08/07/2026
গত ২/৩ বছর আপনি টিনএজদের পড়াশোনা ছাড়া দেখবেন পৃথিবীর এমন কোনো কাজ নেই তারা করে নাই।বাইক নিয়ে ১২০ কিলোমিটার যেয়ে ২০ টাকা দিয়ে চা আর সিগারেট খেয়ে আবার চলে আসবে।সিনিয়র বা জুনিয়র নাই সম্মানিত বা রিকশাচালক ভাই কাউকে সম্মান করবে না এমন কি নিজের পরিবারের লোকদেরও। আমি ঢাকা যে এলাকায় থাকি কাল আর্জেনটিনা যেতার পর বিভৎস কারবার দেখলাম ভোর ৪ টা পর্যন্ত।বাইক নিয়ে বাজি ফাটানো,স্পিকারে গান বাজানো।বেশিরভাগের বয়স ১২-২০ ঢাকা আলাদা কথা মফস্বলে সেইম ঘটনা। ওদের কে যদি বলা হয় ইংরেজিতে ১০ ফুলের নাম বা মাছের নাম বলো বা বাংলাদেশের বিভাগের নাম গুলো বলো ১ হাজার টাকা বাজি পারবে না।এতটা অবক্ষয়ের কারন কি হঠাৎ এই সমাজে। শেখ হাসিনাকে বিদায় করার পর কিশোর কিশোরীরা তাদের গোল কি জীবনে ভুলে গেছে।প্রতি বছর সংবাদ হয় ঢাবি ইংরেজিতে কেউ পাশ করেনা।খাতায় স্যার কে বাপ ডাকে আপনি আমার বাপ হন পাশ করাই দেন না হলে মরা ছাড়া উপায় নাই।কেউ বা টাকা খাতায় দিয়ে রাখে।চাকরি আছে কিন্তু এদের দেয়ার মতো ক্যাপাসিটি নাই।লিবিয়া দিয়ে বা হজ্বকরে ইতালি যায়।কোনো স্কিল নাই এদের কিছু জানেনা।প্রতিটি মোরে মোরে কিশোর গ্যাং দেয়ালে লেখা কুত্তা রাসেল,ক্ষুর সোহেল।পারিবারিক ভাবে এরা ধ্বংস। এদের রাজনিতি ভালো লাগেনা,পড়াশোনা,ব্যায়াম,দেশি ফল,মাছ কত কি ভালো লাগে না।নষ্ট একটা প্রজন্ম তৈরি হচ্ছে ধৈর্য ধরেন আগামী ৮/১০ বছর পর টের পাবেন।সরকারের উচিত কথায় কথায় থাপারানো রাত ৮ পর রাস্তায় নামলে লাত্থি দিয়ে ঘরে পাঠানো।
ও সরি যেখানে বুড়া বুড়া মা বাবা রা বাকা দাঁত খিঁচিয়ে হাফ জামাকাপড় খুলে টিকটিক করে তাদের সন্তানরা আর কি হবে।