক এর উদ্দেশ্য জনগণকে ব্যাংকিং সেবা প্রদানের মধ্যমে মুনাফা অর্জন করা। পক্ষান্তরে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক জনগণের সাথে সরাসরি কোনো ব্যাংকিং করে না, বরং “সরকারের ব্যাংক” হিসেবে কাজ করে এবং আর্থিক বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দেয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক দক্ষভাবে Monetary Instrument সমূহ পরিচালনার মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন তথা “জনকল্যাণে কাজ করে” (মুনাফা অর্জন উদ্দেশ্য নয়) এবং সরকারের অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তা করে।
🟢কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর মৌলিক কাজগুলো হলো “মুদ্রানীতি পরিচালনা, কারেন্সি ইস্যু, রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক খাতের ব্যবস্থাপনা” ইত্যাদি। অনেক কেন্দ্রীয় ব্যাংক “মৌলিক কাজের” পাশাপাশি “আর্থিক প্রতিষ্ঠানের রেগুলেটরি ও সুপারভাইজরি অথরিটি” হিসেবে, দেশের পেমেন্ট সিস্টেমস ব্যবস্থাপক এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধেও কাজ করে। আবার বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারের পক্ষে সঞ্চয়পত্র বিক্রি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত কাজও করে, যেটি মোটেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কোন কাজের মধ্যেই পড়েনা।
(উপরের চারটি প্যারা আমার একজন ব্যাচমেইট কলিগের অনুমতিক্রমে তার পোস্ট থেকে কপি করা)
এবারে চলে আসি মূল আলোচনায়ঃ
✅সহকারী পরিচালক (জেনারেল) নিয়োগ পরীক্ষার পদ্ধতিঃ👇🏿👇🏿👇🏿👇🏿
🟢সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষার ক্ষেত্রে প্রাইভেট ব্যাংকের মতো কোন শর্টলিস্টিং করা হয়না; আবেদনের ন্যুনতম যোগ্যতা থাকলেই আপনি খুব সহজে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এবং...এ যোগ্যতাও খুবই শিথিল। সরকার অনুমোদিত যেকোন ধরণের ইউনিভার্সিটি থেকে অনার্স (পাসকোর্স হলে তার সাথে মাস্টার্স থাকতে হবে) থাকলেই এনাফ। রেজাল্টের কিছু বাধ্যবাধকতা আছে অবশ্য। একটা সার্কুলার দেখে নিলেই ক্লিয়ার হয়ে যাবে সব। আবেদন করতে এক টাকাও লাগবেনা।
🟢পরীক্ষার পারফরম্যান্সটাই সবকিছু এখানে। আলাদা কোন স্কিলের টেস্ট নেওয়া হয়না এখানে। আপনি যদি নিয়োগ পরীক্ষায় ভালো করতে পারেন তাহলেই হবে, অতীত কোন ব্যর্থতার জন্য কোনধরণের বিরূপ প্রভাব পড়বেনা আপনার ফলাফলে। সিজিপিএ বেশী খারাপ হলে ভাইভা বোর্ডে বড়জোর জিজ্ঞেস করা হতে পারে কারণ। কোন ইউনিভার্সিটি থেকে পড়েছেন, মাদ্রাসা ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে এসেছেন কি না…এসব কিছুই ম্যাটার করবেনা। তবে আইবিএ, বুয়েট বা টপ ইউনিভার্সিটির টপ সাবজেক্ট হলে ভাইভা বোর্ডে একটা পজিটিভ ইমপ্রেশন কাজ করবে।
🟢যারা ডাইভার্সিফায়েড কাজ খুব পছন্দ করেন তাদের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক খুব ভালো একটা অপশন হতে পারে। এটাকে "সেন্ট্রাল ব্যাংক" না বলে বরং "সেন্ট্রাল ব্যাংকিং সিস্টেম" বললেই ভালো হবে। অনেকগুলো অফিস এবং ডিপার্টমেন্টের সমন্বয়ে গঠিত এই সেন্ট্রাল ব্যাংকিং সিস্টেম। "পানি উন্নয়ন বোর্ড", " তুলা উন্নয়ন বোর্ড" টাইপের প্রায় ৪৫-৫০ টি ডিপার্টমেন্ট নিয়ে এই "সেন্ট্রাল ব্যাংকিং সিস্টেম"। বলা হয়ে থাকে একজন তুখোড় সেন্ট্রাল ব্যাংকার এক জীবনে বড়জোর ৬-৭ টা ডিপার্টমেন্টের কাজে এক্সপার্টাইজ অর্জন করতে পারে। এতোটাই বড় ব্যাপ্তি সেন্ট্রাল ব্যাংকের কাজের। সেন্ট্রাল ব্যাংকে আমার নিজের যোগদানের ৭ বছর পূর্ণ হয়ে গেলো। এর মধ্যে ছয় বছর আমি যেখানে কাজ করেছি সেটি পুরোদস্তুর একটি গোয়েন্দা সংস্থা (ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট)। আপনার প্রেষণে কাজ করার সুযোগ হতে পারে দুর্নীতি দমন কমিশন, বোর্ড অব ইনভেস্টমেন্ট এবং এনবিআর এও। ভালো কর্মকর্তা হলে লিয়েনে কাজ করার সুযোগ আসতে পারে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক বা আইএমএফ এ। আবার সিনিয়র লেভেলে গেলে এমনও হতে পারে আপনাকে বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে সমস্যায় আছে এরূপ কোন ব্যাংক বা এনবিএফআই এর শীর্ষপদে। এই লেভেলের ডাইভার্সিফায়েড কাজ করার সুযোগ আপনি দেশের আর কোন জবেই পাবেন না।
🟢রয়েছে বাইরের বিভিন্ন নামকরা ইউনিভার্সিটিতে স্কলারশিপের সুযোগ। AusAid, JDS, JISPA, ADB-JSP, DAAD, Endeavour Leadership Program, KOICA scholarship program, Chinese Govt Scholarship, USA Full Bright...কি নেই তালিকায়! সবগুলোতেই সেন্ট্রাল ব্যাংকারদের জন্য এক্সট্রা প্রিভিলেজ। আবার এমন অনেক স্কলারশিপ আছে যেখানে সেন্ট্রাল ব্যাংকার নাহলে আবেদনই করতে পারবেন না। যেমন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের Williams College এর Center for Development Economics। গত প্রায় ১৫ বছর ধরে উইলিয়ামস কলেজ ফোর্বস ম্যাগাজিনের র‍্যাংকিং অনুযায়ী ইউএসএ'র সেরা লিবারেল আর্টস কলেজগুলোর মধ্যে ১ নম্বরে অবস্থান করছে। অ্যাকসেপট্যান্স রেইট মাত্র ১৩%। ওখানের পলিসি ইকোনমিক্স এ এক বছরের মাস্টার্সের খরচ ৬৮ হাজার ডলার। ওরা এই কোর্সে জন্য প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে দুজন করে প্রফেশনালস কে সুযোগ দেয়। একজন সেন্ট্রাল ব্যাংক থেকে একজন সরকারের অর্থ বিভাগ থেকে। জিআরই তে ডিসেন্ট একটা স্কোর লাগে বিধায় প্রায় প্রতিবছরই এখানে শুধুমাত্র সেন্ট্রাল ব্যাংকের কর্মকর্তারাই যেতে পারেন। আবার ইউএসএর টপ ইউনিভার্সিটিগুলো (আইভি লিগসহ) যেখানে হয়তো ভর্তি হতে পারাটাই খুব ভাগ্যের ব্যাপার সেখানেও দেখা যায় সেন্ট্রাল ব্যাংকার পরিচয়ে আপনি প্রিভিলেজ পাচ্ছেন।
🟢সবচেয়ে বড় একটি সুবিধা হলো পোস্টিং হবে শহর এলাকায়। বিভাগীয় শহরগুলো ছাড়া কোথাও কোন কার্যালয় নেই (বগুড়া ব্যতিক্রম)। বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল কাজগুলো সম্পাদিত হয় মূলত ঢাকার প্রধান কার্যালয় এবং মতিঝিল কার্যালয় থেকে। দুইটাই একই বাউউন্ডারির মধ্যে, মতিঝিলে। এখানেই কাজ করে প্রায় ৬০০০-৬৫০০ এমপ্লয়ি। বাকী কার্যালয়গুলোতে গড়ে ৩০০-৬০০ জন করে এমপ্লয়ি। শুধুমাত্র শহর এলাকায় পোস্টিং হওয়ার কারণে আপনার সন্তানকে ভালো স্কুল-কলেজে পড়াশোনা করাতে পারবেন কিনা সে টাইপ দুশ্চিন্তা একটু কম থাকবে।
🟢প্রোমোশন পলিসি খুবই স্মুদ। আপনার পারফরম্যান্স যদি খুব বেশী খারাপ না হয়, অথবা সিনিয়র কারও সাথে সরাসরি বেয়াদবি না করেন তাহলে পিএমএস (এসিআর) খারাপ হবেনা। সিরিয়াল মেইনটেইন করা হয় অটোমেশনের মাধ্যমে। সিনিয়রিটি ব্রিচ করে কাউকে প্রমোশন দিয়ে দেওয়ার প্র্যাকটিস নেই মোটেই। সময় হলে অটোম্যাটিক্যালি দেখবেন আপনার প্রমোশন হয়ে গেছে। কাউকে ধরাধরি করার কোন দরকার নেই; সে প্র্যাকটিসও নেই এখানে।
🟢ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালান্সের বিষয়টি পুরোপুরি আপনার নিজের উপরে নির্ভর করবে। কাজের প্রেশার নির্ভর করবে আপনি কোন ডিপার্টমেন্টের কোন সেকশনে পোস্টেড তার উপরে। ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটে আমার পোস্টিংয়ের প্রথম চার বছর আমাকে গড়ে রাত ৮ঃ৩০ টা পর্যন্ত অফিস করতে হয়েছে। এর মধ্যে টানা প্রায় দুই বছর শুক্র-শনিবার ছুটির দিনেও অফিস করতে হয়েছে। আবার আমার অফিসেই এমন সেকশন ছিলো যেখানে গৎবাঁধা ১০ টা-৬ টা অফিস; আবার অফিসে বেশীরভাগ সময়েই হাতে কাজ থাকেনা। যেখানে গুরুত্বপূর্ণ কাজ বেশী সেখানে দেশের বাইরে ট্রেনিং প্রোগ্রাম, সেমিনার, কনফারেন্স এ অংশগ্রহণ করারও সুযোগ বেশী। পারফরম্যান্সের মাধ্যমে কিভাবে নিজের অবস্থান তৈরী করে নিতে হবে। আমার একজন এক্স সুপারভাইজর এ পর্যন্ত ৩৭ টি দেশে সরকারী কাজে ভ্রমণ করেছেন। এর মধ্যে অনেক দেশে আবার একাধিকবার।
🟢নিজের কাজ নিজেকেই করতে হবে। ২০০২ সালের দিকে সম্ভবত যখন বাংলাদেশ প্রতিবছর দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হচ্ছিলো তখন দেশে দুর্নীতি কমানোর জন্য ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের কিছু রিকমেন্ডেশনস ছিলো। এর মধ্যে অন্যতম ছিলো বড় বড় সরকারী অফিসগুলোতে ৩য়/৪র্থ শ্রেণীর নিয়োগগুলো বন্ধ করে দেওয়ার; কারণ তাদের অবজারভেশন ছিলো আমাদের দেশের দুর্নীতির বেশীরভাগই এদের মাধ্যমে হয়। তখন অন্য কোন প্রতিষ্ঠান তাদের রিকমেন্ডেশন অনুযায়ী না কাজ করলেও দেশের একমাত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক সেটি অ্যাডপ্ট করে। ফলাফল...আপনিই কর্মকর্তা, আপনিই পিয়ন। বিদেশী কালচারের মতো। অন্য সকল সরকারী প্রতিষ্ঠানে ৩য় শ্রেণীর কর্মচারীরা অফিস নোট রেডি করে দেয়, কর্মকর্তারা শুধু সাইন করেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের এডি/ডিডি রা নিজেরাই নিজেদের অফিস নোট টাইপ করবে, নিজেরাই ফটোকপি করবে, স্ট্যাপলিং করবে, ফাইলিং করবে। এটার কারণে যদিও মাঝে মাঝে খুব বিরক্ত হই আমরা। প্রচুর প্রোডাক্টিভ সময় নষ্ট হয়।
🟢প্রচুর পাওয়ার...কিন্তু পাওয়ার এক্সারসাইজের সুযোগ নেই। অন্যান্য সরকারী অফিসের কর্মকর্তাদের মতো শো-অফের সুযোগ নেই। সুযোগ নেই বলা ভুল; আসলে সেই কালচারটা নেই এখানে। আমাদের এখানে যে সবাই ধোয়া তুলসী পাতা সেটা বলছিনা। অনেকেই সুযোগ পেলে দুই-চারটা কলা-মুলো নেন না সেরকম না। তবে তারা সংখ্যায় খুবই নগণ্য এবং তাদেরকে অফিসে খুবই বক্রচোখে দেখা হয়।
🟢বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে তুলনা করলে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কাজ মূলত ছিঁচকে চোর ধরা টাইপ। সেটা নিয়েই প্রত্র-পত্রিকায় তাদের হাজার অস্ফালন। এরকমও শোনা যায় যে অনেকেই জনপ্রিয়তা অর্জন করার জন্য নিজের পকেট থেকে টাকা দিয়ে পত্রিকায় রিপোর্ট করান...হা হা হা। অন্যদিকে আমাদের এখানে কাজ করতে হয় রাঘব-বোয়াল ও না, তিমি মাছের এগেইন্সটে। দেশের সর্বোচ্চ প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। অন্যরা যেখানে ৫-১০ লাখ টাকার দুর্নীতি/আত্মসাৎ ধরলে ফলাও করে নিউজপেপারে চলে আসে আমাদের এখানে এ সুযোগ নেই। কিন্তু আমাদের কেইসগুলো থাকে হাজার হাজার কোটি টাকার। খেলতে হয় Catch me if you can টাইপের অপরাধীদের বিরুদ্ধে। আমার পাশের ডেস্কের কলিগ কয়েকদিন আগেই একটা ব্যাংকের ৭৬ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি ধরে সেই ব্যাংককে সেটা সরকারী কোষাগারে জমা দিতে বাধ্য করেছেন। কি ইউনিক একটা বুদ্ধি করে যে তারা সেই ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে সেটা যদি জানতেন! রাঘববোয়ালদের সাথে বুদ্ধির খেলায় জিততে হবে আপনাকে। জিতে গেলেও কিন্তু মানুষকে সেটা জানাতেও পারবেন না। অথচ নিউজপেপারে অন্যান্য সরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সামান্য (৫-৭ লাখ) টাকার কেইস ক্র‍্যাকডাউনের পর নিউজপেপারে দেখবেন তাদের কি পরিমাণ বন্দনা হয়। এনিওয়ে...এ ধরণের বড় বড় কাজ করবেন দেশের জন্য, কিন্তু কাক-পক্ষীও জানতে পারবেনা আপনার কাজের কথা...এই কন্ডিশনে যদি রাজী থাকেন তাহলে আপনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক। যদিও প্রভাবশালীদের দাপটে তেমন কিছুই করতে পারবেন না সেটা ধরে রাখবেন আগে থেকেই। কিন্তু যখনই একটু ফাঁকফোকর পাবেন ইচ্ছামতো আঁচড়ে দেওয়ার সুযোগ পাবেন। সেই আঁচড়ের মূল্যই দেখবেন ৩-৪ হাজার কোটি টাকা!
যাহোক, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি আসলে সবখানেই থাকে। আপনি যদি শো-অফ করতে চান, ফেসবুকে লক্ষ লক্ষ ফলোয়ার (তাদের বেশিরভাগই হয়তো উপরে উপরে আপনাকে প্রেইজ করলেও মনে মনে বাবা-মা তুলে গালি দেয়) পেতে চান...তাহলে আপনার জন্য অন্য পাবলিক সার্ভিস ভালো হবে। অবশ্য আমার পরিচিত অনেকেই আছে পাবলিক সার্ভিসে যারা সরাসরি জনগণকে সেবা করার লক্ষ্য নিয়েই গেছে সেখানে। শো-অফ, ফলোয়ার এসবের ধার ধারেন না তারা। সেন্ট্রাল ব্যাংকাররা আসলে পাবলিক থেকে দূরে। সাধারণ জনগণকে আসলে কোন সার্ভিসই দেওয়ার সুযোগ নেই তাদের। কপাল খারাপ হলে সঞ্চয়পত্র বিক্রি টাইপের জায়গায় যদি পোস্টিং পেয়ে যান তখন আবার সাধারণ জনগণকে সার্ভিস দেওয়ার সুযোগ পাবেন।
শেষে একটা কথা বলতে চাই...কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দিয়েও মাঝে মাঝে পিয়নের কাজ করার মতো মানসিকতা থাকলে আপনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক চমৎকার একটা ওয়ার্কপ্লেস হবে। ক্যারিয়ার নিয়ে আফসোসে ভুগবেন না কখনো। সবসময় শহর এলাকায় পোস্টেড থাকবেন এটাকেও অনেকে বেশ ভালো একটা সুযোগ মনে করেন।
এডি নিয়োগের জন্য অলরেডি নতুন সার্কুলার হয়ে গেছে। সঠিক উপায়ে প্রিপারেশন নিতে থাকেন। ইন শা আল্লাহ হয়ে যাবে। এবারে এডি নিয়োগের প্রস্তুতি নিয়ে বেশ কিছু পোস্ট দেওয়ার ইচ্ছা আছে। কানেক্টেড থাকবেন।
✍️✍️✍️✍️✍️
ফেরদৌস কবির
জয়েন্ট ডিরেক্টর
বাংলাদেশ ব্যাংক, চট্টগ্রাম।

Bangladesh Bank AD হওয়ার সুযোগ পাবেন।
12/05/2022

Bangladesh Bank AD হওয়ার সুযোগ পাবেন।

বাংলাদেশ পুলিশের ক্যাডেট এসআই (নিরস্ত্র) পদে নিয়োগ পরীক্ষা, ২০২১ এর  #বুদ্ধিমত্তা_ও_মৌখিক পরীক্ষা (Aptitude Test & Viva ...
02/05/2022

বাংলাদেশ পুলিশের ক্যাডেট এসআই (নিরস্ত্র) পদে নিয়োগ পরীক্ষা, ২০২১ এর #বুদ্ধিমত্তা_ও_মৌখিক পরীক্ষা (Aptitude Test & Viva Voce) আগামী ০৯ মে হতে ০৯ জুন ২০২২ তারিখ অনুষ্ঠিত হবে।

হট নিউজঃ প্রবেশপত্র ডাউনলোড নোটিশঃ               সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান।              পদের নামঃ সিনিয়র অফি...
20/04/2022

হট নিউজঃ
প্রবেশপত্র ডাউনলোড নোটিশঃ
সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
পদের নামঃ সিনিয়র অফিসার (জেনারেল)।
পদ সংখ্যাঃ ১০৬৯ টি।
জব আইডিঃ 10146 ।
আগামী ১৯/০৫/২০২২ তারিখের মধ্যে ওয়েবসাইট হতে প্রবেশপত্র সংগ্রহের জন্য পরামর্শ দেয়া যাচ্ছে।

18/04/2022

বাংলাদেশ ব্যাংক সহকারী পরিচালক(জেনারেল) ভাইবা...!
সময়: ১৫-১৮ মিনিট
সিরিয়াল: ৫
সাবজেক্ট: হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য-ব্যবস্থাপনা।
বোর্ড মেম্বার ৪ জন

আমি: May i come in sir?
বোর্ড: Yes come in.
আমি: আসসালামু অলাইকুম স্যার।
বোর্ড: অলাইকুম আসসালাম, Take your Seat.
আমি: Thanks You sir.
বোর্ড: আপনার নাম কি?
আমি: মতিয়ার রহমান।
বোর্ড: পড়াশুনা কোথায় করেছেন? এখন কি করছেন?
আমি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাববিজ্ঞান এ বিবিএ এবং এমবিএ করেছি স্যার। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকে অফিসার হিসেবে কর্মরত আছি স্যার।
বোর্ড: কোথায় আছেন?কোন শাখায় আছেন?
আমি: স্যার আমি সদরঘাট ব্রাঞ্চে কল্যান শাখায় আছি স্যার।
বোর্ড: কল্যান শাখায় কি কাজ করেন?
আমি: স্যার কোম্পানির ঔষুধ ক্রয় করে বিল পেমেন্ট করি স্যার।
বোর্ড: চিকিৎসা কেন্দ্রে কাজ করেন? না কি?
আমি: না স্যার আমি কল্যান শাখায়, চিকিৎসা কেন্দ্র স্যার আলাদা।
বোর্ড: কল্যান শাখায় তো আরো কার্যাবলি আছে জানেন সেগুলা? অভারল কি কি কাজ করতে হয় কল্যান শাখার?
আমি: স্যার বিভিন্ন ঔষুধ সম্পর্কিত কার্যাবলী, শিক্ষাভাতা, বিদেশ ভ্রমণ, ঔষুধের নো স্টক কার্যাবলী এসব কাজগুলোই করা হয় স্যার।
বোর্ড: আপনার দেশের বাড়ি কোথায় যেনো?
আমি: স্যার রাজবাড়ি তে।
বোর্ড: তাহলে বলেন বঙ্গবন্ধু মোট কতদিন জেল খেটেছে?
আমি: স্যার সম্প্রতি একটি বই বের হয়েছে ৫০৫৩(সঠিক উত্তর ৩০৫৩দিন) দিনের কিন্তু সঠিক কতদিন জেলে ছিলেন ঠিক এই মুহুর্তে মনে করতে পারছি না স্যার।
বোর্ড: আপনার সাবজেক্ট কি ছিলো?
আমি: স্যার হিসাববিজ্ঞান।
বোর্ড: তাহলে বলেন রিজার্ভ ও প্রভিশনের মধ্যে পার্থক্য কি?
আমি: স্যার প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যত Strength এর কথা চিন্তা করে রিজার্ভ রাখে আর ভবিষ্যত দায় মিটানোর উদ্যেশ্যে প্রোভিশন রাখা হয়। রিজার্ব চাইলে বাইরে ইনভেস্ট করা যায় কিন্তু প্রভিশন চাইলে বাইরে বিনিয়োগ করা যায় না। আর স্যার রিজার্ব রাখা বাধ্যতামূলক নয় কিন্তু প্রোভিশন রাখা বাধ্যতামূলক।
বোর্ড: তুমি একাউন্টিং এর ছাত্র তোমার কাছ থেকে আরো ডিটেইলস জানতে চেয়েছিলাম। ভাসা ভাসা হয়ে গেলো না?
বোর্ড: একাউন্টিং এর Concept, Assumption, Princples জানো তো?
আমি: জ্বী স্যার।
বোর্ড: বলো অবচয় রাখা হয় কোন নীতি অনযায়ী?
আমি: তোতলামি করতেছিলাম। মাথায় শুধু ম্যাচিং প্রিনসিপল টা ঘুড়পাক খাচ্ছিলো। বলেছি সরি স্যার এ মুহুর্তে মনে করতে পারতেছি না। (সঠিক উত্তর: হিসাবকাল ধারনা অনুযায়ী।)
বোর্ড: তাহলে বলো Accounting Princples আছে কয়েকটা সেগুলা।
আমি: স্যার, Revenues Recognition Principle, Matching Principle, Cost Benefits Principle, Economic Entity Principle Consistency Principle & Historical Cost Principle.
বোর্ড: এবার বলো একান্টিং এবং ম্যানেজারিয়াল একাউন্টিং এর মধ্যে পার্থক্য কি?
আমি: সময় নিচ্ছিলাম একটু। তখন বোর্ড বুঝাচ্ছিলো আর বলতেছিলো ম্যানেজারিয়াল একাউন্টিং কোর্স করেছো না? আমি মাথা নেড়ে শুধু জ্বী স্যার জ্বী স্যার করেছি। তাহলে বলো।
আমি: স্যার একাউন্টিং শুধু ট্রানজেকশন গুলো প্রসেস করে তথ্যে রুপান্তর করে যেটা Interest Users দের ডিজিশন নিতে সুবিধা হয় যে তারা প্রতিষ্টানে বিনিয়োগ করবে কি না। এখানে Interest Users স্যার পাওনাদার ও ভবিষ্যত বিনিয়োগকারিরা।
আর ম্যানেজারিয়াল একাউন্টিং স্যার একাউন্টিং এর তথ্যগুলো উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের যেমন (HRD ও প্রোডাকশন) মধ্যে সমন্বয় করে প্রতিষ্ঠানের সার্বিক বিষয়ে নিয়ে কাজ করে। ( আমার মাথা পুরাই ব্লাংক ছিলো তখন)
বোর্ড: তুমি একাউন্টিং এর ছাত্র। তোমার কাছ থেকে আরো গভির উত্তর চেয়েছিলাম। যাই হোক, বলো Contract এবং Law এর মধ্যে পার্থক্য কি?
আমি: বললাম স্যার Contract লিখিত মৌখিক উভয় প্রকার হতে পারে। ল টা স্যার আইন।( মনে মনে বলতেছি ২য় বর্ষে না কোন বর্ষে পড়েছি কিছুই মাথায় আসবে না। ব্যাংকিং ডিপ্লোমা করতেছে যারা নতুন তারা ভালো পারবে)
বোর্ড: হাসি দিয়ে সবাই বলতেছে, ল মানেই তো আইন সেটাই বলো।
আমি: বললাম স্যার এই মূহুর্তে কিছু বলতে পারতেছি না।
বোর্ড: তাহলে বলো অডিট এবং এসুরেন্সের মধ্যে পার্থক্য কি?
আমি: এসুরেন্স স্যার অডিটের মধ্যেই একটা অংশ। তারপর স্যারেরা পার্থক্য বলতে বললো
আমি সোরি স্যার বলে মাফ চাইলাম।
তবু ছাড়ে না আমাকে।
তারপর বোর্ড চেয়ারম্যান পাশের জন কে বলতে বললেন।
বোর্ড: As you are a employee of Bangladesh Bank, Which steps are required to need for the Bangladesh Bank?
আমি: Sir, As i am working as the Welfare Section, so i wanted to say that. In Bangladesh the largest number of Employee are working in Banking Sectors. So i think that in all distric there must have a Bank School and Bank Hospital for the Bank Employee.
Board: Ok Good. কেন আপনাকে আমাদের ব্যাংকে নিবো বা আপনার Strength টা কি?
আমি: স্যার যেহেতু আমি হিসাববিজ্ঞান এ (বিবিএ এবং এমবিএ) ডিগ্রি অর্জন করেছি সেহেতু ব্যাংকের ফিনান্সিয়াল বিষয়গুলো আমার মুটামুটি জানা সে হিসেবে স্যার আমি ব্যাংক রিলেটেড বিষয়গুলো আমার আয়ত্ত্বে। তাই স্যার আমি মনে করি আমি বাংলাদেশ ব্যাংকে ভালো করতে পারবো।
আবার চেয়ারম্যান স্যার...
বোর্ড: বলো ব্যাংকে কয়টি ফিনান্সিয়াল স্টেটমেন্ট তৈরি করে এবং কি কি?
আমি: স্যার
1.Statement of Financial Performance,
2. Statement of Financila Position,
3. Statement of Cash Flow, 4. Statement of Owners Equity,
& sir 5. Footnotes.

বোর্ড:(একজন ম্যাম) তোমাদের ট্রেনিং হয়েছে?কোথায় যেনো ট্রেনিং হয়?
আমি: না ম্যাম, পাশ থেকে স্যারেরা বললো করোনার কারনে ম্যাম ওদের ট্রেনিং পরে হবে।
বোর্ড: তাহলে বলো একজন ব্যাংকার কি জামানত ছাড়া কোনো ঋন দিতে পারে?
আমি : (HSC তে পড়েছিলাম ব্যাংকিং এ মনে আসতেছে না কিছুউ সব ঝাপসা।) এখন শুধু বললাম ম্যাম জামানত টা রাখা হয় লোনের সিকিউরিটি বাবদ যাতে লোন টা ডিফল্ট না হয়। আমি তারপর স্টেটকার্ট ভুল বলে দিলাম যে না ম্যাম দিতে পারে না।
ম্যাম তখন সংশোধন করে বললো যে দিতে পারে। পাশ।থেকে এক স্যার বললেন যে Reknowned person এর সুপারিশে দেওয়া যায়।
ম্যাডাম তখন সেকশন ধারা সহ ব্যাংকিং ল শুনিয়ে
ধারা সহ উল্লেখ করে বললেন এভাবে দেওয়া যায়। আর বললো ট্রেনিং করলে পারবে এগুলা।

তারপর চেয়ারম্যান স্যার বললেন ঠিক আছে আসো তাহলে।
সালাম দিয়ে দোয়া চেয়ে বের হয়ে আসলাম।

প্রশ্ন গুলোর উত্তর খুব দ্রুত দিয়ে ফেলেছিলাম...ভিতরে অনেক আলাপচারিতা ছিলো ও আমার কথার মধ্যে হালকা জড়তা ছিলো।

এই ছিলো ভাইবা....ভুলক্রুটি ক্ষমাসূলব ভাবে দেখবেন।

দোয়া করবেন সবাই একটু আমার জন্য।
Collected

13/04/2022

Address

চকবাজার, চট্টগ্রাম
Chittagong

Telephone

+8801812799592

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bank Exam Preparation /ব্যাংক নিয়োগ পরিক্ষার প্রস্তুতি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bank Exam Preparation /ব্যাংক নিয়োগ পরিক্ষার প্রস্তুতি:

Share

Category