CU Student's Job Network

CU Student's Job Network Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from CU Student's Job Network, Chittagong.

CU Student's Job Network is focusing on creating network between our corporate alumni & our running students, providing information regarding jobs & building competitive skills for future.

তিন মাসের ব্যবধানে শ্রমবাজারে প্রায় ৪ লাখ মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ার কারণ জানতে অর্থনীতিবিদসহ বিভিন্ন খাতসংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ...
23/10/2023

তিন মাসের ব্যবধানে শ্রমবাজারে প্রায় ৪ লাখ মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ার কারণ জানতে অর্থনীতিবিদসহ বিভিন্ন খাতসংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেছে বণিক বার্তা। তাদের অধিকাংশই বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কর্মসংস্থান হ্রাসের কারণ হিসেবে বিদ্যমান অর্থনৈতিক সংকট, মূল্যস্ফীতি ও ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ চাপে পড়াকে দায়ী করছেন সবচেয়ে বেশি। এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য, ডলার সংকটে শিল্প খাতে কাঁচামাল ও মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি কমেছে। মূল্যস্ফীতির চাপে নিম্নমুখী ব্যক্তি খাতের ভোগ। এ দুয়ের সম্মিলিত চাপে পড়েছে শিল্প খাতের চাহিদা ও উৎপাদন। কাজ হারাচ্ছেন শিল্প খাতে নিয়োজিত শ্রমিকের অনেকে"

https://lnkd.in/gE8qqRze

19/09/2023

আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে জেলাভিত্তিক অনেক স্টুডেন্টস ওয়েল্ফেয়ার অর্গানাইজেশন থাকে, ভর্তি পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীদেরকে অনেক সহযোগিতা করে থাকে। আই এপ্রিশিয়েট ইট। কিন্তু আমার কেন জানি মনে হয় এই অর্গানাইজেশনগুলো শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে সময়োপযোগী অনেক উদ্যোগ নিয়ে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশনগুলো বার্ষিক বনভোজন, চড়ুইভাতি, বিভিন্ন টুর্নামেন্ট অর্গানাইজ করাকেই শুধু দায়িত্ব মনে করে (ব্যতিক্রম আছে)। কিন্তু ওরা চাইলেই ক্যারিয়ার প্ল্যানিং, মেন্টাল হ্যালথ কাউন্সেলিং, এন্ট্রাপ্রেনারশিপ, ক্রিটিকাল থিংকিং, প্রবলেম সলভিং, লিডারশিপ, স্কিল ডেভেলপমেন্ট, প্রোগ্রামিং, ইংলিশ স্কিল, অর্গানাইজেশনাল স্কিল এবং প্র‍্যাক্টিসিং পজিটিভিটির মতো ডাইনামিক ইভেন্ট অর্গানাইজ করতে পারে যেখানে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি আরো অনেককিছু শেখার সুযোগ তৈরি হত। বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে নিজেদেরকে তৈরি করে দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নে অবদান রাখতে পারতো। রিমেম্বার বাংলাদেশের গ্র‍্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের ৪০% বেকার। বেকারত্ব দূরীকরণে এই ধরনের মাইক্রোঅর্গানাইজেশনগুলো অনেক বেটার এন্ড ইফেক্টিভ রুল প্লে করতে পারে। আই মাস্ট বিলিভ, বেকারত্ব সমস্যা সমাধান করা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব না, আমি আপনি আমরা সবাই সরকার।

----------
Takbir Hossain
Founder, CURHS
Director, The Learning Hub

06/07/2023

চাকরি বনাম উচ্চশিক্ষা: বাস্তবতা এবং স্বপ্ন

বনাম শব্দটা খেলাধুলায় বেশ ব্যবহার করা হয়। যেমন: আবাহনী বনাম মোহামেডান। টাইটেলে "বনাম" শব্দটা ব্যবহার করা হলেও চাকরি এবং উচ্চশিক্ষা একে অন্যের প্রতিপক্ষ নয়। তাই এখানে কোথাও যদি মনে হয় দুটো জিনিস একে অন্যের প্রতিপক্ষ হয়ে গেছে তাহলে সেটাকে নিজ গুণে ক্ষমা করে দেওয়ার অনুরোধ থাকলো।

চাকরি হলো জীবিকা। উচ্চশিক্ষা হলো আরেকটা চাকরিতে যাওয়ার জন্য অতিরিক্ত পড়াশোনা। এই সহজ ব্যাপারটা কেউ না বুঝতে পেরে একে অন্যের সাথে কমেন্ট যুদ্ধে লেগে পড়েন। প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিক্ষিত মানুষদের এরকম লেইম টপিকে ঝগড়া মানায় না।

প্রশ্ন হলো, বিদেশে উচ্চশিক্ষা কেন নিতে হয়? আমাদের দেশের উচ্চশিক্ষা যদি সেই মানের হতো তাহলে কি এত স্টুডেন্ট বিদেশে যেত পড়তে? অবশ্যই না। বরং তখন বিতর্ক হতো ব্যাংক/ সিভিল সার্ভিস বনাম বিজ্ঞানী/ রিসার্চার হওয়া নিয়ে। যেহেতু দেশের উচ্চশিক্ষা দিয়ে আমেরিকায় চাকরির সম্ভবনা খুব কম তাই এখন বিতর্ক চলে চাকরি বনাম বিদেশে উচ্চশিক্ষা নিয়ে।

আমাদের দেশে প্রধান তিন ক্যাটাগরির উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে। পাবলিক, প্রাইভেট, ন্যাশনাল। অনার্সে ভর্তি হওয়ার পর প্রথম এক/ দুই বছর এই তিন ক্যাটাগরির স্টুডেন্টদের মধ্যে কে শ্রেষ্ঠ এই নিয়ে এক প্রকার ফেসবুকে/ ক্ষেত্র বিশেষে সশরীরেও যুদ্ধ চলে। যারা এই স্টেজ পার হয়ে এসেছেন তারা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন, ক্যারিয়ার গড়ার জন্য স্কিলটাই আসল। আজকালকার কর্পোরেট পৃথিবীতে স্কিল ছাড়া কেউ মূল্য দেবে না।

প্রথম/ দ্বিতীয় বর্ষের এসব বেহুদা প্যাঁচাল পার হলেই মাথায় চেপে বসে ক্যারিয়ারের চিন্তা। ট্রেডিশনাল চাকরি তো আছেই, জীবনে একবারও উচ্চশিক্ষা নেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেননি এমন স্টুডেন্ট খুব কমই আছে। ছোটবেলায় যখন বাবা-মা বলতেন, আমার ছেলে/ মেয়ে বড় ডাক্তার/ ব্যারিস্টার হবে সেখানেও কিন্তু inherently হায়ার স্টাডির কথাই ছিল। বড় কিছু হতে হলে আপনাকে বড় ডিগ্রি নিতে হবে।

কিন্তু ছোটবেলা থেকে স্বপ্ন দেখার পরেও কেন এত কম স্টুডেন্ট হায়ার স্টাডিতে আসছেন? এটার একমাত্র উত্তর বোধহয় 'বাস্তবতার জন্য '। একটু পরেই দেখা যাক, বাস্তবতাগুলো কি কি হতে পারে।

আমাদের একটা বড় সমস্যা তুলনা করা। এই তুলনা চলে ক্যাডার বনাম ক্যাডার, ক্যাডার বনাম ব্যাংকার, ক্যাডার বনাম প্রাইভেট চাকরি, উচ্চশিক্ষায় দেশ বনাম দেশ, স্টেম বনাম নন স্টেম। উচ্চশিক্ষা বা চাকরি- যেখানেই যান না কেন, নিজের সাথে অন্যদের এই তুলনা বন্ধ না করলে আল্টিমেট সেটিসফেকশন কখনোই পাওয়া সম্ভব নয়।

হায়ার স্টাডিতে আসতে চাইলে ভুলে যান - আগামী পাঁচ বছরে আপনার ক্যাডার বন্ধুর কতগুলো প্রমোশন হয়েছে, তার কথার পাওয়ার কত, তারা কত দামি গাড়িতে চড়ছে। এসব জিনিস উচ্চশিক্ষার পরে আপনার পক্ষেও পাওয়া সম্ভব। আপনি যখন বিদেশের একটা ভার্সিটির ল্যাবে গবেষণা করছেন কিভাবে একটা মহামারী নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব, আপনার সহকারী কমিশনার বন্ধু চিন্তা করছেন কিভাবে তার এলাকায় চাইল্ড ম্যারেজ রোধ করা যায়। আপনিও গবেষণা করেছেন, বেতন পাচ্ছেন। তিনিও গবেষণা করছেন, বেতন পাচ্ছেন। গবেষণার ক্ষেত্র এবং ধরণটা শুধুমাত্র আলাদা। সবই মানুষেরই কাজে লাগছে। কাজেই এখানে কেউ কারো প্রতিপক্ষ নয়। আপনাকে আপনার ক্ষেত্র খুঁজে নিতে হবে।

হায়ার স্টাডি বনাম চাকরি - থার্ড/ ফোর্থ ইয়ারে ডিসিশন নেওয়ার সময় কোন ফ্যাক্টরগুলো চিন্তা করা যেতে পারে? বেশিরভাগ মানুষ এটার উত্তর দেবে - এত চিন্তা করে কি লাভ? তুমি যেটা হতে চাও সেদিকেই যাও। কিন্তু বাস্তবতা কি আসলেই সেরকম? স্টেপ বাই স্টেপ চিন্তা করুন। এই ডিসিশন নেওয়ার সময় যেসব প্রশ্ন নিজের কাছে করা যেতে পারে -

১. আপনার কি ফ্যামিলি বার্ডেন আছে? পরিবারকে আর্থিকভাবে অথবা সশরীরে সাপোর্ট করতে হয়?

২. আপনার আর্থিক অবস্থা কি খুবই খারাপ? অন্তত ৪/৫ লাখ টাকা ম্যানেজ করাটাও কষ্টকর?

৩. আপনি কি কোনো ভদ্রলোক/ ভদ্রমহিলার প্রতি কমিটেড?

৪. আপনি কি ঝুঁকি নিতে ভয় পান? একেবারেই সিকিউরড লাইফ আপনার পছন্দ?

৫. পড়াশোনা কি শুধুমাত্র ডিগ্রি পাওয়ার জন্যই করেছেন? নতুন আইডিয়ার ব্যাপারে চিন্তা করতে আলসেমি লাগে?

৬. আপনি কি হতাশা একদমই সহ্য করতে পারেন না?

৭. আপনি কি সিকিউরড লাইফ এবং চাকরি দুটোই চাচ্ছেন?

৮. কম সিজিপিএ র জন্য গর্তে লুকিয়ে আছেন?

সম্ভাব্য উত্তরগুলো হতে পারে:

১. ফ্যামিলি বার্ডেনের কারণেই বেশিরভাগ স্টুডেন্ট ইচ্ছা/ সামর্থ্য থাকার পরেও উচ্চশিক্ষায় যেতে পারে না। আর্থিক সমস্যার সমাধান হতে পারে এভাবে -
আমেরিকায় ফুল ফান্ড পেয়ে স্টুডেন্ট থাকাকালীন সময়ে আপনি প্রতি মাসে কিছু স্টাইপেন্ড পাবেন। এর পরিমাণ ১০০০ থেকে ২০০০ ডলার বা এরও বেশি হতে পারে। কৃপণভাবে চললে আপনি মাসে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা দেশে পাঠাতে পারবেন। সেইসাথে বিনা খরচে ডিগ্রিটাও পেয়ে যাবেন।
অনেকের বাবা, মা এবং পরিবারের অন্য সদস্য অসুস্থ থাকেন সশরীরে পরিবারকে সাপোর্ট দিতে হয়। সেক্ষেত্রে পরামর্শ থাকবে দেশেই ক্যারিয়ার গড়তে। প্যাশন থাকলে পরবর্তীতে জীবনের যেকোনো পর্যায়ে আপনি উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবেন।

২. আমেরিকায় ফুল ফান্ড পেলে সেখানকার মাটিতে পা রাখতে খরচ হতে পারে গড়ে ৩ থেকে ৪.৫ লাখ টাকার মতো। অনেকের পক্ষেই এত টাকা একবারে জোগাড় করা সম্ভব হয় না। এই টাকা একবারে জোগাড় করার প্রয়োজন হয় না। প্রায় ৭/৮ মাস ধরে এই পরিমাণ টাকা আপনাকে খরচ করতে হবে। সো, কিছুটা ফ্লেক্সিবিলিটি আছেই।
যারা অনার্স থেকেই হায়ার স্টাডির প্রতি প্যাশন আছে তারা কিছু কিছু কাজ আগেই গুছিয়ে রাখতে পারেন। যেমন: থার্ড/ ফোর্থ ইয়ারে জি আর ই, মাস্টার্সে আইইএলটিএস ইত্যাদি। এভাবে স্টুডেন্ট লাইফেই প্রায় ৩৪ হাজার টাকার কাজ সেরে রাখতে পারবেন।

৩. এটা অনেকের কাছেই হায়ার স্টাডিতে যেতে একটা বড় বাধা। সেজন্যই এটা লিখেছি। এটার সমাধান যার যার ব্যক্তিগত ব্যাপার।
তবে এটুকু উল্লেখ করা যেতে পারে, আপনি কারো প্রতি কমিটেড থাকলে বিয়ের পরেও তাকে আমেরিকায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব (F-2 ভিসা)। এতে আপনার পার্টনারের জন্য হয়তো ৪/৫ লাখ টাকা অতিরিক্ত ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখানো লাগতে পারে। উল্লেখ্য, এই টাকাটা কিন্তু ব্লক মানি নয়। ভিসা ইন্টারভিউর পরেই এই টাকাটা আপনি ব্যাংক থেকে তুলে নিতে পারবেন।

৪. বিদেশের জীবন অনিশ্চয়তার। হয়তো ফুল ফান্ড পেয়েই আমেরিকায় আসবেন। এমনও হতে পারে মিনিমাম গ্রেড (৩.০০) মেইনটেইন করার কারণে আপনার ফান্ড কেড়ে নেওয়া হতে পারে। পিএইচডি তে ড্রপ আউট হতে পারেন। পড়াশোনা শেষে সহজে চাকরি নাও পেতে পারেন। যদি এসব অনিশ্চয়তা মেনে না নিতে পারেন তবে দেশেই ক্যারিয়ার গড়া ভালো।

৫. গ্র্যাজুয়েট রিসার্চের মূল উপাদান হলো আইডিয়া। আমাদের দেশে মাস্টার্স মূলত taught কোর্স ( যেখানে থিসিস আছে সেগুলো বাদে)। এই taught কোর্স পাশ করে যদি আপনি ভাবেন হায়ার স্টাডিটাও এরকমই তাহলে ভুল ভাবছেন। আমেরিকায় গ্র্যাজুয়েট স্টুডেন্টদের প্রচুর রিসার্চ করতে হয়। রিসার্চ মানেই আইডিয়া। সেই ফ্লো চার্ট নিশ্চয়ই মনে আছে -

আইডিয়া/ হাইপোথিসিস-- এক্সপেরিমেন্ট -- রেজাল্ট -- ফেইল/ সাকসেস --- নিউ আইডিয়া
সো, নিত্য নতুন আইডিয়া নিয়ে কথা বলতে যদি আপনার ক্লান্তি লাগে তাহলে উচ্চশিক্ষায় ভালো করা কঠিন।

৬. গ্র্যাজুয়েট স্কুল কঠিন জায়গা। অনেক সময় আপনার এমন মনে হবে একই জায়গায় দিনের পর দিন পড়ে আছেন। সেইসাথে প্রফেসর বিরূপ হলে তো কথাই নেই। সেইসাথে আছে পেপার রিজেকশন। সো, অল্পতেই হতাশ হলে গ্র্যাজুয়েট স্কুল আপনার জন্য নয়। তবে এটা হায়ার স্টাডিতে আসার পথে তেমন কোনো বাধাও নয়। একটা সময় পর এগুলো অভ্যেস হয়ে যায়।

৭. চাকরি এবং উচ্চশিক্ষা দুটোই করা সম্ভব। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সিভিল সার্ভিস এটার জন্য সবচেয়ে উৎকৃষ্ট জায়গা। চাকরি থেকে ছুটি নিয়েই আপনি সরকারি সাহায্য নিয়ে বিদেশে পড়তে যেতে পারবেন।
তবে এই স্ট্র্যাটেজিতে কিছু ঝুঁকি আছে। এসব চাকরি যে পাবেনই এটা খুবই অনিশ্চিত। আপনি তিন/ চার বছর এসব চাকরির পিছনে ঘুরেও ব্যর্থ হলে এই সময়টা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যাবে। ততদিনে আপনি হয়তো পিএইচডি শেষ করে ফেলতে পারতেন। তাই এই সিদ্ধান্ত বুঝেশুনে নিন।

৮. কম সিজিপিএ নিয়ে লিখতে গিয়ে আমি নিজেই ক্লান্ত। এতদিনে কম সিজিপিএ নিয়েও ফান্ড পাওয়া স্টুডেন্টদের অনেক প্রোফাইল শেয়ার করেছি।
শুধু এটুকু মনে রাখবেন, আমেরিকা ট্যালেন্ট মানুষদের জন্য। আমেরিকার রাস্তায় ডলার না উড়লেও সুযোগ উড়ে।
কম সিজিপিএ নিয়েও আপনি যদি অন্যান্য দিক ভালো করতে পারেন, নিজের স্কিল বাড়াতে পারেন এবং দিনের পর দিন হতাশা সহ্য করে লেগে থাকতে পারেন তাহলে আপনিও ফান্ডসহ এডমিশন পেতে পারেন। কাজেই, কম সিজিপিএ হায়ার স্টাডির ক্ষেত্রে বড় কোনো বাধা নয়।

এবার সর্বশেষ কথা, আপনার প্যাশন। প্যাশন থাকলে আপনি ৪০ বছর বয়সেও উচ্চশিক্ষায় আসতে পারেন। প্যাশনের সাথে কিছু বাস্তবতাকে মেলাতে পারলেই নিজের ক্ষেত্র খুঁজে বের করা কঠিন কিছু নয়। শুধু এটুকু খেয়াল রাখা উচিৎ, কোনো কিছুর প্রলোভনে পড়ে সেদিকে নিজের ক্যারিয়ার সিলেক্ট করা অনুচিত। কারণ, প্রলোভনের শেষ নেই। একটা গেলে আরেকটা আসে। সিভিল সার্ভিসে বেশ পাওয়ার আছে, সুযোগ সুবিধা আছে এটা ভেবে হায়ার স্টাডির প্রতি নিজের প্যাশনকে ত্যাগ করবেন না। আবার সিনিয়ররা বিদেশ গিয়ে কনভার্টিবল ড্রাইভ করছে, হাইকিং করছে এসব আকর্ষণীয় ছবি দেখে হুট করে হায়ার স্টাডিতে আসা আসবেন না।

Credit: Shamim Sharif. Nextop USA Group

02/05/2023

আমাদের দেশের ইউনিভার্সিটি ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে একটি প্রচলিত বিশ্বাস আছে। ব্যাচেলর যে সাবজেক্টে সে পড়েছে, আজীবন সেই সাবজেক্টে আটকে গিয়েছে। ভবিষ্যতে হায়ার স্টাডিজে দেশের বাইরে গেলেও বুঝি সেই সাবজেক্টেই পড়তেই হবে। ভালো লাগুক বা না লাগুক। বেশ ডিপ্রেসিং একটা বিষয় আর এরকমই দেশে প্রচলিত। আমাদের দেশের মানুষগুলা খুব কিউট, ওদের চিন্তাধারা আরো কিউট!

মনে মনে ফিজিক্স-ম্যাথ অনেক পছন্দ করেন, ইচ্ছাও পড়ার। কিন্ত ভার্সিটিতে অনার্সে সাবজেক্ট পাওয়ার সময় ইঞ্জিনিয়ারিংই নেয়া লাগবে নাহলে আত্নীয় স্বজনরা কি বলবে। ডাক্তারি-ক্লিনিক্যাল ব্যাপার স্যাপারের চেয়ে গবেষণাধর্মী মলিকিউলার বায়োলজি ভালো লাগলেও আপনাকে ডাক্তারিই সিলেক্ট করতে হবে, নাহলে সবাই জাজ করবে। ভাগ্যক্রমে আপনি কোন শেষের সারির সাবজেক্ট পাইছেন, আর তাহলে কথাই নাই, আত্নীয় স্বজনদের ভবিষ্যৎবাণীতে আপনার ক্যারিয়ার ওখানেই শেষ। আর আপনিও ডিপ্রেসড হয়ে ভাবছেন এর থেকে বের হতে পারবেন না।

সাবজেক্ট চয়েসে ম্যাথ পাইছেন, কিন্ত স্বপ্ন ছিল কম্পিউটার সায়েন্স পড়বেন। কোন সমস্যা নাই, দেশের বাইরে ঠিকই কিন্ত মাস্টার্সে কম্পিউটার সায়েন্স পড়তে পারবেন ম্যাথের অনার্স দিয়ে। আর আমাদের এই কিউট দেশে সেটা করতে গেলে অনেক অযাচিত প্রশ্নের সম্মুখীন হবেন। ম্যাথে অনার্স করে কম্পিউটার সায়েন্স ডিপার্টমেন্টে এপ্লাই করতে পারবেন না - হেনতেন হাবিজাবি সব রুলস। অথচ ম্যাথ আর থিওরিটিক্যাল কম্পিউটার সায়েন্স দুই যমজ ভাইয়ের মত! এগুলা বেশিরভাগই কেউ বুঝায়ে বলে না আমাদের ছেলেপেলেদের।

কেমিস্ট্রি পেয়ে খুব হতাশ লাগে, যে বন্ধুরা কত কুল সাবজেক্টে পড়ে। অথচ কেমিস্ট্রি পড়ে, দেশের বাইরে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং সহ ন্যানোটেকনোলজিতে মাস্টার্স/পিএইচডি করতে পারবেন - ন্যানো সাইজের কেমিক্যাল রোবোটিক্স ফিল্ডে কাজ করতে পারবেন- সেগুলা পুরা সায়েন্স ফিকশনের মত উচ্চ-মার্গীয় রিসার্চ, অথচ কেমিস্ট্রিতে পড়া ছেলেটা কত হতাশ হয়ে ঘুরে কারণ তাকে এভাবে কেউ বুঝায়ে বলে নাই। ফিজিক্সে পড়ে কত শত পাব্লিক মাস্টার্স-পিএইচডি ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে করে আমেরিকায় কানাডায় প্রফেসর হয়ে গেছে। ভেটেরিনারি সায়েন্স পড়ছেন, ভাবছেন সারাজীবন গরুর ডাক্তার এমন ট্যাগ লেগে গেলো। দেশের বাইরে বায়োটেকনোলজিতে মাস্টার্স করতে চলে আসেন। কেউ আপনাকে জাজ করবে না। এগ্রিকালচারাল সায়েন্স পড়ছেন, তো কি হয়েছে, এমন অনেককেই চিনি এখন পিএইচডি করতেছে ক্যান্সার বায়োলজিতে। এসব যদি আমাদের ছেলে পেলেদেরকে দেশের ভার্সিটির স্যারেরা একটু কাউন্সেলিং করে বলতো, অনেকের মনের হতাশা দূর হয়ে যেত।

আমেরিকা ও কানাডায় কেউ সরাসরি স্কুল-কলেজের গন্ডি পেরিয়ে ডাক্তারি বা আইন পড়তে পারে না, যেমনটা আমাদের দেশে হয়। মানে কেউ দ্বাদশ শ্রেণীর চৌকাঠ পার করেই সরাসরি কোনো মেডিকেল বা ল' স্কুলে ব্যাচেলর করতে পারে না। ডাক্তারি বা ল' পড়তে গেলে তাকে আগে একটা ভার্সিটি থেকে ব্যাচেলর ডিগ্রি করতে হবে, সেটা যেকোন বিষয়েই হোক। ইতিহাসে ব্যাচেলর করে কেউ ডাক্তারি পড়ে , কেউ বায়োলজিতে অনার্স করে ডাক্তারি পড়ে, কেউ ইকোনোমিক্সে অনার্স করে ডাক্তারি পড়ে , কেউ ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে ল' স্কুলে পড়তে যায়। এজন্য আমেরিকা ও কানাডার ডাক্তার ও ল'ইয়ার দের ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করলে সায়েন্স, বিজনেস, আর্টস, ইঞ্জিনিয়ারিং সব ধরণের ব্যাকগ্রাউন্ডই পাবেন। আমার পিএইচডি গবেষণার বিষয়টি আমেরিকাতে পেটেন্ট আকারে ফাইল করি। তখন পেটেন্ট ফাইলিং এর সময়ে আমেরিকান ল'ইয়ারের সাথে অনেক মিটিং করার অভিজ্ঞতা হয়। সেই ল'ইয়ারও ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েছিল ব্যাচেলরে। এরপর ল' পড়ে এখন পুরোদস্তর ল'ইয়ার হিসেবে প্রাকটিস করে।

গ্রাজুয়েট স্কুলে রিসার্চ ইন্টারেস্ট চেইঞ্জ হওয়া খুবই কমন বিষয়। এতে এতটা চিন্তিত হবার কিছুই নেই। দেশের বাইরে সকল একাডেমিশিয়ান ও প্রফেসররা এই পরিবর্তনকে পজিটিভলিই নেন। ধরুন আপনি আন্ডারগ্রেডে একটা টপিক নিয়ে থিসিস করছেন, রিসার্চ পেপারও আছে। কিন্ত আপনি অন্য টপিকে পরবর্তীতে ইন্টারেস্টেড ফিল করছেন, এবং মাস্টার্স/পিএইচডি সেই টপিকে করার ইচ্ছা হচ্ছে। তাহলে গ্রাজুয়েট এডমিশন কমিটির জন্য সুন্দর করে একটা SOP (স্টেটমেন্ট অব পারপাস) রেডি করতে হবে এবং কনভিন্স করতে হবে যে আপনি আসলেই এই টপিকের উপর ইন্টারেস্টেড। এঁরা সবাই ঝানু। হাজারো স্টুডেন্ট চড়ায়ে প্রফেসররা চুল পাকিয়েছে। জেনুইন ইন্টারেস্ট হলে ঠিকই সেন্স করবে আর একসেপ্ট করবে। দেশের বাইরে আজকাল পটেনশিয়াল রিসার্চ ফিল্ড গুলা মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি- মানে পাঁচ-মিশালী। এডভান্সড টপিক গুলা নিয়ে যে রিসার্চগুলো হয় দেশের বাইরে সেইসব টিমে বায়োলজিস্ট, ইঞ্জিনিয়ার, ম্যাথমেটিশিয়ানরা এক সাথে কাজ করে।

ছাত্রদের কথা বাদ দিলাম, ইভেন প্রফেসরদের নিজেদের ক্যারিয়ারেই তারা অনেক নিউ ফিল্ড যেগুলা নিয়ে সে আগে কাজ করে নাই, সেগুলার দিকেও তাদের রিসার্চ শিফট হয় ফান্ডিং ও কোলাবরেশনের জন্য। যেমন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর অনেক প্রফেসর আজকাল মেশিন লার্নিং এর দিকে ঝুকছে, ইলেক্ট্রনিক্স এর অনেক প্রফেসর আজকাল বায়ো-সেন্সরের দিকে ঝুকছে। তাই গ্রাজুয়েট স্কুলে রিসার্চ ইন্টারেস্ট চেইঞ্জ হওয়া খুবই খুবই কমন ঘটনা। সেটা শুধু ছাত্রদের জন্যই নয়, বরং প্রফেসরদের জন্যেও বটে।

দুর্ভাগ্যক্রমে (!) দেশের বাইরে শিক্ষাকে সবাই সীমাহীন, লাগামহীন হিসেবে বিবেচনা করে। যে কেউ চাইলে একাডেমিক ক্যারিয়ারের যেকোন সময়ে সাবজেক্ট/ রিসার্চ ইন্টারেস্ট চেইঞ্জ করতে চাইলে করতে পারে। মাস্টার্স বা পিএইচডিতে ব্যাচেলরের সাবজেক্ট ব্যতীত অন্য যেকোন বিষয় উপযুক্ত প্রি-রিকুইজিট সাপেক্ষে চাইলে পড়তে পারে। এতে কেউ জাজ করতে আসবে না।

লিখাটি শেয়ার করতে পারেন। অনেকের মনে সাবজেক্ট নিয়ে হতাশা কাজ করে। আশা করি কিছুটা হলেও লাঘব হবে। Scholarship School BD ইউটিউব চ্যানেলে আমার টিপস গুলি ফলো করতে পারেন।

© Md Nazmul Hasan Topu, UBC, Canada

The Learning Hub and Wadhwani Foundation - Bangladesh একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।The Learning Hub এবং Wadhwani F...
19/12/2022

The Learning Hub and Wadhwani Foundation - Bangladesh একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

The Learning Hub এবং Wadhwani Foundation - Bangladesh সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বাংলাদেশের ১ লক্ষ স্টুডেন্টস / প্রফেশনালস কে ডাটা লিটারেসি (ডাটা এনালাইসিস, ডাটা সায়েন্স, ডাটা ভিজুয়ালায়জেশন, এবং ডাটা এনালাইটিকস) এর বেসিক এবং এমপ্লয়েবিলিটি স্কিলস এর ট্রেইনিং দিবে।

আর এই ক্ষেত্রে আমাদের সহযোগিতায় Content Partner হিসেবে থাকবে California এর Silicon Valley based company Wadhwani Foundation and বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান Data Solution - 360

সো, আপনি কি প্রস্তুত? If not, get ready.

চাকরি পাওয়ার প্রধান শর্ত Employability অর্থাৎ নিয়োগযোগ্যতা। 21st century তে জব পেতে হলে আপনাকে অর্জন করতে হবে Employability skills of 21st century.

Wadhwani Foundation এবং The Learning Hub আপনার জন্য নিয়ে আসছে Job Ready Certification Program

কোর্সে আপনি পাচ্ছেন
✅ Fundamental Data Science /Analysis
✅ 21st Century Employability Skills Development Course
✅ Employability Skills Assessment
✅ CV Writing and Vetting (By Industry Expert)
✅ Mock Interview (By Industry Expert)

প্রোগ্রামটির বৈশিষ্ট্যঃ
✅ Around 100 hour Online Interactive World-class Materials
✅ 10 instructor-led Sessions
✅ Personalized Skill Score Card
✅ Certificate from Wadhwani Foundation
✅ কোর্সটি সম্পূর্ণ ফ্রি

তাই একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে এখনই রেজিস্ট্রেশন করুন : https://forms.gle/job7qSQTsVYnFrHE7

রেজিস্ট্রশনের শেষ তারিখঃ 26th December, 2022
যোগাযোগঃ 01876514518

| - Shahriar Islam | Nazmus Sakib

07/11/2022

এডভান্সড গ্রাফিক ডিজাইন এন্ড ফ্রিল্যান্সিং
📒📚 বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে পড়াশোনার পাশাপাশি আয় করার জন্য ফ্রিল্যান্সিং এর চেয়ে ভালো সুযোগ আর কিছু নেই। ফ্লেক্সিবল টাইমিং, রিমোট ওয়ার্ক, গ্রাজুয়েশন শেষে কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রয়োজনীয় স্কিল অর্জনের সুযোগ থাকা, সব মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি আয়ের জন্য ফ্রিল্যান্সিং বর্তমানে জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছে। কিন্তু সঠিক দিক নির্দেশনার অভাবে অনেকেই এই সুযোগটি কাজে লাগানো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
🔴✅ গ্রাফিক ডিজাইন ফ্রিল্যান্সিং স্কিলগুলোর মাঝে আমাদের দেশে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে প্রচুর কাজের সুযোগ থাকার কারণে। সময়ের সাথে সাথে কাজ করতে করতে দক্ষতা অর্জন করা গেলে এই স্কিল ব্যবহার করে মাসে কনভেনশনাল জবের চেয়েও বেশী আয় করা সম্ভব! এ ছাড়াও সিভিতে গ্রাফিক ডিজাইন স্কিলের উল্ল্যেখ আপনাকে অন্যান্য ক্যান্ডিডেটদের তুলনায় প্রতিযোগীতায় এগিয়ে রাখতে পারে! একজন মানুষের পারসোনাল ব্রান্ডিংয়ে ও রয়েছে গ্রাফিক ডিজাইনের প্রভাব।
বর্তমান সময়ের গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের স্কিল ডেভেলপমেন্টের জন্য The Learning Hub এর স্পেশাল কোর্স "Advanced Graphic Design & Master in Social Media Ads Design"

কোর্স ইন্সট্রাক্টর-
MD SABBIR HOSSIEN (ROBIN)
Graphic Designer & Mentor
UI/UX designer, CloudDefense.ai

কোর্সটির শতভাগ সফলভাবে শেষ করলে ও ফাইনাল প্রজেক্টের ফলাফলারে উপর ভিত্তি করে স্কলারশিপ ও ইন্টার্নশিপ প্রদান করা হবে।
⭐️ প্রতি সপ্তাহে ২/৩ দিন ক্লাস হবে।
⭐️ গুগল মিট সফটওয়্যার দিয়ে লাইভ ক্লাস হবে।
⭐️ ক্লাসের শেষে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ক্লাসের ভিডিও দেয়া হবে।
⭐️ প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ক্লাস শুরুর আগের দিন দেয়া হবে।

রেজিস্ট্রেশন ডেডলাইনঃ ২৪ নভেম্বর , ২০২২
ক্লাস শুরুঃ ২৫ নভেম্বর, ২০২২

হেল্পলাইনঃ 01855421280, 01764291028, 01771220341

Introduction to Programming with MATLABম্যাটল্যাব এপ্লাইড সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্র...
13/10/2022

Introduction to Programming with MATLAB

ম্যাটল্যাব এপ্লাইড সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ। এই ল্যাংগুয়েজের শুরুটাই হয়েছে গাণিতিক সমস্যা সহজে সমাধানের জন্য। এবং এটা ক্রমাগত এত জনপ্রিয় হয়েছে যে, আপনি বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও ইন্ডাস্ট্রিতে প্রচুর ম্যাটল্যাব এর ব্যাবহার দেখতে পাবেন।

✅ Instructor: Lalit Roy
Sr. Performance Engineer, Emrgy, Inc., USA | MS & PhD Candidate at The University of Alabama | BUET & NDC Alumnus

✅ 15 October, 2022 (Saturday)
Time: 8:30PM (Google Meet)

Registration Link: https://forms.gle/BDedX7iUsHv4yTn39

(ANYONE CAN JOIN THE SESSION)

𝗛𝗼𝘄 𝘁𝗼 𝗴𝗲𝘁 𝗯𝗮𝗻𝗱 𝟳+ 𝗶𝗻 𝗜𝗘𝗟𝗧𝗦আপনি উচ্চশিক্ষার জন্য স্কলারশিপ নিয়ে বিদেশে পড়াশোনা করতে ইচ্ছুক? কিন্তু আপনার আইইএলটিএস (IELT...
03/10/2022

𝗛𝗼𝘄 𝘁𝗼 𝗴𝗲𝘁 𝗯𝗮𝗻𝗱 𝟳+ 𝗶𝗻 𝗜𝗘𝗟𝗧𝗦

আপনি উচ্চশিক্ষার জন্য স্কলারশিপ নিয়ে বিদেশে পড়াশোনা করতে ইচ্ছুক? কিন্তু আপনার আইইএলটিএস (IELTS) নিয়ে প্রচন্ড ভীতি কাজ করে। অথচ বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে স্বীকৃত ইংরেজি ভাষা দক্ষতা যাচাইকরণ পরীক্ষা হল আইইএলটিএস (IELTS)।

কিন্তু অনেকেই শব্দটি শুনে থাকলেও IELTS এর বিষয়ে তাদের স্পষ্ট ও স্বচ্ছ কোন ধারণা নেই। ফলে IELTS কি, কিভাবে IELTS করতে হয়, কিভাবে শুরু করবেন, সফলতা পাবেন প্রভৃতি প্রশ্নগুলোয় আপনি দ্বিধান্বিত হয়ে থাকে। তাই এই পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়ার পূর্বে আপনার ইংরেজিতে কতটুকু দখল ও দক্ষতা রয়েছে সেটিও যাচাই-বাছাই করা জরুরী।

আইইএলটিএস এর ৩ টি ক্লাসে আপনি জানতে পারবেন কিভাবে IELTS Band Score ৭+ পাবেন। কোচিং ছাড়াই একজন শিক্ষার্থী নিজে প্রিপারেশন নিয়ে মিনিমাম ৭ পেতে পারেন কিভাবে। তারপর কি কি বই কিনতে হবে, নিজে নিজে কিভাবে স্পিকিং এ প্রাক্টিস করবে। লিসেনিং, রিডিং, রাইটিং নিয়ে থাকবে কিছু স্পেশাল টিপস।

Instructor:
Rayhan Chowdhury
IELTS Score: 8
Founder at Rayhan's IELTS
10+ Years of Training Experience

Join our WhatsApp Group to Get Class Links: https://chat.whatsapp.com/EhAEs9NZHEa5BqnP3iW0V3

1st Class: 3 October, 2022
Platform: Zoom | Class Time: 6:00pm

তাই IELTS পরীক্ষায় ভালো করে আপনার স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি জমাতে এক ধাপ এগিয়ে থাকুন।

𝐂𝐫𝐞𝐚𝐭𝐞 𝐂𝐚𝐫𝐞𝐞𝐫 𝐎𝐩𝐩𝐨𝐫𝐭𝐮𝐧𝐢𝐭𝐢𝐞𝐬 𝐰𝐢𝐭𝐡 𝐋𝐢𝐧𝐤𝐞𝐝𝐈𝐧The Learning Hub is going to conduct a session on "𝐂𝐫𝐞𝐚𝐭𝐞 𝐂𝐚𝐫𝐞𝐞𝐫 𝐎𝐩𝐩𝐨𝐫𝐭𝐮𝐧𝐢𝐭𝐢𝐞𝐬 ...
02/10/2022

𝐂𝐫𝐞𝐚𝐭𝐞 𝐂𝐚𝐫𝐞𝐞𝐫 𝐎𝐩𝐩𝐨𝐫𝐭𝐮𝐧𝐢𝐭𝐢𝐞𝐬 𝐰𝐢𝐭𝐡 𝐋𝐢𝐧𝐤𝐞𝐝𝐈𝐧

The Learning Hub is going to conduct a session on "𝐂𝐫𝐞𝐚𝐭𝐞 𝐂𝐚𝐫𝐞𝐞𝐫 𝐎𝐩𝐩𝐨𝐫𝐭𝐮𝐧𝐢𝐭𝐢𝐞𝐬 𝐰𝐢𝐭𝐡 𝐋𝐢𝐧𝐤𝐞𝐝𝐢𝐧." A well organised LinkedIn profile will give you credibility and will establish you as a trustworthy potential employee. Every time a recruiter contacts you, you can be sure that they've looked at your profile.

Your LinkedIn Profile Builds Trust and Credibility.

Speaker:
Md. Giyas Uddin
Founder, Skill Canvas

Date: 02/10/2022
Day: Sunday | Time: 8-10pm

This event is OPEN FOR ALL! (Registration Required)

Hurry up! Register for free: https://forms.gle/VSctJREwxh9YxFmx7

পার্থক্যটা স্বপ্নে -ভারতের ছেলেমেয়েরা যখন বিশ্বের বড় বড় কোম্পানির সিইও হওয়ার স্বপ্ন দেখছে, এবং হচ্ছে;Sundar Pichai, CEO ...
01/10/2022

পার্থক্যটা স্বপ্নে -

ভারতের ছেলেমেয়েরা যখন বিশ্বের বড় বড় কোম্পানির সিইও হওয়ার স্বপ্ন দেখছে, এবং হচ্ছে;

Sundar Pichai, CEO of Google
Satya Nadella, CEO of Microsoft
Shantanu Narayen, CEO of Adobe
Francisco D’Souza, CEO of Cognizant
Rajeev Suri, CEO of Nokia
Sanjay Kumar Jha, CEO of Globalfoundries
Dinesh Paliwal, chairman and CEO of Harman International
George Kurien, CEO of NetApp
Indra Nooyi, chairperson and CEO of PepsiCo
Ajay Banga, president and CEO of MasterCard
Piyush Gupta, CEO of DBS Group
Ivan Manuel Menezes, CEO of Diageo

তখন আমাদের লাখ লাখ ছেলেমেয়েরা ভাবছে,
সরকারি ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার হতে পারলেও জীবন ধন্য (যদিও জানে না ব্যাংকিং তার আসলেই ভালো লাগবে কি লাগবে না)।

স্বপ্ন দেখানোর মানুষের যেমন বড্ড অভাব, স্বপ্ন দেখার মানুষেরও অভাব পড়েছে দেশটাতে।
ফলাফল?

১। সব সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারিদের বেতন ৫৪ হাজার কোটি টাকা (২০১৬ সালে ছিলো ২৪ হাজার কোটি টাকা)। আর ৮-১০ লাখ বিদেশিদের ব্যবসায়ীরা বেতন দিচ্ছে ৭০ হাজার কোটি টাকা!

২। দেশের কয়েকশত প্রতিষ্ঠানের সিইও ভারতীয়! আর আমরা সেখানে তাদের অধীনে দৌড়াদৌড়ি করি।

৩। ভারতীয়দের ১০০ সিইও সারা দুনিয়া থেকে যা আয় করে, আমরা লাখ লাখ শ্রমিক পাঠিয়েও সেই টাকা পাই না।

আমরা কবে বিশ্বের সেরা প্রতিষ্ঠানগুলোর সিইও তৈরি করবো?
অন্তত দেশে সিইও মানে হাজার ১০ উঁচু বেতনে বসে থাকা বিদেশিদের জায়গাটা নিতে পারবো?
কবে পারবো?

--খাজা নিজাম উদ্দিন

দ্রুত শেখার পাঁচ সহজ উপায়:০১. আলোচনা করে শেখা। অন‍্যের সাথে যখন একটা বিষয় আলোচনা করবে, তখন দেখবে বিষয়টা অনেক সহজ হয়ে য...
01/10/2022

দ্রুত শেখার পাঁচ সহজ উপায়:

০১. আলোচনা করে শেখা। অন‍্যের সাথে যখন একটা বিষয় আলোচনা করবে, তখন দেখবে বিষয়টা অনেক সহজ হয়ে যায়। তাছাড়া তুমি যেভাবে ভাবছো, সেটা যে অন‍্যভাবেও ভাবা যায়, সেটা শুধুমাত্র আলোচনা করলেই উপলব্ধি করা যায়। Discussion হলো শেখার অন‍্যতম উপাদান।

০২. যে বিষয়টা শিখবে, সেটা চিন্তা করা। সেটা নিয়ে ভাবা। What is your thoughts? নিজের ভাবনাটাকে তৈরি করো। কোন বিষয় নিয়ে ভাবার অর্থ হলো, তুমি সেটার সাথে জড়িয়ে যাওয়া। সেটার ভিতরে ঢুকে যাওয়া। সেটার সাথে এটাচমেন্ট তৈরি হওয়া।

০৩. ফোকাস তৈরি করা। একটা বিষয় আমি শিখব কিংবা শুনবো কিংবা পড়বো—সেটার জন‍্য একটা ফোকাস চাই। ত্রিশ মিনিট কিংবা এক ঘণ্টা। কিংবা ততোধিক। ফোকাস ছাড়া যেমন ড্রাইভিং করা যায় না, তেমনি ফোকাস ছাড়া শেখার কোন সহজ উপায় নেই। যার ফোকাস যতো বেশি, সে ততো দ্রুত শিখে এবং দীর্ঘদিন মনে রাখতে পারে।

০৪. প্রশ্ন করো। শেখার জন‍্য প্রশ্ন করতে হবে। সেটা নিজেকে হোক কিংবা অন‍্যকে। প্রশ্ন করলেই বিস্ময় জাগবে। বিস্ময় জাগলে সেটা তোমার ভিতর আলোড়ন তৈরি করবে। শিখতে হলে নিজেকে আলোড়িত করতে হবে। নিজের ভিতর নাড়া দিতে হবে। যা তোমাকে বিস্মিত করবে না, যা তোমার ভিতর নাড়া দিবে না, সেটা তোমার ভিতর বেশিদিন থাকবে না।

০৫. পর্যবেক্ষণ শক্তি বাড়াও। A good observer is the best learner! অবজার্ভ করো—তোমার আশপাশে, তোমার পরিবেশে। পর্যবেক্ষণ তোমাকে শেখাবে। পর্যবেক্ষণ তোমাকে সামনে নিয়ে যাবে।

শেখা শুধু বইয়ের পাঠ‍্য নয়। শেখা শুধু পরীক্ষার জন‍্য নয়। শেখা হলো জীবনকে সহজভাবে ড্রাইভ করার জন‍্য।
……………….
ALAM

Address

Chittagong
4330

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CU Student's Job Network posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share