25/04/2026
বাংলাদেশে বেসরকারি চাকরি বলতে যা বুঝায়, তার ৯০% শতাংশ চাকরির নামে দাসত্ব। এগুলোকে চাকরি বলাই ঠিক না।
এখানে কী সুন্দর একটা কথা আছে -
"আসার সময় আছে, যাওয়ার সময় নাই!"
আর যেহেতু ১০টি চাকরি থাকলে, ১০০০০ লোক সেই চাকরি চায়, - কাজেই Bargaining এর কোন সুযোগ নাই এই দেশে (in 90% cases).
চাহিদার তুলনায় চাকরি এত কম, এত কম যে - বেসরকারি সংস্থাগুলো যেই শর্তই দিক, কাজ করতে রাজি এমন প্রার্থীর কোন অভাব নাই।
বেসরকারি খাতে যে পরিমাণ খাটায় আর যে টাকা মাইনে দেয় - দুনিয়ার কোন সভ্য দেশে কল্পনাও করা যায় না। দুনিয়ার সবচেয়ে নিম্ন বেতনের গার্মেন্টস এর কথা না হয় নাই বললাম।
এই বেসরকারিখাত দেশের কয়েক কোটি মানুষের জীবন যৌবন শুষে নেয়, আর দিনের শেষে আবার লাখ লাখ কোটি টাকার ঋণ খেলাপীও হয়।
দিনের শেষ দেশের জনগণের উপর সব দায় পরে আর সেই দায় তাদের চামড়া তুলে আদায় করা হয়ে নানাকিছু আরোপের মাধ্যমে।
৫৫ বছর হয়ে গেলো, এর কোন পরিবর্তন নাই।
২০১৮ সাল থেকে বলে আসছি, পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে।
আগামী ৫/৭ বছরেও ভালো হওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই।
সরকারও তা জানে।
সরকার এখন যা করছে - এ ছাড়া উপায় নাই। তা হলো মালয়েশিয়া, জাপানসহ নানা দেশে তরুণদের পাঠানোকে সম্ভবত টপ প্রায়োরিটিতে রেখেছে।
কারণ গত ৫৫ বছরের দেশের অর্থনীতির এমন সর্বনাশ হয়েছে- দেশের তরুণ-তরুণীর বিদেশে জীবন যৌবন বিক্রি করে এই দেশ বাঁচানো ছাড়া উপায় নাই।
এইভাবে বিদেশের পাঠানোর আবার ভয়াবহ সামাজিক সমস্যা আছে। কিন্তু করারও কিছু নাই।
Descent job বলতে যা বুঝায়,
এই দেশে হয়তো আগামী ৫৫ বছরেও পাওয়া যাবে না।
এটি আমাদের একটা সামগ্রিক চরম ব্যর্থতা।"
আপনার মতামত কি?