Unaisah Overseas

Unaisah Overseas Welcome to the official page of " Unaisah Overseas! "
Your gateway to global careers. Unaisah Overseas Pvt.

Ltd. 🌍✈️
We are a trusted overseas employment and recruitment company, connecting skilled professionals with global opportunities. Our mission is to help individuals build brighter futures abroad while supporting businesses worldwide with reliable manpower solutions.

✅ Overseas Job Placement
✅ Skilled & Unskilled Recruitment
✅ Professional Guidance & Support
✅ Transparent & Reliable Services

At Unaisah Overseas Pvt. Ltd., we believe in turning dreams into reality by opening doors to international careers. 🌐💼

🇦🇪 সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৫ বছরের মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিজিট ভিসা চালুভ্রমণপ্রেমী ও ব্যবসায়িক ভ্রমণকারীদের জন্য সুখবর। সংযুক্ত ...
19/07/2026

🇦🇪 সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৫ বছরের মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিজিট ভিসা চালু

ভ্রমণপ্রেমী ও ব্যবসায়িক ভ্রমণকারীদের জন্য সুখবর। সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE) ৫ বছর মেয়াদি মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিজিট ভিসা চালু করেছে। এই ভিসার মাধ্যমে প্রতিবার সর্বোচ্চ ৯০ দিন পর্যন্ত অবস্থান করা যাবে, প্রয়োজন হলে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী সময় আরও বাড়ানোর সুযোগও থাকতে পারে। চাকরি বা স্পন্সরের প্রয়োজন ছাড়াই নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে আবেদন করা যাবে।

📞 বিস্তারিত জানতে: Unaisah Overseas 01772-414342

ঢাকায় বসবাসরত লোকজনের মধ্যে সম্প্রতি পানিবাহিত বিভিন্ন রোগ খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এতে খুব স্পষ্টভাবেই বোঝা যাচ্ছে যে, আমা...
19/07/2026

ঢাকায় বসবাসরত লোকজনের মধ্যে সম্প্রতি পানিবাহিত বিভিন্ন রোগ খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এতে খুব স্পষ্টভাবেই বোঝা যাচ্ছে যে, আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার্য পানি যথেষ্ট পরিমাণ নিরাপদ নয়। ফিল্টার করার পরও পানিতে বিভিন্ন জীবাণু থেকে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কাজেই এখন থেকে ফিল্টার করা পানিও ফুটিয়ে পান করুন অথবা জীবাণুনাশক ট্যাবলেট ব্যবহার করুন।

নিজে সুস্থ থাকুন এবং আশেপাশের মানুষজনকেও সুস্থ রাখুন। ধন্যবাদ।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন অভিবাসন ও আশ্রয় আইন কার্যকর হয়েছে...
15/06/2026

ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন অভিবাসন ও আশ্রয় আইন কার্যকর হয়েছে...

একদা হযরত ঈসা (আ.) একটি কবরস্থানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি আল্লাহর হুকুমে কবরের এক মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করলেন। লোকটি কবর...
13/06/2026

একদা হযরত ঈসা (আ.) একটি কবরস্থানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি আল্লাহর হুকুমে কবরের এক মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করলেন। লোকটি কবরের মাটি ঝেড়ে উঠে দাঁড়াল। (উল্লেখ্য, হযরত ঈসা (আ.)-এর অন্যতম প্রধান মুজেযা (অলৌকিক ক্ষমতা) ছিল, তিনি মহান আল্লাহর হুকুমে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করতে পারতেন।)

হযরত ঈসা (আ.) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, "দুনিয়াতে তোমার কাজ কী ছিল?"

লোকটি উত্তর দিল, "হে আল্লাহর নবী! আমি একজন কুলি ছিলাম। মানুষের বোঝা মাথায় বহন করতাম এবং তা দিয়েই জীবিকা নির্বাহ করতাম। আমার জীবনটি খুব সাধারণ ছিল।"

হযরত ঈসা (আ.) জিজ্ঞেস করলেন, "তবে তোমার কবরের অবস্থা কী? তোমার হিসাব-নিকাশ কেমন চলছে?"

লোকটি কাঁদতে কাঁদতে বলল,

"একবার আমি এক ব্যক্তির এক বোঝা লাকড়ি (জ্বালানি কাঠ) মাথায় করে তার বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছিলাম। পথিমধ্যে আমার দাঁতের ফাঁকে কিছু একটা আটকে গিয়েছিল। আমি মালিকের অজান্তেই সেই লাকড়ির বোঝা থেকে একটি ছোট্ট কাঠি (খিলাল হিসেবে ব্যবহারের জন্য) ভেঙে নিলাম এবং তা দিয়ে দাঁত খিলাল করলাম।

এরপর যখন আমার মৃত্যু হলো, আল্লাহ তা'আলা আমাকে বললেন, 'হে আমার বান্দা! তুমি কি জানতে না যে আমি তোমাকে আজ এই হিসাবের কাঠগড়ায় দাঁড় করাব? অমুক ব্যক্তি তার টাকা দিয়ে কাঠ কিনেছিল এবং তোমাকে মজুরি দিয়েছিল তা বয়ে নেওয়ার জন্য। তুমি সেই মালিকের অনুমতি ছাড়া কেন একটি কাঠি ভেঙে নিলে?'

হে আল্লাহর নবী! আল্লাহর কসম, আমি আজ ৪০ বছর ধরে এই একটিমাত্র খড়কুটোর হিসাব দিয়ে যাচ্ছি কিন্তু আজও মুক্তি পাইনি! দয়া করে আপনি আমার জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ করুন।
আমরা অনেক সময় অন্যের অতি ক্ষুদ্র জিনিস অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করি। আমরা একে খুব তুচ্ছ মনে করি। কিন্তু মনে রাখতে হবে, আল্লাহর কাছে 'আমানত' অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। অন্যের হক যদি একটি খড়কুটোর সমপরিমাণও হয়, তবুও পরকালে তার কড়ায়-গণ্ডায় হিসাব দিতে হবে।

- ইমাম ইবনুল জাওযি (রহি.)
[সূত্র: আয যাহরুল ফাইহ]

#অন্তরালের_কথা

12/06/2026

তৃষ্ণার্ত কুকুরের আকুলতা বুঝতে পেরে এগিয়ে এল ছোট্ট মেয়ে!

কিছুদিন আগে রাতে বসে কোরআন পড়তেছিলাম।একটা ঘোরের মধ্যে ছিলাম, হঠাৎ ফ্লো ভেঙে যায় তিরিশ পারার একদম শেষের দিকের একটা ছোট সূ...
12/06/2026

কিছুদিন আগে রাতে বসে কোরআন পড়তেছিলাম।
একটা ঘোরের মধ্যে ছিলাম, হঠাৎ ফ্লো ভেঙে যায় তিরিশ পারার একদম শেষের দিকের একটা ছোট সূরা, সূরা তাকাসুরে এসে।
প্রথম দুইটা আয়াত পড়েই আমি রীতিমতো ভ্যাবাচেকা খাইছি!

আল্লাহ বলতেছেন,
"অধিক পাওয়ার প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে ভুলিয়ে রেখেছে (গাফলতির মধ্যে ফেলে রেখেছে)।"
"যতক্ষণ না তোমরা কবরে উপস্থিত হও।" (সূরা তাকাসুর: ১-২)

আয়াত দুইটা পড়ে আমার মাথা কিছুক্ষণের জন্য পুরা ব্ল্যাংক হয়ে গেছিলো।
আমি আয়াতটার আরবি শব্দগুলো আবার দেখলাম- "হাত্তা যুরতুমুল মাক্বাবির"।
এখানে আল্লাহ 'যুরতুম' শব্দটা ব্যবহার করেছেন।
'যুরতুম' মানে হলো জিয়ারত করা, ভিজিট করা বা বেড়াতে যাওয়া।

আমার মাইন্ড ব্লো হয়ে গেছে ঠিক এই জায়গাটাতেই!
আমি পুরা জিনিসটা আবার রিয়েলাইজ করার চেষ্টা করলাম।
আল্লাহ বলতে চাইতেছেন কি?!
মানুষ মারা গেলে কবরে যায়, সেখানে মাটি চাপা দেওয়া হয়।
কিন্তু আল্লাহ বলছেন, তোমরা কবরে "ভিজিট" করতে যাও!
ভিজিট তো মানুষ কিছুক্ষণের জন্য করে, পার্মানেন্টলি থাকার জন্য তো কেউ ভিজিট করতে যায় না!!!

আমি সাথে সাথে তাফসির সার্চ দিলাম। তাফসিরে ইবনে কাসির আর অন্যান্য কয়েকটা গ্রন্থ পড়লাম। তারপর আমার রিয়েলাইজেশনে যা আসলো, তা হলো:
কবর মানুষের শেষ গন্তব্য না!
কবর হচ্ছে জাস্ট একটা "ওয়েটিং রুম" বা ট্রানজিট লাউঞ্জ।
যেমন এয়ারপোর্টে মানুষ কিছুক্ষণ ওয়েট করে আসল ফ্লাইটে ওঠার জন্য, কবরটাও ঠিক তেমন।
আর আমরা বোকা মানুষরা দুনিয়াতে ভাবি, এই বুঝি সব শেষ!

এরপর আমি প্রথম আয়াতের "তাকাসুর" (التكاثر) শব্দটার তাফসির পড়লাম। আল্লাহ এখানে বলেন নাই যে "টাকা" তোমাদের ভুলিয়ে রেখেছে। আল্লাহ বলছেন "তাকাসুর" তোমাদের ভুলিয়ে রেখেছে। তাকাসুর মানে কী?
তাকাসুর মানে হলো- "ওর চেয়ে আমার বেশি লাগবে।"
এইটা কোনো বস্তুর নাম না, এইটা একটা মেন্টালিটি। একটা অসুস্থ মানসিক প্রতিযোগিতা।

আমার একটা ফোন আছে, কিন্তু ফ্রেন্ডের আইফোন প্রো ম্যাক্স দেখলে আমারও ওটা লাগবে।
আমার একটা ডিগ্রি আছে, কিন্তু অন্যের আরেকটা ভালো ডিগ্রি দেখলে আমারও সেটা লাগবে। ব্যাংকে টাকা আছে, কিন্তু আরেকজনের বেশি থাকলে আমার আরো লাগবে।
ক্যারিয়ার, স্ট্যাটাস, স্যালারি- এই "আরো চাই, আরো চাই" করতে করতে আমাদের জীবনের আসল ফোকাসটাই আমরা হারিয়ে ফেলি।

এই সূরা শুরুই হইছে একটা সাইকোলজিক্যাল ওয়ার্নিং দিয়ে।
আল্লাহ মানুষকে বলতেছে, দেখো, একটা পশু শুধু ততটুকুই খায় যতটুকু তার ক্ষুধা মেটায়।
কিন্তু তুমি মানুষ, তোমার পেট ভরার পরও তুমি জমা করো, কারণ তুমি অন্যের চেয়ে নিজেকে বড় দেখাতে চাও।
এইটা কোনো সাধারণ কথা না, এইটা আমাদের অস্তিত্বের সবচেয়ে বড় crisis।

তাফসিরে বলা হয়েছে, "আলহাকুম" মানে এমন কোনো খেলা বা বিনোদন যা তোমাকে তোমার আসল ইমার্জেন্সি কাজ ভুলিয়ে দেয়।
ধরেন, আপনার কালকে ফাইনাল এক্সাম বা বিশাল কোনো প্রেজেন্টেশন, আর আপনি আজকে রাতে বসে নেটফ্লিক্সে সিরিজ দেখতেছেন।
এই সিরিজ দেখাটা হলো "আলহাকুম"।
আল্লাহ বলছেন, এই দুনিয়ার ক্যারিয়ার, ব্যাংক ব্যালেন্স, আর সেটেল হওয়ার টেনশন তোমাদেরকে আখেরাতের ফাইনাল এক্সামের কথা ভুলিয়ে দিয়েছে!

সবচেয়ে ভয়ংকর আয়াত আসে এরপর:
"কক্ষনো নয়, তোমরা শীঘ্রই জানতে পারবে।... সেদিন তোমাদেরকে অবশ্যই নেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।" (সূরা তাকাসুর: ৩, ৮)
এখানে আল্লাহ আমাদের অভিযুক্ত করতেছেন না, আল্লাহ আমাদের বাস্তবতা দেখাচ্ছেন।
আমরা ভাবি আমাদের সমস্যা হচ্ছে আমাদের টাকা নাই, আমাদের ভালো জব নাই, আমাদের অমুক জিনিসটা নাই।
কিন্তু সবচেয়ে গভীর Realisation, এই আয়াত আসলে বলতেছে: তোমার সবচেয়ে বড় সমস্যা তোমার অভাব না। তোমার সমস্যা হচ্ছে তুমি এক অলীক প্রতিযোগিতায় দৌড়াচ্ছো।
তুমি এমন একটা গন্তব্যের জন্য জিনিসপত্র প্যাকিং করতেছো, যেখানে তুমি থাকবাই না!

ফ্লো টা দেখেন:
১. মানুষ "আরো লাগবে" প্রতিযোগিতায় অন্ধ হয়ে দৌড়াচ্ছে।
২. সে আসল উদ্দেশ্য ভুলে গেছে।
৩. দৌড়াতে দৌড়াতে হঠাৎ একদিন সে কবরে গিয়ে ব্রেক কষে (ভিজিট করে)।
৪. কবরে যাওয়ার পর তার ঘোর কাটে, কিন্তু তখন আর ফিরে আসার সময় থাকে না।
৫. শেষমেশ তাকে আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে হয় হিসাব দেওয়ার জন্য।

আমরা কেন রবকে ভুলে যাই?
কারণ আমাদের মস্তিষ্ক already occupied।
আমরা সারাদিন হিসাব করি কীভাবে আরো দুই টাকা বেশি কামানো যায়, কীভাবে সিভিটা আরো ভারি করা যায়, কীভাবে অন্যের চেয়ে একটু বেটার লাইফ লিড করা যায়।
এই ইঁদুর দৌড়ে আমরা আমাদের যৌবন শেষ করি, পরিবারকে সময় দিই না, নিজের আত্মার যত্ন নিই না।
সমস্যা এই না যে মানুষ পরিশ্রম করে।
ইসলাম তো পরিশ্রম করতে উৎসাহিত করে।
সমস্যা হইতেছে, মানুষ ভুল ট্র্যাকে দৌড়ায়।
আপনি একটা ট্রেনের টিকিট কেটেছেন চিটাগাং যাওয়ার জন্য, কিন্তু আপনি ভুলে উঠেছেন সিলেটের ট্রেনে।
এখন সেই ট্রেনের এসি বগিতে বসে আপনি যতই কমফোর্ট ফিল করেন না কেন, আপনি তো আপনার আসল গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন না!

সবচেয়ে বড় ভয় হইতেছে এইটাই যে, জীবনের এই পুরো সময়টা আমরা যে স্ট্যাটাস, যে টাকা, যে ক্যারিয়ারের জন্য দৌড়ালাম, কবরের ওই ওয়েটিং রুমে ঢোকার সাথে সাথেই সেই সবকিছুর ভ্যালু জিরো হয়ে যাবে।
জিরো!
সেদিন আল্লাহ জিজ্ঞেস করবেন, "আমি তোমাকে যেই সময়, যেই এনার্জি আর যেই নেয়ামত দিয়েছিলাম, সেটার শুকরিয়া কোথায়?"
আমরা সারা জীবন "সেটেল" হওয়ার স্বপ্ন দেখি।
কিন্তু সূরা তাকাসুর আমাদের একটা ভয়ংকর সত্য মনে করিয়ে দেয় - দুনিয়াতে কেউ কখনো সেটেল হতে পারে না, যতক্ষণ না সে কবরের ওই ট্রানজিট লাউঞ্জে গিয়ে পৌঁছায়। :)

~ Towhidul Mansur

🇸🇦 সৌদি আরবে ডিরেক্ট গার্মেন্টস কোম্পানিতে জরুরী কর্মী নিয়োগ! 🇸🇦আপনি কি গার্মেন্টস সেক্টরে অভিজ্ঞ? সৌদি আরবের বিখ্যাত "A...
28/05/2026

🇸🇦 সৌদি আরবে ডিরেক্ট গার্মেন্টস কোম্পানিতে জরুরী কর্মী নিয়োগ! 🇸🇦

আপনি কি গার্মেন্টস সেক্টরে অভিজ্ঞ? সৌদি আরবের বিখ্যাত "Al Salam Al Mumayazah Industrial Company LLC"-তে আকর্ষণীয় বেতনে কাজের এক বিশাল সুযোগ নিয়ে এসেছে Unaisah Overseas।

👔 পদসমূহ এবং বেতন (SAR):

Manager (Production): ৪৫০০ রিয়াল

Technician (Sewing): ৩৫০০ রিয়াল

Supervisor (Sewing): ২৫০০ রিয়াল

Sewing Sampleman: ২০০০ রিয়াল

Operator & Helper (Sewing/Iron): ১০০০ - ১৩০০ রিয়াল

✨ কোম্পানির আকর্ষণীয় সুবিধাসমূহ:
✅ খাবার ভাতা: ২০০ রিয়াল সাবসিডি।
✅ চিকিৎসা: সৌদি শ্রম আইন অনুযায়ী।
✅ থাকা এবং পরিবহন সম্পূর্ণ ফ্রি (কোম্পানি বহন করবে)।
✅ কাজের চুক্তি: ২ বছর (যা পরবর্তীতে বাড়ানো সম্ভব)।
✅ দ্রুত পদোন্নতির দারুণ সুযোগ এবং চুক্তি শেষে ফ্রি এয়ার টিকিট।

📅 ইন্টারভিউয়ের তারিখ: ০৬ - ০৮ জুন
📍 যোগাযোগের ঠিকানা: Unaisah Overseas, ৯৩৭ মাদানী এভিনিউ (১০০ ফিট রোড), নতুন বাজার, ভাটারা, ঢাকা-১২১২।

📞 বিস্তারিত জানতে কল বা হোয়াটসঅ্যাপ করুন:
আরমান হোসেন - 01772-414342 (কাজের ভিডিও, সিভি ও ছবি হোয়াটসঅ্যাপে পাঠাতে হবে)।
💡 দ্রুত ফ্লাইট করার মানসিকতা থাকতে হবে।

মানবদেহের স্বাভাবিক গড় তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যদি মানুষ কখনও ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার পরিবেশে থাকে, তাহলে...
25/05/2026

মানবদেহের স্বাভাবিক গড় তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যদি মানুষ কখনও ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার পরিবেশে থাকে, তাহলে শরীরের তাপমাত্রাও বাড়তে শুরু করে। শরীর নিজের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখার জন্য ঘাম তৈরি করে, যার ফলে শরীরের তাপমাত্রা ঠিক থাকে। এই প্রক্রিয়া ততক্ষণ চলতে থাকে যতক্ষণ শরীরে পানির ঘাটতি না হয়। যখন শরীরে পানির অভাব হয়, তখন ঘাম কমে যায়। ফলে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায় এবং মানুষ “হিট স্ট্রোক”-এ আক্রান্ত হতে পারে।
আমাদের শরীরের তাপমাত্রা সবসময় ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে। এই তাপমাত্রাতেই শরীরের সব অঙ্গ সঠিকভাবে কাজ করতে পারে। ঘামের মাধ্যমে পানি বের করে শরীর ৩৭ ডিগ্রি তাপমাত্রা বজায় রাখে। তাই অতিরিক্ত ঘাম হলে নিয়মিত পানি পান করা অত্যন্ত উপকারী ও জরুরি।
যখন বাইরের তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রির বেশি হয়ে যায় এবং শরীরের “কুলিং সিস্টেম” কাজ করা বন্ধ করে দেয়, তখন শরীরের তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রির বেশি হতে শুরু করে।
শরীরের তাপমাত্রা যখন ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যায়, তখন রক্ত গরম হতে শুরু করে এবং রক্তে থাকা প্রোটিন জমাট বাঁধতে শুরু করে। এর ফলে পেশিগুলো শক্ত হয়ে যায়। এ সময় শ্বাস নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পেশিগুলোও কাজ করা বন্ধ করে দিতে পারে।
শরীরে পানির পরিমাণ কমে গেলে রক্ত ঘন হতে শুরু করে, রক্তচাপ কমে যায় এবং গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, বিশেষ করে মস্তিষ্কে রক্ত পৌঁছানো কমে যায়। তখন মানুষ কোমায় চলে যেতে পারে এবং শরীরের একের পর এক অঙ্গ ধীরে ধীরে কাজ করা বন্ধ করে দেয়, যার ফলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
গরমের দিনে এ ধরনের সমস্যা এড়াতে নিয়মিত পানি পান করা উচিত। এতে শরীরের তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি বজায় রাখতে সাহায্য করবে।
এ বিষয়টি মনে রাখুন যে, আগামী কয়েক দিনে “ইকুইনক্স”-এর গভীর প্রভাব আবহাওয়ার উপর পড়তে পারে এবং অনেক এলাকা এর প্রভাবে আক্রান্ত হতে পারে। এই প্রভাব সূর্য নিরক্ষরেখার ঠিক উপরে অবস্থান করার কারণে তৈরি হয়। তাই অনুগ্রহ করে নিজেকে এবং আপনার আশেপাশের মানুষদের পানিশূন্যতা থেকে বাঁচান।
প্রতিদিন ৪-৫ লিটার পানি পান করুন। যতটা সম্ভব রক্তচাপের দিকে নজর রাখুন। যে কেউ হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হতে পারে। মাংস খাওয়া কমিয়ে দিন বা বন্ধ রাখুন, আর ফল ও শাকসবজি বেশি খান। ঘরের ভেতর আর্দ্রতা বজায় রাখতে পানিভর্তি খোলা পাত্র রাখতে পারেন।

একটি শিশুর আর্তনাদ কখনোই শুধু একটি পরিবারের বেদনা হয়ে থাকে না, এই বেদনা আমাদের সবার! শিশু রামিসার সাথে হওয়া এই নৃশংস ঘটন...
22/05/2026

একটি শিশুর আর্তনাদ কখনোই শুধু একটি পরিবারের বেদনা হয়ে থাকে না, এই বেদনা আমাদের সবার! শিশু রামিসার সাথে হওয়া এই নৃশংস ঘটনা পুরো সমাজের মানবিকতা, নিরাপত্তা ও বিচারব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায়! প্রয়োজন দ্রুত স্বচ্ছ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি; যে শাস্তি ভবিষ্যতের সম্ভাব্য অপরাধীদের মনে ভয় তৈরি করবে এবং সমাজে স্পষ্ট বার্তা দেবে।

এমন জঘন্য অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার বিলম্ব মানে ভুক্তভোগী পরিবারের যন্ত্রণা আরও দীর্ঘ করা। তাই এখন সময় আইনের কঠোর প্রয়োগ, যাতে আর কোনো রামিসাকে এভাবে নির্মমতার শিকার হতে না হয়; যেন আর কোনো সন্তানের পিতাকে বলতে না হয়, “আমরা বিচার চাই না, এদেশে বিচার নাই!”

Address

Badda
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 10:00 - 06:00
Tuesday 10:00 - 18:00
Wednesday 10:00 - 18:00
Thursday 10:00 - 18:00
Saturday 10:00 - 18:00
Sunday 10:00 - 18:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Unaisah Overseas posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share